
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনায় একটি ছবি ছড়িয়েছে। ছবিটিতে অভিযুক্ত শ্যুটারের সঙ্গে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমকে এক টেবিলে চা খেতে দেখা যাচ্ছে এমন দাবিতে বিষয়টি আলোচনায় আসে।
এ নিয়ে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, শনাক্ত ব্যক্তি ও সাদিক কায়েম এক টেবিলে বসে চা খাচ্ছেন এর বিচার কে করবে? তার এই মন্তব্যের পর বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
এর জবাবে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৪১ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে সাদিক কায়েম বলেন, আওয়ামী লীগ-সমর্থিত একটি প্রোপাগান্ডা সেলের মাধ্যমে প্রচারিত এআই-তৈরি ছবিকে সত্য ধরে নিয়ে তার বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপির মতো একটি বড় রাজনৈতিক দলের সিনিয়র নেতার কাছ থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, যারা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের সামনে যাচ্ছেন, তারা যদি সংকটের মুহূর্তে যাচাই না করা তথ্যকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করেন, তাহলে গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, বিএনপির সমাবেশে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে অভিযুক্ত শুটারের সঙ্গে একই টেবিলে চা খাওয়ার দাবি তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়া ছবিনির্ভর। এ কারণে দল হিসেবে বিএনপি এবং ব্যক্তি রিজভীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর গুলির ঘটনায় একটি ছবি ছড়িয়েছে। ছবিটিতে অভিযুক্ত শ্যুটারের সঙ্গে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমকে এক টেবিলে চা খেতে দেখা যাচ্ছে এমন দাবিতে বিষয়টি আলোচনায় আসে।
এ নিয়ে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, শনাক্ত ব্যক্তি ও সাদিক কায়েম এক টেবিলে বসে চা খাচ্ছেন এর বিচার কে করবে? তার এই মন্তব্যের পর বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
এর জবাবে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৪১ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে সাদিক কায়েম বলেন, আওয়ামী লীগ-সমর্থিত একটি প্রোপাগান্ডা সেলের মাধ্যমে প্রচারিত এআই-তৈরি ছবিকে সত্য ধরে নিয়ে তার বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বিএনপির মতো একটি বড় রাজনৈতিক দলের সিনিয়র নেতার কাছ থেকে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়।
সাদিক কায়েম আরও বলেন, যারা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণের সামনে যাচ্ছেন, তারা যদি সংকটের মুহূর্তে যাচাই না করা তথ্যকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করেন, তাহলে গণতন্ত্র ও রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেন, বিএনপির সমাবেশে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে অভিযুক্ত শুটারের সঙ্গে একই টেবিলে চা খাওয়ার দাবি তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভুয়া ছবিনির্ভর। এ কারণে দল হিসেবে বিএনপি এবং ব্যক্তি রিজভীর কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১৫ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
১৫ ঘণ্টা আগে
সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী কোনো দলের বাংলাদেশের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই।
১ দিন আগে
"সকালে মোহাম্মদপুরের কলেজ গেট এলাকায় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একটি ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করা হয়। সেখানে আগে থেকেই পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মিছিলের চেষ্টা করা হলে সেখান থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়।"
৩ দিন আগে