
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন,যে কোনো দেশ যে কাউকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে পারে। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেন তিনি।
শেখ হাসিনাকে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হবে এবং বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে- এমন খবর সমামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে যে কোনো দেশ যে কাউকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে পারে। দেওয়া উচিত কি না এক্ষেত্রে সেটি দেখার বিষয়। সেটি আমরা দেখবো।’
রাজনৈতিক আশ্রয় নিশ্চিত হলে বাংলাদেশ প্রতিবাদ জানাবে কি না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দেখা যাক সে পরিস্থিতিতে আপনারা প্রশ্ন করলে আমরা উত্তর দেবো।’
মিয়ানমারের সাম্প্রতিক অস্থিরতায় গত কয়েকদিনে ১২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং ৫০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা সিমান্তে অবস্থান করছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা খুব স্পষ্ট করেই বলেছি আমরা আর একজন রোহিঙ্গাকেও আশ্রয় দিতে রাজি না। কিন্তু কিছু ঢুকে যাচ্ছে, এটা আমরা জানি। সেটাকে কতটুকু ঠেকানো যায় ঠেকানোর চেষ্টা করছি। বিজিবি প্রতিদিনই ফেরত পাঠাচ্ছে, যাদের আমরা ধরতে পারছি। কিন্তু একটা বড় এলাকা দিয়ে তারা ঢুকছে। সেগুলো সবগুলোকে যে আমরা ধরতে পারছি সেটি নয়, সামর্থ্যেরও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা যেখানে পারছি ফেরত দেওয়ার চেষ্ট করছি।’
তিনি বলেন, ‘ইউএনএইচসিআর চায় আমরা তাদের আশ্রয় দেই। তবে আমরা তাদের কাছে স্পষ্ট করেছি আমরা যে ১২ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় দিয়েছি, আমাদের যেটুকু ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি পালন করেছি। যারা আমাদের উপদেশ দিতে চায় তারা বরং তাদেরকে নিয়ে যাক। বিজিবি প্রধানের সঙ্গে আজ বৈঠক হয়েছে। আমরা আরেকটু গভীরভাবে আলোচনা করবো।’

পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন,যে কোনো দেশ যে কাউকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে পারে। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান প্রসঙ্গে এ মন্তব্য করেন তিনি।
শেখ হাসিনাকে ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হবে এবং বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের জন্য ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে- এমন খবর সমামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে যে কোনো দেশ যে কাউকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে পারে। দেওয়া উচিত কি না এক্ষেত্রে সেটি দেখার বিষয়। সেটি আমরা দেখবো।’
রাজনৈতিক আশ্রয় নিশ্চিত হলে বাংলাদেশ প্রতিবাদ জানাবে কি না- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দেখা যাক সে পরিস্থিতিতে আপনারা প্রশ্ন করলে আমরা উত্তর দেবো।’
মিয়ানমারের সাম্প্রতিক অস্থিরতায় গত কয়েকদিনে ১২ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং ৫০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা সিমান্তে অবস্থান করছে। এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা খুব স্পষ্ট করেই বলেছি আমরা আর একজন রোহিঙ্গাকেও আশ্রয় দিতে রাজি না। কিন্তু কিছু ঢুকে যাচ্ছে, এটা আমরা জানি। সেটাকে কতটুকু ঠেকানো যায় ঠেকানোর চেষ্টা করছি। বিজিবি প্রতিদিনই ফেরত পাঠাচ্ছে, যাদের আমরা ধরতে পারছি। কিন্তু একটা বড় এলাকা দিয়ে তারা ঢুকছে। সেগুলো সবগুলোকে যে আমরা ধরতে পারছি সেটি নয়, সামর্থ্যেরও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। আমরা যেখানে পারছি ফেরত দেওয়ার চেষ্ট করছি।’
তিনি বলেন, ‘ইউএনএইচসিআর চায় আমরা তাদের আশ্রয় দেই। তবে আমরা তাদের কাছে স্পষ্ট করেছি আমরা যে ১২ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় দিয়েছি, আমাদের যেটুকু ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন তার চেয়ে বেশি পালন করেছি। যারা আমাদের উপদেশ দিতে চায় তারা বরং তাদেরকে নিয়ে যাক। বিজিবি প্রধানের সঙ্গে আজ বৈঠক হয়েছে। আমরা আরেকটু গভীরভাবে আলোচনা করবো।’

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে