
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য এদেশের মানুষ মুসলমান হয়ে মুসলমানের বিরুদ্ধে গিয়েছে সেই দেশের মানুষ দিল্লির দাসত্ব মেনে নেবে এটা প্রত্যাশা করা ঠিক না।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য এদেশের মানুষ মুসলমান হয়ে মুসলমানের বিরুদ্ধে গিয়েছে সেই দেশের মানুষ দিল্লির দাসত্ব মেনে নেবে এটা প্রত্যাশা করা ঠিক না।এদেশের মানুষ দিল্লির দাসত্ব কখনোই মেনে নেবে না।
আজ শনিবার (২৩ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খা হলে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদুু বলেন, দেশে কোনো গণতন্ত্র নাই, আইনের শাসন নাই, দীর্ঘদিন ধরে কোনো সরকার নাই, এর কৈফত কারো কাছে চাইবো তার উপায় নাই। ফিলিস্তিনি পার্শ্ববর্তী দেশ ইজরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনি দখল করে নিয়েছে একইভাবে মনে হচ্ছে আমার বাংলাদেশে দখল করে নিয়ে গেছে। বাংলাদেশের কোন নাগরিক ভোট দিতে পারে না। ভোট দেওয়ার কোনো পরিস্থিতি নাই।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নানামুখী আলোচনা আছে দেশের মধ্যে এবং দেশের বাইরে। বিশ্বের যেসব দেশগুলোতে নির্বাচনী ব্যবস্থা নাই সেই সব দেশগুলো বাংলাদেশের তথাকথিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে। সুস্থ স্বাভাবিক গণতন্ত্রকামী দেশগুলো বাংলাদেশের এই তথাকথিত সরকারকে অভিনন্দন জানায়নি।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে খুব দ্রুতই আরেকটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকারও উদ্বিগ্ন তার চাল চলন কথাবার্তায় বিশেষত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথা নিয়মিত শুনবেন দেখবেন তিনি ভীষণ উদ্বিগ্ন। ওবায়দুল কাদেরের জন্য দোয়া করি আল্লাহ উনাকে বাঁচিয়ে রাখুন। কারণ অনেক কিছুই তিনি দেখতে পারবেন খুব শীঘ্রই।
আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অনেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়াকে নরমালি মেনে নিতে পারে না। আপনারা শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনাকে পোস্টারে ছবি ছাপবেন আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছবি পোস্টারে ছাপাবো, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, কত ধানে কত চাল দেখতে পাবেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কে আপনারা মানেন আর না মানেন এদেশের জনগণ মানে এবং সারা বিশ্ব তাকে মানে। আপনারা সম্পূর্ণ বন্দুকের নলের মুখে ক্ষমতা দখল করে বসে আছেন। জনসমর্থনে আপনারা ক্ষমতায় বসেননি। আপনারা সম্পূর্ণ জন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।
কৃষকদলের সাবেক এই আহবায়ক বলেন, এই দেশে এমন কোন পণ্য আছে যার দাম ৩০০ থেকে ৪০০ গুন বাড়েনি? বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ করে। একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখেন বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছাড়ে তখন চালের দাম কত ছিল। তখন চাউলের দাম ছিল ১৬ টাকা কেজি । আর এখন কত? গরু,খাসির মাংস বর্তমানে কত আর তখন কত ছিল। আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলের কথা বললে তো তখন মানুষ স্বর্গ সুখে বসবাস করত।
বিএনপি এই নেতা বলেন, এই সরকারের মতো দুর্নীতিবাজ সরকার বাংলাদেশের মানুষ গত ১০০ বছরেও দেখেনি। ব্যাংকের কথায় ধরেন সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংক যে ব্যাংকে মানুষ টাকা রেখে নিশ্চিন্তে আছে। সার্বক্ষণিক মানুষ চিন্তা করে তার টাকা এই আছে এই নাই।
তিনি বলেন, এদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করেছে গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য। এই মুক্তিযুদ্ধের দেশে কেউ ডাকাতের মত করে দখল করে নেবে এটা এ দেশের জনগণ কোনোদিনও মেনে নেবে না। ভারতের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব আছে মুক্তিযুদ্ধে প্রশ্ন। কিন্তু এদেশের গণতন্ত্র হরণ করে নেবেন আর এ দেশের মানুষ আপনাদের সাথে ভালো ব্যবহার করবে এটা প্রত্যাশা করা ঠিক না। মুসলমান হয়ে মুসলমানের বিরুদ্ধে গিয়েছে এদেশের মানুষ শুধু স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য। সেই দেশের মানুষ দিল্লির দাসত্ব মেনে নেবে এটা প্রত্যাশা করা ঠিক না।
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদেরকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, এদেশের গণতন্ত্র স্বাধীনতা সর্বভৌমত্বের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে আসুন আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ি।
