
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্মমভাবে হত্যা এবং তাদের বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সদ্য সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ নিন্দা জানান।
উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের পর সোমবার দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর অত্যাচার চালানো হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দুর্বৃত্তদের বর্বরোচিত হামলায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এসব হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, গণভবন, জাতীয় সংসদ ভবনসহ দেশের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা এবং লুটপাট চালানো হচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর্যাল ভাঙচুর, ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক মুজিব ভবনসহ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করার ছবি ও ভিডিও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি দেশের বিভিন্ন স্থানে থানা, সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্যের বাড়ি, প্রশাসনিক ভবন, কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে দায়িত্বশীলদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। কাজেই উদ্ভূত অরাজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল শক্ত রেখে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান সাবেক মন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্মমভাবে হত্যা এবং তাদের বসতবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সদ্য সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।
মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ নিন্দা জানান।
উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগের পর সোমবার দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর অত্যাচার চালানো হয়েছে। পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের বসতবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দুর্বৃত্তদের বর্বরোচিত হামলায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এসব হত্যাকাণ্ড ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, গণভবন, জাতীয় সংসদ ভবনসহ দেশের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা এবং লুটপাট চালানো হচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর্যাল ভাঙচুর, ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক মুজিব ভবনসহ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করার ছবি ও ভিডিও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি দেশের বিভিন্ন স্থানে থানা, সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্যের বাড়ি, প্রশাসনিক ভবন, কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।
এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে দায়িত্বশীলদের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। কাজেই উদ্ভূত অরাজক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের মনোবল শক্ত রেখে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান সাবেক মন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে