
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কোটা সংস্কার আন্দোলনের মুখে সরকার পতন ও বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে পড়ে থানা ছেড়ে পালিয়ে যায় পুলিশ। গত ৫ আগস্ট থেকে পুলিশ শূন্য থানা। জীবনের নিরাপত্তা, পুলিশকে রাজনৈতিক মুক্ত রাখাসহ ১১ দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন পুলিশের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) শপথ নিয়েছে অন্তবর্তিকালীন সরকার। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবীদ ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকারে সাবেক সেনা কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ড. এম সাখাওয়াতকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্ব নেওয়ার পরেই শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৩টায় আন্দোলনরত পুলিশ সদস্যদের দাবির বিষয়ে আলোচনা করতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আসার কথা ছিল তার। তবে ৪ ঘণ্টায়ও তিনি আসেননি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা না আসায় পুলিশের নবনিযুক্ত আইজি মায়নুল ইসলাম আন্দোলনরত পুলিশ সদস্যদের তোপে মুখে পড়েন। নানাভাবে আন্দোলনরতদের নিবৃত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আইজিপি।
পরবর্তীতে অনুষ্ঠানস্থলে আন্দোলনরত পুলিশ সদস্যদের ১১ দফা বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং যাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রয়েছে তাদের চাকরি বিষয় বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। দাবি বাস্তবায়নে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রাজারবাগে উপস্থিত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আন্দোলনরত পুলিশের মাঝে নিরাপত্তাজনিত কারণে আসেননি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।
এ দিকে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন ও ১১ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত কর্ম বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া আইজিপির গঠন করা কমিটির পাশাপাশি আন্দোলনকারীরা একটি সমন্বয়ক কমিটি গঠন করার ঘোষণা দিয়েছেন। সারাদেশে পুলিশ লাইনসহ সকল ইউনিট থেকে প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হবে।
আইজিপির সঙ্গে রাজারবাগে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি কমিশনার মায়নুল হাসান, র্যাবের মহাপরিচালক শহিদুল ইসলামসহ পুলিশ সদর দফতরের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের মুখে সরকার পতন ও বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে পড়ে থানা ছেড়ে পালিয়ে যায় পুলিশ। গত ৫ আগস্ট থেকে পুলিশ শূন্য থানা। জীবনের নিরাপত্তা, পুলিশকে রাজনৈতিক মুক্ত রাখাসহ ১১ দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন পুলিশের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) শপথ নিয়েছে অন্তবর্তিকালীন সরকার। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবীদ ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন সরকারে সাবেক সেনা কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ড. এম সাখাওয়াতকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্ব নেওয়ার পরেই শুক্রবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৩টায় আন্দোলনরত পুলিশ সদস্যদের দাবির বিষয়ে আলোচনা করতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আসার কথা ছিল তার। তবে ৪ ঘণ্টায়ও তিনি আসেননি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা না আসায় পুলিশের নবনিযুক্ত আইজি মায়নুল ইসলাম আন্দোলনরত পুলিশ সদস্যদের তোপে মুখে পড়েন। নানাভাবে আন্দোলনরতদের নিবৃত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আইজিপি।
পরবর্তীতে অনুষ্ঠানস্থলে আন্দোলনরত পুলিশ সদস্যদের ১১ দফা বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক কারণে চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্যদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং যাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রয়েছে তাদের চাকরি বিষয় বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। দাবি বাস্তবায়নে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
রাজারবাগে উপস্থিত কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আন্দোলনরত পুলিশের মাঝে নিরাপত্তাজনিত কারণে আসেননি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা।
এ দিকে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন ও ১১ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত কর্ম বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া আইজিপির গঠন করা কমিটির পাশাপাশি আন্দোলনকারীরা একটি সমন্বয়ক কমিটি গঠন করার ঘোষণা দিয়েছেন। সারাদেশে পুলিশ লাইনসহ সকল ইউনিট থেকে প্রতিনিধিদের নিয়ে সমন্বয়ক কমিটি গঠন করা হবে।
আইজিপির সঙ্গে রাজারবাগে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপি কমিশনার মায়নুল হাসান, র্যাবের মহাপরিচালক শহিদুল ইসলামসহ পুলিশ সদর দফতরের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে