
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনিও আওয়ামী লীগের আরও অনেক নেতার মতো ভারতে অবস্থান করছেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) কলকাতা ও ঢাকার একাধিক সূত্র রাজনীতি ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রগুলো বলছে, ওবায়দুল কাদের সুস্থ আছেন। কয়েকদিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হলেও এখন তিনি বাসায় অবস্থান করছেন।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওবায়দুল কাদেরের সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তির খবর প্রকাশের পর সোমবার রাতে ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আব্দুল কাদের মির্জাও নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভাইয়ের সুস্থতার খবর জানিয়েছেন।
আব্দুল কাদের মির্জা লিখেছেন, ‘আমার পিতৃতুল্য বড় ভাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল কাদের সাহেব আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে এখন অনেকটাই সুস্থ আছেন। এবং হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন।’
সবার কাছে ওবায়দুল কাদেরের জন্য দোয়াও চেয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নোয়াখালী বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা।
জানা গেছে, ওবায়দুল কাদের কলকাতার নিউটাউনের একটি বাড়িতে বসবাস করছেন। বার্ধক্যসহ নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হলে কয়েকদিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
ওবায়দুল কাদের ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭৭ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন) সভাপতি নির্বাচিত হন। দুই মেয়াদে সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাতবার তিনি নোয়াখালী-৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাদে বাকি পাঁচবারই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। ২০১১ সাল থেকে জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এর মধ্যেই ২০১৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। টানা তৃতীয় মেয়াদে তিনি এ দায়িত্ব পালন করছেন।

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনিও আওয়ামী লীগের আরও অনেক নেতার মতো ভারতে অবস্থান করছেন।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) কলকাতা ও ঢাকার একাধিক সূত্র রাজনীতি ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রগুলো বলছে, ওবায়দুল কাদের সুস্থ আছেন। কয়েকদিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হলেও এখন তিনি বাসায় অবস্থান করছেন।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওবায়দুল কাদেরের সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তির খবর প্রকাশের পর সোমবার রাতে ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আব্দুল কাদের মির্জাও নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ভাইয়ের সুস্থতার খবর জানিয়েছেন।
আব্দুল কাদের মির্জা লিখেছেন, ‘আমার পিতৃতুল্য বড় ভাই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল কাদের সাহেব আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে এখন অনেকটাই সুস্থ আছেন। এবং হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন।’
সবার কাছে ওবায়দুল কাদেরের জন্য দোয়াও চেয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নোয়াখালী বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা।
জানা গেছে, ওবায়দুল কাদের কলকাতার নিউটাউনের একটি বাড়িতে বসবাস করছেন। বার্ধক্যসহ নানা শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হলে কয়েকদিন আগে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।
ওবায়দুল কাদের ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭৭ সালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন) সভাপতি নির্বাচিত হন। দুই মেয়াদে সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সাতবার তিনি নোয়াখালী-৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম ও অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাদে বাকি পাঁচবারই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তিনি। ২০১১ সাল থেকে জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। এর মধ্যেই ২০১৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। টানা তৃতীয় মেয়াদে তিনি এ দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী বলছেন, বিএনপি বিলটি পাশ করে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছে এবং তার মতে, "আওয়ামী লীগকে যদি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়া হয় তাহলে তো দুনিয়ার সব স্বৈরশাসককেই সম্মান করতে হবে"।
২ দিন আগে
নেপালের তরুণ প্রজন্মের মতো করে বাংলাদেশেও তরুণ প্রজন্মের উত্তাল বিক্ষোভ সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। তবে প্রায় দুই বছর হতে চললেও বাংলাদেশ তরুণদের আন্দোলন এখন পর্যন্ত তেমন অর্থবহ রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।
৩ দিন আগে
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।
৪ দিন আগে
ভোলায় আটক বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী সাওদা বিবি সুমি অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
৪ দিন আগে