
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের পণ্য ও সেবা কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ কোটি পাউন্ড পর্যন্ত অর্থায়ন সহায়তার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। এ সহায়তার আওতায় পরিবহন, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, বিমানবন্দর, উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, যুক্তরাজ্য সরকারের রপ্তানি ঋণ সংস্থা ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স (ইউকেইএফ) চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশের সরকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে কাজ করছে। যুক্তরাজ্যের পণ্য ও সেবা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অর্থায়নের বিভিন্ন সমাধান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউকেইএফের আওতায় বাংলাদেশে ১০০ কোটি থেকে ২০০ কোটি পাউন্ড পর্যন্ত অর্থায়নের সক্ষমতা রয়েছে। এর মাধ্যমে যোগ্য বাংলাদেশি ক্রেতারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রকল্পের জন্য অর্থায়ন পেতে পারেন। এসব খাতের মধ্যে রয়েছে পরিবহন, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, বিমানবন্দর, উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো।
ইউকেইএফ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক পণ্য সরবরাহ করে। এর মধ্যে রয়েছে গ্যারান্টি, ঋণ ও বিমা। যুক্তরাজ্যের সরবরাহকারীদের সম্পৃক্ত প্রকল্পে প্রতিযোগিতামূলক অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করতে এসব সহায়তা দেওয়া হয়। ৬০টিরও বেশি স্থানীয় মুদ্রায় এ সহায়তা দেওয়া সম্ভব। এর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন অর্থায়ন সুবিধা, যেমন বায়ার ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি, স্ট্যান্ডার্ড বায়ার লোন গ্যারান্টি, ডাইরেক্ট লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি এবং আর্লি প্রজেক্ট সার্ভিসেস গ্যারান্টি।
হাইকমিশন জানায়, ২ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফর করছে যুক্তরাজ্যের একটি প্রতিনিধি দল। সফরকালে তারা সরকারের প্রতিনিধি, ব্যাংক ও বেসরকারি খাতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশে উন্নয়নের বিভিন্ন লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাজ্যের দক্ষতা, প্রযুক্তি ও অর্থায়ন কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে সম্ভাব্য সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রতিনিধিদলে রয়েছেন দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ট্রেড কাউন্সেলর মার্ক বারেল, ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালের জন্য ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্সের কান্ট্রি হেড সন্দীপ কুদতারকার এবং দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ট্রেড পলিসির (বাণিজ্য নীতি) প্রধান রোহিণী আগরওয়াল।
সফরের কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ, এইচএসবিসি এবং আইসিসি বাংলাদেশের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও বৈঠক করবে প্রতিনিধিদল। এসব আলোচনায় ইউকেইএফের সহায়তা কীভাবে অর্থায়নের চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে এবং যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজতর করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হবে।
দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ট্রেড কাউন্সেলর মার্ক বারেল বলেন, ‘যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে আমরা সরকার ও ব্যবসায়ী নেতাদের কাছ থেকে সরাসরি তাদের কথা শোনার এবং যুক্তরাজ্যের কোম্পানি, দক্ষতা ও অর্থায়ন কোথায় উদ্ভাবন, প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে, তা খুঁজে দেখার সুযোগ পাচ্ছি।’

বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের পণ্য ও সেবা কিনতে আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ কোটি পাউন্ড পর্যন্ত অর্থায়ন সহায়তার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। এ সহায়তার আওতায় পরিবহন, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, বিমানবন্দর, উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, যুক্তরাজ্য সরকারের রপ্তানি ঋণ সংস্থা ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্স (ইউকেইএফ) চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশের সরকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে কাজ করছে। যুক্তরাজ্যের পণ্য ও সেবা সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অর্থায়নের বিভিন্ন সমাধান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইউকেইএফের আওতায় বাংলাদেশে ১০০ কোটি থেকে ২০০ কোটি পাউন্ড পর্যন্ত অর্থায়নের সক্ষমতা রয়েছে। এর মাধ্যমে যোগ্য বাংলাদেশি ক্রেতারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রকল্পের জন্য অর্থায়ন পেতে পারেন। এসব খাতের মধ্যে রয়েছে পরিবহন, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, বিমানবন্দর, উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অবকাঠামো।
ইউকেইএফ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক পণ্য সরবরাহ করে। এর মধ্যে রয়েছে গ্যারান্টি, ঋণ ও বিমা। যুক্তরাজ্যের সরবরাহকারীদের সম্পৃক্ত প্রকল্পে প্রতিযোগিতামূলক অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করতে এসব সহায়তা দেওয়া হয়। ৬০টিরও বেশি স্থানীয় মুদ্রায় এ সহায়তা দেওয়া সম্ভব। এর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন অর্থায়ন সুবিধা, যেমন বায়ার ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি, স্ট্যান্ডার্ড বায়ার লোন গ্যারান্টি, ডাইরেক্ট লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি এবং আর্লি প্রজেক্ট সার্ভিসেস গ্যারান্টি।
হাইকমিশন জানায়, ২ থেকে ৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফর করছে যুক্তরাজ্যের একটি প্রতিনিধি দল। সফরকালে তারা সরকারের প্রতিনিধি, ব্যাংক ও বেসরকারি খাতের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। এসব আলোচনায় বাংলাদেশে উন্নয়নের বিভিন্ন লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাজ্যের দক্ষতা, প্রযুক্তি ও অর্থায়ন কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে সম্ভাব্য সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
প্রতিনিধিদলে রয়েছেন দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ট্রেড কাউন্সেলর মার্ক বারেল, ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালের জন্য ইউকে এক্সপোর্ট ফাইন্যান্সের কান্ট্রি হেড সন্দীপ কুদতারকার এবং দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ট্রেড পলিসির (বাণিজ্য নীতি) প্রধান রোহিণী আগরওয়াল।
সফরের কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ, এইচএসবিসি এবং আইসিসি বাংলাদেশের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও বৈঠক করবে প্রতিনিধিদল। এসব আলোচনায় ইউকেইএফের সহায়তা কীভাবে অর্থায়নের চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে এবং যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজতর করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হবে।
দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ট্রেড কাউন্সেলর মার্ক বারেল বলেন, ‘যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। এই সফরের মাধ্যমে আমরা সরকার ও ব্যবসায়ী নেতাদের কাছ থেকে সরাসরি তাদের কথা শোনার এবং যুক্তরাজ্যের কোম্পানি, দক্ষতা ও অর্থায়ন কোথায় উদ্ভাবন, প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে, তা খুঁজে দেখার সুযোগ পাচ্ছি।’

বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন।
২ দিন আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান পরিসর এবং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি মুক্ত পরিবেশ আমরা পাচ্ছি। এখানে সব থাকবে। যারা সরকারে আছেন, সরকারের বাইরে যারা আছেন; বিরোধীদল, তারা মুক্তকণ্ঠে সমালোচনা করবেন। আবার সরকারের যে কাজগুলো, সেগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ
২ দিন আগে
সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
৩ দিন আগে
১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। বিবৃতিতে তারা বলেন, এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিপীড়িত জনগণ এবং পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষের পক্ষাবলম্বনের বিপ
৩ দিন আগে