
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) মহানগর বিএনপির ৪০ নেতাকর্মীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে দলটি। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে জানানো হয়, বিগত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় সংশ্লিষ্ট নেতাদের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে তারা দলের কাছে লিখিত আবেদন করলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এসব নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হচ্ছে মর্মে গত কয়েকদিন থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর প্রচার হচ্ছিল। বিশেষ করে সিলেট সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত বিএনপি দলীয় সাবেক কয়েকজন কাউন্সিলর সম্প্রতি সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তখন থেকেই নেতাকর্মীরা বিষয়টি আঁচ করতে সক্ষম হন। এরপর রবিবার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ঘোষণা এলো।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতারা হলেন— ১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সৈয়দ তৌফিকুল হাদী ও মুফতি কমর উদ্দীন কামু; ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিঠু; ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামাল মিয়া, খালেদ আকবর চৌধুরী, আমিনুর রহমান খোকন ও শাহেদ সিরাজ; ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ফরহাদ চৌধুরী শামীম; ১০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সাঈদুর রহমান জুবের; ১১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম মতছির; ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মুনিম; ১৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান; ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এ বি এম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল ও সালমান চৌধুরী শাম্মী; ২২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বদরুল আজাদ রানা; ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মামুনুর রহমান মামুন; ২৪নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির সুহিন; ২৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা রুকশানা বেগম শাহনাজ; ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সেলিম আহমদ রনি; ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলী আব্বাস; ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা কামাল ও সাহেদ খান স্বপন; ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জাবেদ আমিন সেলিম, রাজু মিয়া ও সানর মিয়া; ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুল মুকিত; ৩২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হেদায়েত হোসেন তানভীর ও দুলাল আহমদ; ৩৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা গউছ উদ্দিন পাখী ও দেলওয়ার হোসেন নাদিম; ৩৭নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দিলওয়ার হোসেন জয়; ৩৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা উসমান হারুন পনির; ৩৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন সুমন; ৪০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুল হাছিব; ৪২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সুমন আহমদ সিকদার।
এ ছাড়া সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন ২২, ২৩ ও ২৪নং ওয়ার্ডের সালেহা কবির শেলী; ১০, ১১ ও ১২ নং ওয়ার্ডের রুহেনা বেগম মুক্তা ও জহুরা জেসমিন; ১৬, ১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডের কামরুন নাহার পিন্নি; এবং নং ওয়ার্ডের নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেটে বিএনপি নেতাকর্মীদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার শুরু হয়েছে। রবিবার (৯ নভেম্বর) মহানগর বিএনপির ৪০ নেতাকর্মীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে দলটি। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে জানানো হয়, বিগত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় সংশ্লিষ্ট নেতাদের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে তারা দলের কাছে লিখিত আবেদন করলে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এসব নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হচ্ছে মর্মে গত কয়েকদিন থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর প্রচার হচ্ছিল। বিশেষ করে সিলেট সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত বিএনপি দলীয় সাবেক কয়েকজন কাউন্সিলর সম্প্রতি সিলেট-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তখন থেকেই নেতাকর্মীরা বিষয়টি আঁচ করতে সক্ষম হন। এরপর রবিবার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ঘোষণা এলো।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া নেতারা হলেন— ১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সৈয়দ তৌফিকুল হাদী ও মুফতি কমর উদ্দীন কামু; ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিঠু; ৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামাল মিয়া, খালেদ আকবর চৌধুরী, আমিনুর রহমান খোকন ও শাহেদ সিরাজ; ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা ফরহাদ চৌধুরী শামীম; ১০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সাঈদুর রহমান জুবের; ১১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম মতছির; ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মুনিম; ১৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান; ১৮নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা এ বি এম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল ও সালমান চৌধুরী শাম্মী; ২২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বদরুল আজাদ রানা; ২৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মামুনুর রহমান মামুন; ২৪নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির সুহিন; ২৫নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা রুকশানা বেগম শাহনাজ; ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সেলিম আহমদ রনি; ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলী আব্বাস; ২৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা কামাল ও সাহেদ খান স্বপন; ৩০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জাবেদ আমিন সেলিম, রাজু মিয়া ও সানর মিয়া; ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুল মুকিত; ৩২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হেদায়েত হোসেন তানভীর ও দুলাল আহমদ; ৩৩নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা গউছ উদ্দিন পাখী ও দেলওয়ার হোসেন নাদিম; ৩৭নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা দিলওয়ার হোসেন জয়; ৩৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা উসমান হারুন পনির; ৩৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আলতাফ হোসেন সুমন; ৪০নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুল হাছিব; ৪২নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সুমন আহমদ সিকদার।
এ ছাড়া সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন ২২, ২৩ ও ২৪নং ওয়ার্ডের সালেহা কবির শেলী; ১০, ১১ ও ১২ নং ওয়ার্ডের রুহেনা বেগম মুক্তা ও জহুরা জেসমিন; ১৬, ১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডের কামরুন নাহার পিন্নি; এবং নং ওয়ার্ডের নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাবি শাখার অধীন কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিমের সাংগঠনিক পদের অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হলো। এর ফলে তার সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় আর কোনো বিধিনিষেধ রইল না।
৪ দিন আগে
এমন পরিস্থিতিতেই এসেছে মির্জা ফখরুলের ফেসবুক পোস্ট। ধর্ষণকে নৈতিক অবক্ষয় ও মানবিক মূল্যবোধের পতনের প্রতিফলন উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা ও মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রত
৪ দিন আগে
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, একটি মহল আছে, যারা মিথ্যা ছাড়া অন্য কোনো ভালো জিনিস চিন্তা করতে পারে না। কখনোই তারা মানুষের আস্থা-বিশ্বাসের সঙ্গে থাকতে পারে নাই বলে সরকারে যাওয়া দূরে থাক উল্লেখযোগ্য কোনো মানুষের সমর্থনও নেই। এরা ইসলামকে ব্যবহার করে ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমিকা পালন করে। রাজনীতিতে এরা এমনই একটি অ
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সাম্প্রতিক ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং বহু বছর ধরে চলতে থাকা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধের দ্রুত পতনের ভয়াবহ প্রতিফলন।
৪ দিন আগে