
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদায় জানাতে গুলশানে তার বাসার সামনে জড়ো হয়েছেন বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সরেজমিনে দেখা যায়, গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কের ১ নম্বর বাসা ‘ফিরোজা’ এবং আশপাশের এলাকা লোকে লোকারণ্য।
দলীয় সূত্র জানায়, রাত ৮টায় বাসা থেকে বের হয়ে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা খালেদা জিয়ার। কিন্তু বিকেল থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকরা গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসার সামনে এসে জড়ো হতে থাকেন।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে শুরু করে ৭৯ নম্বর সড়ক এবং আশপাশের লেনগুলো বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। তারা খালেদা জিয়ার নামে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
খালেদা জিয়াকে বিদায়ি শুভেচ্ছা জানাতে তার বাসায় প্রবেশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যরা।
বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাস্তার দুই পাশে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়াকে বিদায়ি শুভেচ্ছা জানাতে।
যাতে করে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে। কিন্তু সন্ধ্যা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার বাসার সামনের সড়কে এসে জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে পুরো সড়কই লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।
এদিকে খালেদা জিয়াকে বিদায়ি শুভেচ্ছা জানাতে এরই মধ্যে তার বাসায় এসেছেন পরিবারের সদস্য এবং বিএনপির সিনিয়র নেতারা।
দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ খালেদা জিয়াকে বিদায়ি শুভেচ্ছা জানাতে তার বাসায় প্রবেশ করেছেন। তবে বাসার ভেতরে নেতাদের প্রবেশের ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া। রাত ১০টায় ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। বুধবার সকালে তিনি লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছবেন।
সেখান থেকে সরাসরি ‘লন্ডন ক্লিনিক’-এ ভর্তি করা হবে তাকে। এরই মধ্যে খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতারের আমিরের পাঠানো রাজকীয় বহরের বিশেষ উড়োহাজাজ ঢাকায় পৌঁছেছে। সর্বাধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসংবলিত এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে চড়েই লন্ডনে যাবেন খালেদা জিয়া।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদায় জানাতে গুলশানে তার বাসার সামনে জড়ো হয়েছেন বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থক।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সরেজমিনে দেখা যায়, গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কের ১ নম্বর বাসা ‘ফিরোজা’ এবং আশপাশের এলাকা লোকে লোকারণ্য।
দলীয় সূত্র জানায়, রাত ৮টায় বাসা থেকে বের হয়ে ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা খালেদা জিয়ার। কিন্তু বিকেল থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থকরা গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসার সামনে এসে জড়ো হতে থাকেন।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে গুলশান-২ গোলচত্বর থেকে শুরু করে ৭৯ নম্বর সড়ক এবং আশপাশের লেনগুলো বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে। তারা খালেদা জিয়ার নামে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
খালেদা জিয়াকে বিদায়ি শুভেচ্ছা জানাতে তার বাসায় প্রবেশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্যান্যরা।
বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাস্তার দুই পাশে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়াকে বিদায়ি শুভেচ্ছা জানাতে।
যাতে করে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটে। কিন্তু সন্ধ্যা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার বাসার সামনের সড়কে এসে জড়ো হতে থাকেন। এক পর্যায়ে পুরো সড়কই লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।
এদিকে খালেদা জিয়াকে বিদায়ি শুভেচ্ছা জানাতে এরই মধ্যে তার বাসায় এসেছেন পরিবারের সদস্য এবং বিএনপির সিনিয়র নেতারা।
দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ খালেদা জিয়াকে বিদায়ি শুভেচ্ছা জানাতে তার বাসায় প্রবেশ করেছেন। তবে বাসার ভেতরে নেতাদের প্রবেশের ব্যাপারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া। রাত ১০টায় ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি। বুধবার সকালে তিনি লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছবেন।
সেখান থেকে সরাসরি ‘লন্ডন ক্লিনিক’-এ ভর্তি করা হবে তাকে। এরই মধ্যে খালেদা জিয়াকে বহনকারী কাতারের আমিরের পাঠানো রাজকীয় বহরের বিশেষ উড়োহাজাজ ঢাকায় পৌঁছেছে। সর্বাধুনিক চিকিৎসা সুবিধাসংবলিত এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে চড়েই লন্ডনে যাবেন খালেদা জিয়া।

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর বাংলা মোটর পার্টি অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসুন ভালো নির্বাচনের জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আমরা জানি ভালো নির্বাচন হলে এই দেশে যে সরকার আসবে, সেই সরকার হবে শহীদ জিয়ার সরকার। যে সরকার আসবে, সেটি হবে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার। আর সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন তারেক রহমান বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান শামসু
৭ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপির সমর্থিত প্রার্থী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরর পক্ষে সাংগঠনিকভাবে কাজ না করায় ওই আসনের বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করেছে দলটির কেন্দ্রীয় কমিটি।
৭ ঘণ্টা আগে
স্বজনদের এসব আর্তনাদ স্পর্শ করে তারেক রহমানকেও। মঞ্চেই বসে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে দেখা যায় তাকে। তার কানে হয়তো বাজে, ‘কত বছর আসে যায়, বাবা তো আর আসে না।’
৮ ঘণ্টা আগে