
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত ‘কনফারেন্স অব পার্টিজ-২৯(কপ২৯)’ শীর্ষক বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাতে দেশে ফিরেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে রাত ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।’
কপ-২৯ সম্মেলনে ড. ইউনূস বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং বুধবার (১৩ নভেম্বর) জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সভাপতিত্বে এলডিসি দেশগুলোর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূলতা মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন ড. ইউনূস।
এছাড়া আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ড. ইউনূস। তার বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে আলোচনা।বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের দ্বিতীয় বিদেশ সফর। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন। তার প্রথম সফর ছিল জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ উপলক্ষে নিউইয়র্কে।

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত ‘কনফারেন্স অব পার্টিজ-২৯(কপ২৯)’ শীর্ষক বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাতে দেশে ফিরেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট প্রধান উপদেষ্টা ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে রাত ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।’
কপ-২৯ সম্মেলনে ড. ইউনূস বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং বুধবার (১৩ নভেম্বর) জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সভাপতিত্বে এলডিসি দেশগুলোর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূলতা মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন ড. ইউনূস।
এছাড়া আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ড. ইউনূস। তার বৈঠকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে আলোচনা।বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. ইউনূসের দ্বিতীয় বিদেশ সফর। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন। তার প্রথম সফর ছিল জাতিসংঘের ৭৯তম সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ উপলক্ষে নিউইয়র্কে।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে রওয়ানা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি। ৪০ বছর পর জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক এই মঞ্চে সভাপতির আসনে রয়েছে বাংলাদেশ।
১ দিন আগে
দেশের জননিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিতে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটি বলেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী ব্যর্থ হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত।
২ দিন আগে
জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
৩ দিন আগে