
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দুদকের মুখপাত্রের সংবাদ সম্মেলনে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বক্তব্য ও পরে সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ওই শব্দ ব্যবহার না করার অনুরোধ ঘিরে আসিফ মাহমুদ নিজেই প্রশ্ন তুলেছেন।
আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, অনুসন্ধান শুরুর আগেই অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলা এবং তা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ফলে তার মানহানি হয়েছে। এ ঘটনায় দুদকের কাছে প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও সাবেক সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমসহ চারজনের বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়ম এবং কোটি কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ দুদক অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান।
‘অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’— দুদক মুখপাত্রের এমন বক্তব্যও গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্ক হয়। পরে দুদকের মুখপাত্র সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মেসেজ করে জানান, ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’সংক্রান্ত অংশটুকু যেন বাদ দেওয়া হয়।
পরে বুধবার সন্ধ্যার দিকে আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক পেজে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথোপকথনের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন। স্ক্রিনশটটি সাংবাদিকদের একটি গ্রুপের বলে দাবি করা হয়েছে। সেখানে দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলামের পাঠানো দুটি বার্তা দেখা যায়।
স্ক্রিনশট অনুযায়ী, বিকেল ৫টা ২১ মিনিটে আক্তারুল ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশে জানান, দুদকের পক্ষ থেকে আসিফ মাহমুদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর দুই মিনিট পর, ৫টা ২৩ মিনিটে পাঠানো দ্বিতীয় বার্তায় তিনি লেখেন, ‘কথা বলতে গিয়ে সম্ভবত প্রাথমিক সত্যতা শব্দ বলে ফেলেছি। প্রাথমিক সত্যতা শব্দটি না ব্যবহার করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। ভিডিওতে থাকলে সেটিও এডিট করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।’
দুদক মুখপাত্রের এই বার্তাকে কেন্দ্র করেই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত। আসিফ মাহমুদ এ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন, দুদক এ ইস্যুতে ক্ষমা চাইবে কি না।
স্ক্রিনশটটি প্রকাশ করে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, দুদকের মুখপাত্র সংবাদ সম্মেলনে অনুসন্ধান শুরুর আগেই ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলেছেন এবং এর ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
আসিফ লিখেছেন, দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম আজ (বুধবার) সংবাদ সম্মেলন করে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানালেন। প্রতিটা মিডিয়ায় নিউজ হলো, অনুসন্ধান শুরুর আগেই নাকি উনারা প্রমাণ পেয়ে গেছেন। প্রমাণ ও সত্যতা পাওয়ার নিউজে আসিফ মাহমুদের মানহানি করা হলো।
আসিফ আরও লিখেছেন, কিছুক্ষণ আগে তিনি সাংবাদিকদের গ্রুপে মেসেজ দিয়ে বললেন, এই ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দ ব্যবহার না করতে। আসিফ মাহমুদের এই মানহানি করার জন্য দুদক কি কোনো এপোলজি করবে?
এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত দুদকের পক্ষ থেকে আসিফ মাহমুদের অভিযোগের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তবে এর আগে আসিফ আরও একটি পোস্ট দিয়েছিলেন ফেসবুকে, যেখানে তিনি দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্য করার কথা বলেছেন।
আসিফ পোস্টে লিখেছেন, ১৮৮ জন উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা করে ২ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকার দুর্নীতি করেছেন একজন উপদেষ্টা, একজন সচিব, একজন যুগ্মসচিব এবং একজন উপসচিবসহ আরও অনেকে মিলে। দুদক বলছে প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রমাণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করুন প্লিজ।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দুদকের মুখপাত্রের সংবাদ সম্মেলনে ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বক্তব্য ও পরে সাংবাদিকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ওই শব্দ ব্যবহার না করার অনুরোধ ঘিরে আসিফ মাহমুদ নিজেই প্রশ্ন তুলেছেন।
আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, অনুসন্ধান শুরুর আগেই অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলা এবং তা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ফলে তার মানহানি হয়েছে। এ ঘটনায় দুদকের কাছে প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও সাবেক সচিব মো. মাহবুব-উল-আলমসহ চারজনের বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়ম এবং কোটি কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ দুদক অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান।
‘অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’— দুদক মুখপাত্রের এমন বক্তব্যও গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও বিতর্ক হয়। পরে দুদকের মুখপাত্র সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মেসেজ করে জানান, ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া’সংক্রান্ত অংশটুকু যেন বাদ দেওয়া হয়।
পরে বুধবার সন্ধ্যার দিকে আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক পেজে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথোপকথনের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন। স্ক্রিনশটটি সাংবাদিকদের একটি গ্রুপের বলে দাবি করা হয়েছে। সেখানে দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলামের পাঠানো দুটি বার্তা দেখা যায়।
স্ক্রিনশট অনুযায়ী, বিকেল ৫টা ২১ মিনিটে আক্তারুল ইসলাম সাংবাদিকদের উদ্দেশে জানান, দুদকের পক্ষ থেকে আসিফ মাহমুদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর দুই মিনিট পর, ৫টা ২৩ মিনিটে পাঠানো দ্বিতীয় বার্তায় তিনি লেখেন, ‘কথা বলতে গিয়ে সম্ভবত প্রাথমিক সত্যতা শব্দ বলে ফেলেছি। প্রাথমিক সত্যতা শব্দটি না ব্যবহার করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। ভিডিওতে থাকলে সেটিও এডিট করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।’
দুদক মুখপাত্রের এই বার্তাকে কেন্দ্র করেই মূলত বিতর্কের সূত্রপাত। আসিফ মাহমুদ এ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন, দুদক এ ইস্যুতে ক্ষমা চাইবে কি না।
স্ক্রিনশটটি প্রকাশ করে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, দুদকের মুখপাত্র সংবাদ সম্মেলনে অনুসন্ধান শুরুর আগেই ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলেছেন এবং এর ভিত্তিতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
আসিফ লিখেছেন, দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম আজ (বুধবার) সংবাদ সম্মেলন করে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানালেন। প্রতিটা মিডিয়ায় নিউজ হলো, অনুসন্ধান শুরুর আগেই নাকি উনারা প্রমাণ পেয়ে গেছেন। প্রমাণ ও সত্যতা পাওয়ার নিউজে আসিফ মাহমুদের মানহানি করা হলো।
আসিফ আরও লিখেছেন, কিছুক্ষণ আগে তিনি সাংবাদিকদের গ্রুপে মেসেজ দিয়ে বললেন, এই ‘প্রাথমিক সত্যতা’ শব্দ ব্যবহার না করতে। আসিফ মাহমুদের এই মানহানি করার জন্য দুদক কি কোনো এপোলজি করবে?
এ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত দুদকের পক্ষ থেকে আসিফ মাহমুদের অভিযোগের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
তবে এর আগে আসিফ আরও একটি পোস্ট দিয়েছিলেন ফেসবুকে, যেখানে তিনি দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্য করার কথা বলেছেন।
আসিফ পোস্টে লিখেছেন, ১৮৮ জন উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা করে ২ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকার দুর্নীতি করেছেন একজন উপদেষ্টা, একজন সচিব, একজন যুগ্মসচিব এবং একজন উপসচিবসহ আরও অনেকে মিলে। দুদক বলছে প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রমাণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করুন প্লিজ।

চলমান গ্যাস সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার কাজ করছে এবং আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যেই এর সমাধান হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এটিকে সরকারের অঙ্গীকার বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপি নেতা, সাবেক বিচারপতি, আইনজীবী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার প্রায় ৬৫০ ব্যক্তি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলে যোগ দিয়েছেন। আমির শফিকুর রহমান ফুল ও ধর্মীয় বই উপহার দিয়ে তাদের বরণ করে দেন।
১৪ ঘণ্টা আগে
বোয়িং কেনার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘বোয়িং আপনাকে হতাশ করবে না এবং আমি এটি ভুলব না। বিষয়টির প্রতি আপনার মনোযোগের জন্য অনেক ধন্যবাদ। নিকট ভবিষ্যতে আপনার সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছি।’
১ দিন আগে
চিঠিতে বাংলাদেশের জনগণের প্রতিও শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানাবেন। তারা অনেক কিছু পার করে এসেছে। তবে আপনার নেতৃত্বে আমি নিশ্চিত যে তারা এবং আপনার দেশ উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে যাচ্ছে।’
১ দিন আগে