সংগঠনের সভাপতি এম গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নরুল হক নুর, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন ও মোক্তার আখন্দ প্রমুখ।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য এদেশের মানুষ মুসলমান হয়ে মুসলমানের বিরুদ্ধে গিয়েছে সেই দেশের মানুষ দিল্লির দাসত্ব মেনে নেবে এটা প্রত্যাশা করা ঠিক না।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য এদেশের মানুষ মুসলমান হয়ে মুসলমানের বিরুদ্ধে গিয়েছে সেই দেশের মানুষ দিল্লির দাসত্ব মেনে নেবে এটা প্রত্যাশা করা ঠিক না।এদেশের মানুষ দিল্লির দাসত্ব কখনোই মেনে নেবে না।
আজ শনিবার (২৩ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খা হলে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদুু বলেন, দেশে কোনো গণতন্ত্র নাই, আইনের শাসন নাই, দীর্ঘদিন ধরে কোনো সরকার নাই, এর কৈফত কারো কাছে চাইবো তার উপায় নাই। ফিলিস্তিনি পার্শ্ববর্তী দেশ ইজরায়েল যেভাবে ফিলিস্তিনি দখল করে নিয়েছে একইভাবে মনে হচ্ছে আমার বাংলাদেশে দখল করে নিয়ে গেছে। বাংলাদেশের কোন নাগরিক ভোট দিতে পারে না। ভোট দেওয়ার কোনো পরিস্থিতি নাই।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নানামুখী আলোচনা আছে দেশের মধ্যে এবং দেশের বাইরে। বিশ্বের যেসব দেশগুলোতে নির্বাচনী ব্যবস্থা নাই সেই সব দেশগুলো বাংলাদেশের তথাকথিত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে। সুস্থ স্বাভাবিক গণতন্ত্রকামী দেশগুলো বাংলাদেশের এই তথাকথিত সরকারকে অভিনন্দন জানায়নি।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে খুব দ্রুতই আরেকটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকারও উদ্বিগ্ন তার চাল চলন কথাবার্তায় বিশেষত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কথা নিয়মিত শুনবেন দেখবেন তিনি ভীষণ উদ্বিগ্ন। ওবায়দুল কাদেরের জন্য দোয়া করি আল্লাহ উনাকে বাঁচিয়ে রাখুন। কারণ অনেক কিছুই তিনি দেখতে পারবেন খুব শীঘ্রই।
আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অনেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়াকে নরমালি মেনে নিতে পারে না। আপনারা শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনাকে পোস্টারে ছবি ছাপবেন আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার ছবি পোস্টারে ছাপাবো, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, কত ধানে কত চাল দেখতে পাবেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কে আপনারা মানেন আর না মানেন এদেশের জনগণ মানে এবং সারা বিশ্ব তাকে মানে। আপনারা সম্পূর্ণ বন্দুকের নলের মুখে ক্ষমতা দখল করে বসে আছেন। জনসমর্থনে আপনারা ক্ষমতায় বসেননি। আপনারা সম্পূর্ণ জন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।
কৃষকদলের সাবেক এই আহবায়ক বলেন, এই দেশে এমন কোন পণ্য আছে যার দাম ৩০০ থেকে ৪০০ গুন বাড়েনি? বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে চ্যালেঞ্জ করে। একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখেন বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছাড়ে তখন চালের দাম কত ছিল। তখন চাউলের দাম ছিল ১৬ টাকা কেজি । আর এখন কত? গরু,খাসির মাংস বর্তমানে কত আর তখন কত ছিল। আর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলের কথা বললে তো তখন মানুষ স্বর্গ সুখে বসবাস করত।
বিএনপি এই নেতা বলেন, এই সরকারের মতো দুর্নীতিবাজ সরকার বাংলাদেশের মানুষ গত ১০০ বছরেও দেখেনি। ব্যাংকের কথায় ধরেন সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংক যে ব্যাংকে মানুষ টাকা রেখে নিশ্চিন্তে আছে। সার্বক্ষণিক মানুষ চিন্তা করে তার টাকা এই আছে এই নাই।
তিনি বলেন, এদেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করেছে গণতন্ত্রের জন্য, স্বাধীনতার জন্য। এই মুক্তিযুদ্ধের দেশে কেউ ডাকাতের মত করে দখল করে নেবে এটা এ দেশের জনগণ কোনোদিনও মেনে নেবে না। ভারতের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব আছে মুক্তিযুদ্ধে প্রশ্ন। কিন্তু এদেশের গণতন্ত্র হরণ করে নেবেন আর এ দেশের মানুষ আপনাদের সাথে ভালো ব্যবহার করবে এটা প্রত্যাশা করা ঠিক না। মুসলমান হয়ে মুসলমানের বিরুদ্ধে গিয়েছে এদেশের মানুষ শুধু স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য। সেই দেশের মানুষ দিল্লির দাসত্ব মেনে নেবে এটা প্রত্যাশা করা ঠিক না।
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদেরকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, এদেশের গণতন্ত্র স্বাধীনতা সর্বভৌমত্বের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে আসুন আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ি।
সংগঠনের সভাপতি এম গিয়াস উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নরুল হক নুর, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন ও মোক্তার আখন্দ প্রমুখ।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৭ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৭ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে