
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চার মাস পরে আগামী ৫ মে লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানাতে ঢাকা ও সিলেটে বিএনপি বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটটি (বিজি-২০২) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে উড়াল দেবে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে। সূচি অনুযায়ী পৌনে ১০ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা সেটি। সেখানে এক ঘণ্টা বিরতির পর ফ্লাইটটি ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও মহানগর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিলেটের পূণ্যভূমি হয়ে তিনি আসছেন সেজন্য বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মনে প্রাণ সঞ্চার হয়েছে। নেত্রীর সঙ্গে দেখা হবে কি না সেটা নির্ভর করছে তার অনুমতির ওপর। এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তার ফেরার মুহূর্তকে আরও আনন্দময় করতে সবাইকে বিমানবন্দরের সামনে জড়ো হতে বলা হয়েছে। মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ওসমানী বিমানবন্দরের বাইরে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করে নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন, বলেন তারা।
নেতাদের কোনো প্রতিনিধি দল খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন কি না জানতে চাইলে কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, এখানে নিরাপত্তার ব্যাপার আছে। ম্যাডাম চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন তার শারীরিক অবস্থার বিষয়টা আছে। সব মিলিয়ে এখন কিছুই বলা যাচ্ছে না। আমরা শুধু আমাদের অনুভূতিটা প্রকাশ করতে বিমানবন্দরের বাইরে সমবেত হচ্ছি।
বিমানের সূচি ও সিলেটের বিএনপি নেতাদের তথ্য অনুযায়ীম বিমানের ফ্লাইটটি সিলেটের যাত্রীদের নামিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ওসমানী বিমানবন্দর ত্যাগ করবে। এ সময় প্রায় ঘণ্টাখানেক খালেদা জিয়া বিমানেই অবস্থান করবেন।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে আসছেন তার দুই পূত্রবধূ- তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান।
ঢাকায় দলীয় চেয়ারপারসনকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতে সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ঢাকা মহানগরসহ অঙ্গসংগঠনগুলোর যৌথ সভা ডেকেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বলা হয়, খালেদা জিয়াকে বহনকারী বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে বেলা ১১টার কাছাকাছি সময়ে। বিমানবন্দরের টারমাকে দলের মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত থেকে চেয়ারপারসনকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে ৮ নং গেইট দিয়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর গুলশানে বাসা উদ্দেশে রওনা হবে। বিমানবন্দর মোড় থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ পর্যন্ত সড়কের দুইপাশে নেতাকর্মীরা দাঁড়িয়ে নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম শামস দলের চেয়ারপারসনের নিরাপত্তাসহ অভ্যর্থনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করছেন।

চার মাস পরে আগামী ৫ মে লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নিয়মিত ফ্লাইটে লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানা গেছে। বিএনপি চেয়ারপারসনকে স্বাগত জানাতে ঢাকা ও সিলেটে বিএনপি বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটটি (বিজি-২০২) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে উড়াল দেবে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে। সূচি অনুযায়ী পৌনে ১০ ঘণ্টা পর সোমবার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা সেটি। সেখানে এক ঘণ্টা বিরতির পর ফ্লাইটটি ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও মহানগর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিলেটের পূণ্যভূমি হয়ে তিনি আসছেন সেজন্য বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মনে প্রাণ সঞ্চার হয়েছে। নেত্রীর সঙ্গে দেখা হবে কি না সেটা নির্ভর করছে তার অনুমতির ওপর। এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তার ফেরার মুহূর্তকে আরও আনন্দময় করতে সবাইকে বিমানবন্দরের সামনে জড়ো হতে বলা হয়েছে। মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ওসমানী বিমানবন্দরের বাইরে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করে নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন, বলেন তারা।
নেতাদের কোনো প্রতিনিধি দল খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করবেন কি না জানতে চাইলে কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, এখানে নিরাপত্তার ব্যাপার আছে। ম্যাডাম চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন তার শারীরিক অবস্থার বিষয়টা আছে। সব মিলিয়ে এখন কিছুই বলা যাচ্ছে না। আমরা শুধু আমাদের অনুভূতিটা প্রকাশ করতে বিমানবন্দরের বাইরে সমবেত হচ্ছি।
বিমানের সূচি ও সিলেটের বিএনপি নেতাদের তথ্য অনুযায়ীম বিমানের ফ্লাইটটি সিলেটের যাত্রীদের নামিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ওসমানী বিমানবন্দর ত্যাগ করবে। এ সময় প্রায় ঘণ্টাখানেক খালেদা জিয়া বিমানেই অবস্থান করবেন।
খালেদা জিয়ার সঙ্গে আসছেন তার দুই পূত্রবধূ- তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শামিলা রহমান।
ঢাকায় দলীয় চেয়ারপারসনকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতে সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ঢাকা মহানগরসহ অঙ্গসংগঠনগুলোর যৌথ সভা ডেকেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বলা হয়, খালেদা জিয়াকে বহনকারী বিমানের নিয়মিত ফ্লাইটটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে বেলা ১১টার কাছাকাছি সময়ে। বিমানবন্দরের টারমাকে দলের মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত থেকে চেয়ারপারসনকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে ৮ নং গেইট দিয়ে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর গুলশানে বাসা উদ্দেশে রওনা হবে। বিমানবন্দর মোড় থেকে গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ পর্যন্ত সড়কের দুইপাশে নেতাকর্মীরা দাঁড়িয়ে নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল একেএম শামসুল ইসলাম শামস দলের চেয়ারপারসনের নিরাপত্তাসহ অভ্যর্থনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করছেন।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে