
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাম্প্রতিক বিক্ষোভসহ তার সময়ে করা সকল হত্যাকাণ্ডের জন্য তাকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে চাই।
শুক্রবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) কেন দেশ থেকে পালালেন, তা জানতে আমরা আগ্রহী। তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় যত হত্যা হয়েছে, সেসবের বিচার আমরা দেখতে চাই। আমাদের সাম্প্রতিক বিপ্লবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি এটি। যদি তিনি বাংলাদেশে ফিরে না আসেন, সেক্ষেত্রে আমরা কঠোর কর্মসূচি নেবো।’
অন্তর্বর্তী সরকারের ২৬ বছর বয়সি এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমরা তাকে (শেখ হাসিনা) গ্রেপ্তার দেখতে চাই। নিয়মিত আদালত কিংবা বিশেষ ট্রাইব্যুনালে তার বিচার চলছে- এমনটা আমরা দেখতে চাই। এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা চলছে।’
রয়টার্স জানিয়েছে, এ ব্যাপারে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেননি শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্র বসবাস করছেন। অন্যদিকে, ভারত সরকারের নিরাপত্তায় থাকা শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
আরেক ছাত্র নেতা আবু বকের মজুমদার আলাদাভাবে রয়টার্সকে জানান, তারা চান হাসিনা ফিরে আসুক এবং বিচারের মুখোমুখি হোক।
নাহিদ ইসলাম জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রধিকার হলো একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা। কারণ আগের নির্বাচন বিরোধীদলগুলো বয়কট করেছিল। তাছাড়া আগের সরকারের দুর্নীতির বিচারের কথাও বলেছেন তিনি।
পরবর্তী নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে রয়টার্সকে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের যেকোনো নির্বাচনের আগে নির্বাচনী ও সাংবিধানিক সংস্কার প্রয়োজন, তাই পরবর্তী নির্বাচন কবে হবে তা স্পষ্ট নয়।’
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চান কিনা জানতে চাইলে অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি পরবর্তীতে কী হব তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাংলাদেশের জনগণের ওপর নির্ভর করে।’
নাহিদ ইসলাম জানান, ভারত শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে নয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। ভারতেরও তার পররাষ্ট্রনীতির দিকে নজর দেওয়া দরকার, অন্যথায় এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে সাম্প্রতিক বিক্ষোভসহ তার সময়ে করা সকল হত্যাকাণ্ডের জন্য তাকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে চাই।
শুক্রবার ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) কেন দেশ থেকে পালালেন, তা জানতে আমরা আগ্রহী। তার নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় যত হত্যা হয়েছে, সেসবের বিচার আমরা দেখতে চাই। আমাদের সাম্প্রতিক বিপ্লবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি এটি। যদি তিনি বাংলাদেশে ফিরে না আসেন, সেক্ষেত্রে আমরা কঠোর কর্মসূচি নেবো।’
অন্তর্বর্তী সরকারের ২৬ বছর বয়সি এই উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘আমরা তাকে (শেখ হাসিনা) গ্রেপ্তার দেখতে চাই। নিয়মিত আদালত কিংবা বিশেষ ট্রাইব্যুনালে তার বিচার চলছে- এমনটা আমরা দেখতে চাই। এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা চলছে।’
রয়টার্স জানিয়েছে, এ ব্যাপারে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেননি শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি যুক্তরাষ্ট্র বসবাস করছেন। অন্যদিকে, ভারত সরকারের নিরাপত্তায় থাকা শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
আরেক ছাত্র নেতা আবু বকের মজুমদার আলাদাভাবে রয়টার্সকে জানান, তারা চান হাসিনা ফিরে আসুক এবং বিচারের মুখোমুখি হোক।
নাহিদ ইসলাম জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রধিকার হলো একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করা। কারণ আগের নির্বাচন বিরোধীদলগুলো বয়কট করেছিল। তাছাড়া আগের সরকারের দুর্নীতির বিচারের কথাও বলেছেন তিনি।
পরবর্তী নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে রয়টার্সকে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের যেকোনো নির্বাচনের আগে নির্বাচনী ও সাংবিধানিক সংস্কার প্রয়োজন, তাই পরবর্তী নির্বাচন কবে হবে তা স্পষ্ট নয়।’
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চান কিনা জানতে চাইলে অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি পরবর্তীতে কী হব তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাংলাদেশের জনগণের ওপর নির্ভর করে।’
নাহিদ ইসলাম জানান, ভারত শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, কিন্তু বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে নয়।
তিনি বলেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চাই। ভারতেরও তার পররাষ্ট্রনীতির দিকে নজর দেওয়া দরকার, অন্যথায় এটি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে।’

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে