
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী রোববারের মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ।
আজ বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।
আকমল হোসেন আজাদ বলেন, ‘বিগত ১২ বছর ধরে এ সংক্রান্ত আইন নিয়ে গবেষণা হয়েছে, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মিটিং হয়েছে। সেটা আগামী ৩ দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘২০১২ সালে তৈরি করা স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন এখন পর্যন্ত গবেষণা আকারে আছে। এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে, আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের অভাবে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে যায়নি। স্বাস্থ্য সুরক্ষা খসড়া আইন আগামী রোববারের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাবে।’
স্বাস্থ্য সচিব বলেন, আইনে রদবদল করার এখতিয়ার ক্যাবিনেট সাব-কমিটির। তারা চাইলে আমাদের কাছে ফেরত পাঠাতে পারেন। আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে এতদিন এটি মন্ত্রিপরিষদে যায়নি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সারা দেশে ৭০০ জনের বেশি নিহত এবং প্রায় ১৯ হাজারের বেশি আহত হয়েছে জানিয়ে আকমল হোসেন বলেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আহতদের মধ্যে যাদের বিদেশে চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজন হবে, তাদের জন্য ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, আন্দোলনে আহত ছাত্র-জনতা ভাই-বোনদের মধ্যে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন, তেমন কোনো দায়ভার থাকলে জাতির কাছে আমরা পার পাবো না। সেজন্য আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করছি।
সিনিয়র সচিব আরও বলেন, কতজন ছাত্র বা জনতা আহত-নিহত হয়েছেন সে ব্যাপারে একটি টাস্কফোর্স বা কমিটি হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের একজন সাবেক স্বাস্থ্য সচিবের নেতৃত্বে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা নিহত ও আহতের সংখ্যা নিরূপণের জন্য চেষ্টা করছেন। আমাদের ডাটাবেইজ, কমিটির তথ্য ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্যে একটি সংখ্যা জানাতে চাই। তবে এটিই চূড়ান্ত নয়।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতির বিষয়ে সচিব বলেন, ডেঙ্গু মোকাবেলায় আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করছি আমরা সফলভাবে ডেঙ্গু মোকাবেলা করতে সক্ষম হবো।

আগামী রোববারের মধ্যে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের খসড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ।
আজ বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।
আকমল হোসেন আজাদ বলেন, ‘বিগত ১২ বছর ধরে এ সংক্রান্ত আইন নিয়ে গবেষণা হয়েছে, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মিটিং হয়েছে। সেটা আগামী ৩ দিনের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাবে।’
তিনি বলেন, ‘২০১২ সালে তৈরি করা স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন এখন পর্যন্ত গবেষণা আকারে আছে। এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে, আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের অভাবে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে যায়নি। স্বাস্থ্য সুরক্ষা খসড়া আইন আগামী রোববারের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যাবে।’
স্বাস্থ্য সচিব বলেন, আইনে রদবদল করার এখতিয়ার ক্যাবিনেট সাব-কমিটির। তারা চাইলে আমাদের কাছে ফেরত পাঠাতে পারেন। আমলাতান্ত্রিক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে এতদিন এটি মন্ত্রিপরিষদে যায়নি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সারা দেশে ৭০০ জনের বেশি নিহত এবং প্রায় ১৯ হাজারের বেশি আহত হয়েছে জানিয়ে আকমল হোসেন বলেন, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। আহতদের মধ্যে যাদের বিদেশে চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজন হবে, তাদের জন্য ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি বলেন, আন্দোলনে আহত ছাত্র-জনতা ভাই-বোনদের মধ্যে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন, তেমন কোনো দায়ভার থাকলে জাতির কাছে আমরা পার পাবো না। সেজন্য আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করছি।
সিনিয়র সচিব আরও বলেন, কতজন ছাত্র বা জনতা আহত-নিহত হয়েছেন সে ব্যাপারে একটি টাস্কফোর্স বা কমিটি হয়েছে। উচ্চ পর্যায়ের একজন সাবেক স্বাস্থ্য সচিবের নেতৃত্বে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা নিহত ও আহতের সংখ্যা নিরূপণের জন্য চেষ্টা করছেন। আমাদের ডাটাবেইজ, কমিটির তথ্য ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্যে একটি সংখ্যা জানাতে চাই। তবে এটিই চূড়ান্ত নয়।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতির বিষয়ে সচিব বলেন, ডেঙ্গু মোকাবেলায় আমাদের সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করছি আমরা সফলভাবে ডেঙ্গু মোকাবেলা করতে সক্ষম হবো।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৪ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৪ দিন আগে