
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (২০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার ও সোমবার পৃথক অভিযান চালিয়ে রাজধানীর মিরপুর, আজিমপুর, ভাটারা ও বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন— দারুস সালাম থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ নম্বর ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইমন ইসলাম রনি (৪২), সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লার সহযোগী মো. রুবেল পেদা (৩০), পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী তাপস (৩০), নাজিরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. জানে আলম চৌধুরী ঠান্ডু (৩২), ভাণ্ডারিয়া উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ঈশান শিকদার মিরাজ (২৬), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আল হেলাল (৪৭) ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ও ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণকারী মো. মোরশেদ আলম মুন্না (২৮)।
ডিএমপি জানায়, রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মিরপুর ১২ এলাকার রূপনগর থেকে সাইমন ইসলাম রনি ও রুবেল পেদাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি মিরপুর বিভাগের মিরপুর জোনাল টিম। রাত সোয়া ১০টার দিকে আজিমপুর এলাকা থেকে ডিবি রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনাল টিম গ্রেপ্তার করে ঈশান শিকদার মিরাজকে।
রোববার রাতেই ভাটারা থেকে ডিবি ওয়ারী বিভাগের একটি দল মো. আল হেলালকে এবং বাড্ডার ময়নারবাগ এলাকা থেকে ডিবি গুলশান বিভাগের টিম গ্রেপ্তার করে মো. মোরশেদ আলম মুন্নাকে। এ ছাড়া সোমবার ভোরে মিরপুর কাজীপাড়া এলাকা থেকে তারিকুল ইসলাম চৌধুরী তাপস ও জানে আলম চৌধুরী ঠান্ডুকে গ্রেপ্তার করে একই বিভাগের আরেকটি দল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার (২০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার ও সোমবার পৃথক অভিযান চালিয়ে রাজধানীর মিরপুর, আজিমপুর, ভাটারা ও বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সাত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সাতজন হলেন— দারুস সালাম থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ৪ নম্বর ইউনিট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইমন ইসলাম রনি (৪২), সাবেক এমপি ইলিয়াস মোল্লার সহযোগী মো. রুবেল পেদা (৩০), পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী তাপস (৩০), নাজিরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মো. জানে আলম চৌধুরী ঠান্ডু (৩২), ভাণ্ডারিয়া উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ঈশান শিকদার মিরাজ (২৬), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মেহারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আল হেলাল (৪৭) ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ও ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণকারী মো. মোরশেদ আলম মুন্না (২৮)।
ডিএমপি জানায়, রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মিরপুর ১২ এলাকার রূপনগর থেকে সাইমন ইসলাম রনি ও রুবেল পেদাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি মিরপুর বিভাগের মিরপুর জোনাল টিম। রাত সোয়া ১০টার দিকে আজিমপুর এলাকা থেকে ডিবি রমনা বিভাগের ধানমন্ডি জোনাল টিম গ্রেপ্তার করে ঈশান শিকদার মিরাজকে।
রোববার রাতেই ভাটারা থেকে ডিবি ওয়ারী বিভাগের একটি দল মো. আল হেলালকে এবং বাড্ডার ময়নারবাগ এলাকা থেকে ডিবি গুলশান বিভাগের টিম গ্রেপ্তার করে মো. মোরশেদ আলম মুন্নাকে। এ ছাড়া সোমবার ভোরে মিরপুর কাজীপাড়া এলাকা থেকে তারিকুল ইসলাম চৌধুরী তাপস ও জানে আলম চৌধুরী ঠান্ডুকে গ্রেপ্তার করে একই বিভাগের আরেকটি দল।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে