
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাড়ির পাশের খালি জায়গায় হলুদ, মরিচ, পিয়াজ, রসুন ও আদা জাতীয় ফসলের চাষ করার পরামর্শ দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।
সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রমনাপার্কে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চলমান বৃক্ষরোপণ সপ্তাহের অংশ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন দেশের অধিকাংশ বাড়িতে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য এসব ফসল চাষ করার মতো যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। কেউ ইচ্ছা করলেই স্বল্প পরিশ্রমে স্বল্প জমিতে এসব ফসল চাষ করতে পারেন। এতে এসব ফসল আমদানি করতে যে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয় তা সাশ্রয় হবে এবং বাজারে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি অনেকাংশেই প্রশমিত হবে।
তিনি আরো বলেন, দ্রুত বর্ধনশীল বিদেশী জাতের গাছের পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন গাছ লাগানো উচিত। পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় এসব গাছের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
বৃক্ষরোপণকে একটা সামাজিক আন্দোলনের ফল হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের স্থলভাগের মোট আয়তনের ১৭ ভাগ বনায়ণ সম্ভব হয়েছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য নূন্যতম ২৫% বনভূমির লক্ষ্য অর্জনে আরো ৮% বনায়ণ করতে হবে। এজন্য প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণের জন্য তিনি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি রমনা পার্কের ক্যাফেটেরিয়া চত্বরে একটি আম গাছের চারা রোপণ করেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের সভাপতিকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নবীরুল ইসলাম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) সিদ্দিকুর রহমান সরকার, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মীর মঞ্জুর রহমানসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য, যে সারাদেশে ৫ লাখ বৃক্ষ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদযাপন করছে। বৃক্ষরোপণের এই অভিযান আগামী ৩রা আগস্ট পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে এবং এক মাসব্যাপী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

বাড়ির পাশের খালি জায়গায় হলুদ, মরিচ, পিয়াজ, রসুন ও আদা জাতীয় ফসলের চাষ করার পরামর্শ দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি।
সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রমনাপার্কে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চলমান বৃক্ষরোপণ সপ্তাহের অংশ হিসেবে গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন দেশের অধিকাংশ বাড়িতে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য এসব ফসল চাষ করার মতো যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। কেউ ইচ্ছা করলেই স্বল্প পরিশ্রমে স্বল্প জমিতে এসব ফসল চাষ করতে পারেন। এতে এসব ফসল আমদানি করতে যে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয় তা সাশ্রয় হবে এবং বাজারে দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি অনেকাংশেই প্রশমিত হবে।
তিনি আরো বলেন, দ্রুত বর্ধনশীল বিদেশী জাতের গাছের পাশাপাশি দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন গাছ লাগানো উচিত। পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় এসব গাছের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
বৃক্ষরোপণকে একটা সামাজিক আন্দোলনের ফল হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের স্থলভাগের মোট আয়তনের ১৭ ভাগ বনায়ণ সম্ভব হয়েছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য নূন্যতম ২৫% বনভূমির লক্ষ্য অর্জনে আরো ৮% বনায়ণ করতে হবে। এজন্য প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণের জন্য তিনি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি রমনা পার্কের ক্যাফেটেরিয়া চত্বরে একটি আম গাছের চারা রোপণ করেন।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতারের সভাপতিকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নবীরুল ইসলাম, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) সিদ্দিকুর রহমান সরকার, স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি মীর মঞ্জুর রহমানসহ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও এর অধীন বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
উল্লেখ্য, যে সারাদেশে ৫ লাখ বৃক্ষ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদযাপন করছে। বৃক্ষরোপণের এই অভিযান আগামী ৩রা আগস্ট পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে এবং এক মাসব্যাপী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে নিজেদের ভাগে থাকা ৩৬টি আসনের জন্য চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিএনপি। এ তালিকায় দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিতদের পাশাপাশি স্থান পেয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার পরিবারের সদস্যরা।
২ দিন আগে
মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সুবর্ণা বলেন, ‘বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার, আমাকে এক সময় কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক করা হয়েছিল, কিন্তু এতে আমার সম্মতি ছিল না। আমাকে না জানিয়েই, তাদের ইচ্ছা মতো ওই তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।’
২ দিন আগে
জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাবিকুন নাহার মুন্নি, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও মহিলা বিভাগের সদস্য মারদিয়া মমতাজ, মহিলা বিভাগের সদস্য নাজমুন নাহার নীলু।
২ দিন আগে
সোমবার (২০ এপ্রিল) ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ের ইসি কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য মনোনীতদের জন্য নমিনেশন পেপার সাবমিট করা হবে।’
২ দিন আগে