
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন অধ্যাপক ড. আবুল ফয়েজ মুহাম্মদ খালিদ হোসেন। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক নায়েবে আমির। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে দায়িত্ব পেয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
অন্তর্বর্তী সরকারে আছেন প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট ১৭ সদস্য। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শপথ নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ১৩ জন উপদেষ্টা। তবে ঢাকার বাইরে থাকায় সেদিন তিনজন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।
অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেনের জন্ম চট্টগ্রামে, ১৯৫৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। শিক্ষাজীবনের শুরুতে তিনি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন তিনিবাবুনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর তিনি পটিয়ার আল জামিয়া আল ইসলামিয়া মাদরাসায় লেখাপড়া করেন। ১৯৭১ সালে সাতকানিয়া আলিয়া মাহমুদুল উলুম মাদরাসা থেকে প্রথম বিভাগে আলিম ও ১৯৭৩ সালে ফাজিল পাস করেন।
১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম চন্দনপুরা দারুল উলুম মাদরাসায় হাদিস অধ্যয়ন করেন। এরপর ১৯৭৫ সালে কামিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে বিএ (অনার্স) ও ১৯৮৩ সালে একই বিষয়ে এমএ পাস করেন। ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি নিয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ওমরগণী এমইএস কলেজ চট্টগ্রামের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের অতিথি শিক্ষক, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের খণ্ডকালীন অধ্যাপক, মাসিক আত তাওহীদ পত্রিকার সম্পাদক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অনুবাদক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক এ নায়েবে আমিরের লেখা ২০টি বই প্রকাশিত হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন অধ্যাপক ড. আবুল ফয়েজ মুহাম্মদ খালিদ হোসেন। তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক নায়েবে আমির। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে দায়িত্ব পেয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে।
শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
অন্তর্বর্তী সরকারে আছেন প্রধান উপদেষ্টাসহ মোট ১৭ সদস্য। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে শপথ নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ১৩ জন উপদেষ্টা। তবে ঢাকার বাইরে থাকায় সেদিন তিনজন উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিতে পারেননি।
অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেনের জন্ম চট্টগ্রামে, ১৯৫৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। শিক্ষাজীবনের শুরুতে তিনি তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেন তিনিবাবুনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এরপর তিনি পটিয়ার আল জামিয়া আল ইসলামিয়া মাদরাসায় লেখাপড়া করেন। ১৯৭১ সালে সাতকানিয়া আলিয়া মাহমুদুল উলুম মাদরাসা থেকে প্রথম বিভাগে আলিম ও ১৯৭৩ সালে ফাজিল পাস করেন।
১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম চন্দনপুরা দারুল উলুম মাদরাসায় হাদিস অধ্যয়ন করেন। এরপর ১৯৭৫ সালে কামিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে বিএ (অনার্স) ও ১৯৮৩ সালে একই বিষয়ে এমএ পাস করেন। ২০০৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি নিয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ওমরগণী এমইএস কলেজ চট্টগ্রামের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের অতিথি শিক্ষক, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের খণ্ডকালীন অধ্যাপক, মাসিক আত তাওহীদ পত্রিকার সম্পাদক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের অনুবাদক ও সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক এ নায়েবে আমিরের লেখা ২০টি বই প্রকাশিত হয়েছে।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে