
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘আমরা শুনলাম, ডিসেম্বরে তিনি (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে আসতে চান। আমার মনে হয়, এটা কোনো রিলায়েবল ঘোষণা না। আমাদের মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকে কেন্দ্র করে সরকারকে এক ধরনের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এটা ভারত সরকারের যোগসাজশে এবং একই সঙ্গে শেখ হাসিনাকে সম্ভবত ভারত আর রাখতে চাচ্ছে না। কারণ তাকে রাখার মধ্যে আর কোনো কূটনৈতিক পাওয়া-না পাওয়ার বিষয় নেই।’
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ভারতে থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ দেওয়া উচিত না। ভারত সরকারের যারা দায়িত্বশীল আছেন, তাদের থেকে আমরা কয়েকবার শুনেছি, তাকে (শেখ হাসিনা) রাজনৈতিক কার্যক্রম ভারতের মাটি থেকে করতে দেওয়া হবে না। কিন্তু আল্টিমেটলি আমরা দেখছি, তিনি ঠিকই করছেন।’
‘যদিও প্রথমে তার ফিজিক্যালি এপিয়ার হওয়ার কথা ছিল। পরে আমরা দেখলাম তিনি অনলাইনে আসবেন। আবার দেখলাম, তাকে দেখা যাবে না, কিন্তু ভয়েস শোনা যাবে। তার মানে হচ্ছে, ভারত সরকারও কিন্তু এক ধরনের চাপে যে সে সেখানে আছে। সে ফ্রিলি হয়তো মুভ করতে পারছে না,’ বলেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও বারবার বলা হয়েছিল। বর্তমান সরকারও বারবার বলছে, ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করে বলেছেন, তিনি (শেখ হাসিনা) যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা না করতে পারেন। তিনি যদি সেটা করেন তাহলে কিন্তু এখানে এটা ধরে নেওয়া হয় যে ভারতের এক ধরনের ইন্ধনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে বিশৃঙ্খল করার জন্য কার্যক্রম করার সুযোগ ভারত তাকে দিয়ে থাকেন।’
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমরা এটাও শুনেছি, তিনি (শেখ হাসিনা) পৃথিবীর আরও বিভিন্ন দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আমার মনে হয় না কোনো দেশই সেভাবে তাকে সে সুযোগটা দেবে। কারণ আপনারা জানেন, তিনি বাংলাদেশে ফাঁসির আসামি এবং প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে আছে। সেটা আইসিটি ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হয়েছে। সেই জায়গা থেকে আমাদের আহ্বান থাকবে, এই ৫ আগস্টে ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে। তার বিষয়ে আদালত যে রায় দিয়েছে, সেই রায় দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘আমরা শুনলাম, ডিসেম্বরে তিনি (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে আসতে চান। আমার মনে হয়, এটা কোনো রিলায়েবল ঘোষণা না। আমাদের মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকে কেন্দ্র করে সরকারকে এক ধরনের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এটা ভারত সরকারের যোগসাজশে এবং একই সঙ্গে শেখ হাসিনাকে সম্ভবত ভারত আর রাখতে চাচ্ছে না। কারণ তাকে রাখার মধ্যে আর কোনো কূটনৈতিক পাওয়া-না পাওয়ার বিষয় নেই।’
বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্য আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ভারতে থেকে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ দেওয়া উচিত না। ভারত সরকারের যারা দায়িত্বশীল আছেন, তাদের থেকে আমরা কয়েকবার শুনেছি, তাকে (শেখ হাসিনা) রাজনৈতিক কার্যক্রম ভারতের মাটি থেকে করতে দেওয়া হবে না। কিন্তু আল্টিমেটলি আমরা দেখছি, তিনি ঠিকই করছেন।’
‘যদিও প্রথমে তার ফিজিক্যালি এপিয়ার হওয়ার কথা ছিল। পরে আমরা দেখলাম তিনি অনলাইনে আসবেন। আবার দেখলাম, তাকে দেখা যাবে না, কিন্তু ভয়েস শোনা যাবে। তার মানে হচ্ছে, ভারত সরকারও কিন্তু এক ধরনের চাপে যে সে সেখানে আছে। সে ফ্রিলি হয়তো মুভ করতে পারছে না,’ বলেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও বারবার বলা হয়েছিল। বর্তমান সরকারও বারবার বলছে, ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করে বলেছেন, তিনি (শেখ হাসিনা) যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা না করতে পারেন। তিনি যদি সেটা করেন তাহলে কিন্তু এখানে এটা ধরে নেওয়া হয় যে ভারতের এক ধরনের ইন্ধনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিকে বিশৃঙ্খল করার জন্য কার্যক্রম করার সুযোগ ভারত তাকে দিয়ে থাকেন।’
এনসিপির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমরা এটাও শুনেছি, তিনি (শেখ হাসিনা) পৃথিবীর আরও বিভিন্ন দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আমার মনে হয় না কোনো দেশই সেভাবে তাকে সে সুযোগটা দেবে। কারণ আপনারা জানেন, তিনি বাংলাদেশে ফাঁসির আসামি এবং প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে আছে। সেটা আইসিটি ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হয়েছে। সেই জায়গা থেকে আমাদের আহ্বান থাকবে, এই ৫ আগস্টে ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে। তার বিষয়ে আদালত যে রায় দিয়েছে, সেই রায় দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।’

প্রধামমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ খাতে সৌদি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে জুলাই আগস্ট মাসে যে আন্দোলন হয়েছিল তা সম্পূর্ণভাবে ছিল জনগণের আন্দোলন। জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে। জনগণ যখন সম্পূর্ণভাবে এ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছে, তখনই আন্দোলন সফল হয়েছে। ’
২০ ঘণ্টা আগে
বিকেলের দিকে সেখানে আহতদের আবার মারধর করা হয়। এ ঘটনায় সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদল ও শিবিরের নেতাকর্মীরা এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি যুবদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদেরও সেখানে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা ছিল সেখানে।
২০ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়। যুগোপযোগী ও বিস্তৃত সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার আগ্রহও প্রকাশ করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে