
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি। নির্বাচনটিকে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসন’ বলে মন্তব্য করেন রুমিন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে নিজের অবস্থানের ব্যাখ্যা দেন তিনি।
ভোট না দেওয়ার পেছনে তিনটি কারণের কথা জানান তিনি। রুমিনের ভাষ্য, নির্বাচনের ফলাফল যদি আগেই নির্ধারিত থাকে এবং ভোটে কোনো অনিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে সেটিকে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন বলা যায় না। বরং এমন প্রক্রিয়া একধরনের মনোনয়নে পরিণত হয়।
তিনি বলেন, একটি বড় গণ-অভ্যুত্থানের পর মানুষের অনেক প্রত্যাশা ও আত্মত্যাগের সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও অরাজনৈতিক কাউকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল বলেও মনে করেন তিনি।
তবে ভোট না দেওয়ার ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন রুমিন ফারহানা। তাঁর দাবি, নির্বাচনের আগে সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে এ অনুচ্ছেদের বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়াকে তিনি প্রহসন বলে মনে করেন।
রুমিন বলেন, যে নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, সেখানে ভোট দেওয়ার কোনো গণতান্ত্রিক যুক্তি তিনি খুঁজে পান না। তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অটল ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি। নির্বাচনটিকে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসন’ বলে মন্তব্য করেন রুমিন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে নিজের অবস্থানের ব্যাখ্যা দেন তিনি।
ভোট না দেওয়ার পেছনে তিনটি কারণের কথা জানান তিনি। রুমিনের ভাষ্য, নির্বাচনের ফলাফল যদি আগেই নির্ধারিত থাকে এবং ভোটে কোনো অনিশ্চয়তা না থাকে, তাহলে সেটিকে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন বলা যায় না। বরং এমন প্রক্রিয়া একধরনের মনোনয়নে পরিণত হয়।
তিনি বলেন, একটি বড় গণ-অভ্যুত্থানের পর মানুষের অনেক প্রত্যাশা ও আত্মত্যাগের সঙ্গে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য ও অরাজনৈতিক কাউকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল বলেও মনে করেন তিনি।
তবে ভোট না দেওয়ার ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন রুমিন ফারহানা। তাঁর দাবি, নির্বাচনের আগে সংসদ সদস্যদের ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে এ অনুচ্ছেদের বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেওয়াকে তিনি প্রহসন বলে মনে করেন।
রুমিন বলেন, যে নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, সেখানে ভোট দেওয়ার কোনো গণতান্ত্রিক যুক্তি তিনি খুঁজে পান না। তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অটল ছিলেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি দেশের সার্বজনীন ঐক্যের ও সর্বজনের আস্থার প্রতিক। নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির স্বার্থে দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ করছি।
১৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এতে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।
১৫ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদের চেয়ে ১৬৭ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি। এই নির্বাচনের দিনেও ফের আলোচনায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ।
১৭ ঘণ্টা আগে