
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারণেই দেশ বিদ্যুতের সংকটে ভুগছে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়াকে সরকারের দায়িত্বহীনতা বলে অভিহিত করেছে দলটি।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, নাগরিকরা বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে নিয়মিত রান্নাবান্নাসহ নিত্যকর্ম পরিচালনা করতে পারছে না, শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নে ব্যাঘাত ঘটছে। সর্বোপরি নাগরিক জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়া জনগণের প্রতি সরকারের দায়িত্বহীনতার পরিচয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে দেশে ব্যাপক হারে গ্যাস ও বিদ্যুৎ ঘাটতিতে নাগরিকদের চরম দুর্ভোগ হওয়ায় গভীর উদ্বেগ জানান তিনি। বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার তীব্র নিন্দাও জানান।
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সম্প্রতি দেশে চরম বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতিতে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। গত ৯ আগস্ট থেকে এই ব্যাপক লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে দেশ। গত ৯ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিনের লোডশেডিংয়ের পরিমাণ তুলে ধরে তিনি জানান, প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। গত ১২ আগস্ট ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে ২০৩ কোটি ঘনফুট সরবরাহ ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষা ও অদূরদর্শিতাকে এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক দুর্নীতি ও দলীয়করণের কারণে দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট চরমে উঠেছে। সরকারের এমন অব্যবস্থাপনায় নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন বিপর্যস্ত হওয়ায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি ও সরকারের ব্যর্থতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
দেশে জ্বালানিসংকট বেড়ে যাওয়ায় জনরোষ বাড়ছে, যে কারণে এরই মধ্যে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন বুধবার পুলিশ সদর দপ্তরে চিঠি দিয়েছে। এ ঘটনা তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এটি সরকারের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার চিত্রকে তুলে ধরে।
জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণের নামে পুরোনো অলিগার্কদের নতুন করে সুবিধা দিয়ে সরকার এ সংকটকে আরও গভীর করবে বলে আশঙ্কার কথা জানান গোলাম পরওয়ার। বলেন, এ অবস্থায় দুর্ভোগ লাঘবে সরকারকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো, শিল্পের গ্যাস চুরি বন্ধ, লিকেজ ও সিস্টেম লস কমিয়ে আনা, এনার্জি কনভার্সনের যাবতীয় পলিসি ও যন্ত্রপাতি আমদানি সহজ করা, তেল পাচার রোধের ব্যবস্থাসহ সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে অপরিশোধিত তেল আমদানির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বিবৃতিতে দেশের বিদ্যমান সংকট নিরসন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন প্রযুক্তিসহ স্থলভাগের রিজার্ভার ম্যানেজমেন্ট, নতুন এক্সপ্লোরেশন কূপ খনন ও ডেভেলপমেন্ট কূপ খননে সক্ষম বিদেশি পার্টনার আনার দাবি তুলে ধরেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। বলেন, জনগণের মৌলিক ও দৈনন্দিন চাহিদা পূরণে সরকার উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হলে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।

বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারণেই দেশ বিদ্যুতের সংকটে ভুগছে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়াকে সরকারের দায়িত্বহীনতা বলে অভিহিত করেছে দলটি।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, নাগরিকরা বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে নিয়মিত রান্নাবান্নাসহ নিত্যকর্ম পরিচালনা করতে পারছে না, শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নে ব্যাঘাত ঘটছে। সর্বোপরি নাগরিক জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় সংকট নিরসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়া জনগণের প্রতি সরকারের দায়িত্বহীনতার পরিচয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে দেশে ব্যাপক হারে গ্যাস ও বিদ্যুৎ ঘাটতিতে নাগরিকদের চরম দুর্ভোগ হওয়ায় গভীর উদ্বেগ জানান তিনি। বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার তীব্র নিন্দাও জানান।
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সম্প্রতি দেশে চরম বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ ঘাটতিতে জনদুর্ভোগ বেড়েছে। গত ৯ আগস্ট থেকে এই ব্যাপক লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে দেশ। গত ৯ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিনের লোডশেডিংয়ের পরিমাণ তুলে ধরে তিনি জানান, প্রতিদিন গড়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি রয়েছে। গত ১২ আগস্ট ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে ২০৩ কোটি ঘনফুট সরবরাহ ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষা ও অদূরদর্শিতাকে এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এর সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক দুর্নীতি ও দলীয়করণের কারণে দেশে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট চরমে উঠেছে। সরকারের এমন অব্যবস্থাপনায় নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন বিপর্যস্ত হওয়ায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি ও সরকারের ব্যর্থতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
দেশে জ্বালানিসংকট বেড়ে যাওয়ায় জনরোষ বাড়ছে, যে কারণে এরই মধ্যে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন বুধবার পুলিশ সদর দপ্তরে চিঠি দিয়েছে। এ ঘটনা তুলে ধরে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এটি সরকারের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতার চিত্রকে তুলে ধরে।
জ্বালানি খাত বেসরকারিকরণের নামে পুরোনো অলিগার্কদের নতুন করে সুবিধা দিয়ে সরকার এ সংকটকে আরও গভীর করবে বলে আশঙ্কার কথা জানান গোলাম পরওয়ার। বলেন, এ অবস্থায় দুর্ভোগ লাঘবে সরকারকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো, শিল্পের গ্যাস চুরি বন্ধ, লিকেজ ও সিস্টেম লস কমিয়ে আনা, এনার্জি কনভার্সনের যাবতীয় পলিসি ও যন্ত্রপাতি আমদানি সহজ করা, তেল পাচার রোধের ব্যবস্থাসহ সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে অপরিশোধিত তেল আমদানির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বিবৃতিতে দেশের বিদ্যমান সংকট নিরসন ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য নতুন প্রযুক্তিসহ স্থলভাগের রিজার্ভার ম্যানেজমেন্ট, নতুন এক্সপ্লোরেশন কূপ খনন ও ডেভেলপমেন্ট কূপ খননে সক্ষম বিদেশি পার্টনার আনার দাবি তুলে ধরেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। বলেন, জনগণের মৌলিক ও দৈনন্দিন চাহিদা পূরণে সরকার উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হলে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।

‘ঘোষণা ও বিবৃতিসহ’ বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সই, প্রস্তাবক ও সমর্থকের নাম, ঠিকানা, সই সম্বলিত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিনিধিত্বকারী ক্ষমতাসীন দল বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলামই রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, বাকি কেবল আনুষ্ঠানিকতার।
১০ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে দলের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
১১ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলামকে দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করেন তারেক রহমান। দুপুর সাড়ে ১২টায় এ বৈঠক শুরু হয়।
১২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি পদে এলডিপি প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। জামায়াত নেতা এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এ মনোনয়নপত্র জমা দেয়।
১৩ ঘণ্টা আগে