
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর বিএনপির পক্ষ থেকে দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কারের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিতে তিন টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছে বিএনপি।
এক. আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারকে চাপে রাখা,
দুই. দল পুনর্গঠন,
তিন. নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সারা দেশের জেলায় জেলায় সফর শীর্ষ নেতাদের জনসংযোগ।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার ডিসেম্বর মাসের মধ্যে যৌক্তিক কোনো রোডম্যাপ ঘোষণা না করে তাহলে দলটি নির্বাচনের জন্য আন্দোলনের দিকেও যেতে পারে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ ও গতি প্রকৃতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন দলটির শীর্ষ নেতারা। সেখানেই নির্বাচনের রোডম্যাপের জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির কথা বলা হয়। তারা ডিসেম্বরের মধ্যেই রোডম্যাপ চায়। তা না হলে তারা সরকারের ওপর চাপ আরো বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেন।
প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে আগামী সংসদ নির্বাচনে দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নিচ্ছেন নির্বাচনি প্রস্তুতি। প্রতিটি এলাকায় গড়ে তিন থেকে চারজন করে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা চষে বেড়াচ্ছেন নিজ নিজ এলাকায়। বিভিন্ন কৌশলে ও নানা রকমের জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে তারা মূলত নির্বাচনি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে জনসংযোগ, জনস্বার্থে কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তার স্পষ্ট নির্দেশনা, যে করেই হোক এলাকার জনগণের ভালোবাসা ও মন জয় করতে হবে।
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার চান দলের নীতিনির্ধারকরা। তাদের মতে, দেশের জনগণের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের। আর মানুষকে সেবা প্রদানের দায়িত্ব হলো নির্বাচিত সরকারের। নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণের ভোটে যে-ই সরকার গঠন করুক না কেন মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করাটাই বিএনপির টার্গেট। এ লক্ষ্যে সারা দেশে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা রকমের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে বিএনপি। দলীয় নেতা-কর্মীদের যে করেই হোক সাধারণ মানুষের মন জয় ও ভালোবাসা অর্জনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।
গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিএনপির অনুকূলে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে দল গঠনের কাজ শুরু করেছে দলটি। এরই মধ্যে অনেক জেলা ও মহানগরীর কমিটি বাতিল ও পুনর্গঠনও করা হচ্ছে। দল ও অঙ্গসংগঠনের প্রায় প্রতিটি ইউনিটকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে বিএনপি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বাংলানিউজকে বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার ডিসেম্বর মাসের মধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা না করলে নির্বাচনের জন্য আন্দোলনে নামতে পারি। আমরা চাই একটি অবাধ-সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হোক। আর এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বাংলানিউজকে বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সর্বপ্রথম দাবি তোলে বিএনপি। বিএনপি মনে করে যতদ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা উচিত অন্তর্বর্তী সরকারের। এ জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে কয়েক ধরনের কাজ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর বিএনপির পক্ষ থেকে দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কারের বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
এই পরিস্থিতিতে তিন টার্গেট নিয়ে এগোচ্ছে বিএনপি।
এক. আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারকে চাপে রাখা,
দুই. দল পুনর্গঠন,
তিন. নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সারা দেশের জেলায় জেলায় সফর শীর্ষ নেতাদের জনসংযোগ।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার ডিসেম্বর মাসের মধ্যে যৌক্তিক কোনো রোডম্যাপ ঘোষণা না করে তাহলে দলটি নির্বাচনের জন্য আন্দোলনের দিকেও যেতে পারে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ ও গতি প্রকৃতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন দলটির শীর্ষ নেতারা। সেখানেই নির্বাচনের রোডম্যাপের জন্য সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির কথা বলা হয়। তারা ডিসেম্বরের মধ্যেই রোডম্যাপ চায়। তা না হলে তারা সরকারের ওপর চাপ আরো বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেন।
প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে আগামী সংসদ নির্বাচনে দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নিচ্ছেন নির্বাচনি প্রস্তুতি। প্রতিটি এলাকায় গড়ে তিন থেকে চারজন করে মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা চষে বেড়াচ্ছেন নিজ নিজ এলাকায়। বিভিন্ন কৌশলে ও নানা রকমের জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে তারা মূলত নির্বাচনি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে জনসংযোগ, জনস্বার্থে কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তার স্পষ্ট নির্দেশনা, যে করেই হোক এলাকার জনগণের ভালোবাসা ও মন জয় করতে হবে।
প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার চান দলের নীতিনির্ধারকরা। তাদের মতে, দেশের জনগণের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের। আর মানুষকে সেবা প্রদানের দায়িত্ব হলো নির্বাচিত সরকারের। নিরপেক্ষ নির্বাচনে জনগণের ভোটে যে-ই সরকার গঠন করুক না কেন মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করাটাই বিএনপির টার্গেট। এ লক্ষ্যে সারা দেশে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা রকমের কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমেছে বিএনপি। দলীয় নেতা-কর্মীদের যে করেই হোক সাধারণ মানুষের মন জয় ও ভালোবাসা অর্জনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে দলের পক্ষ থেকে।
গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিএনপির অনুকূলে আসার পর থেকেই দেশজুড়ে দল গঠনের কাজ শুরু করেছে দলটি। এরই মধ্যে অনেক জেলা ও মহানগরীর কমিটি বাতিল ও পুনর্গঠনও করা হচ্ছে। দল ও অঙ্গসংগঠনের প্রায় প্রতিটি ইউনিটকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে বিএনপি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বাংলানিউজকে বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার ডিসেম্বর মাসের মধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা না করলে নির্বাচনের জন্য আন্দোলনে নামতে পারি। আমরা চাই একটি অবাধ-সুষ্ঠু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হোক। আর এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বাংলানিউজকে বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সর্বপ্রথম দাবি তোলে বিএনপি। বিএনপি মনে করে যতদ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা উচিত অন্তর্বর্তী সরকারের। এ জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে কয়েক ধরনের কাজ করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিভ্রান্তিমূলক বিভিন্ন মন্তব্য ও লেখালেখি পরিহারের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৩ ঘণ্টা আগে
পোস্টাল ব্যালটে কারসাজি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে একটি পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করতে চাইছে।’
৪ ঘণ্টা আগে
১১ দল সূত্রে জানা গেছে, বুধবারের সংবাদ সম্মেলন থেকেই আসন সমঝোতার হিসাব তুলে ধরার কথা ছিল। জোটের পক্ষ থেকে ৩০০ আসনে প্রার্থী তালিকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আসন নিয়ে শেষ পর্যন্ত দলগুলো একমত হতে পারেনি বলেই সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
নজরুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনি কর্মকর্তারা সাধারণ প্রার্থীদের প্রতি যেমন কঠোর আইন পালন করার ব্যাপারে আগ্রহী, আমরা আশা করি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারেও তেমনি আইন অনুযায়ী আচরণ করবেন। আমরা ইসিতে বলে এসেছি, এখন আপনাদের মাধ্যমেও বলছি— ইসির এই নির্লিপ্ততা বা নির্বাচনি কর্মকর্তাদের নিশ্চুপতা স
১৯ ঘণ্টা আগে