
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের ওপর হামলার মাধ্যমে প্র্যক্টিস ম্যাচ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকের এই হামলা (ঢাকা-১৮ আসনে) মূলত কেন্দ্র দখলের একটি ‘প্র্যাকটিস ম্যাচ’। এই পরিস্থিতি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আমাদের প্রার্থী আদিব ভাইয়ের ওপর যেভাবে হামলা হয়েছে এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রচার কার্যক্রমের ওপর বিএনপির দলীয় পরিচয়ে আক্রমণ চালানো হচ্ছে, তা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি নেতিবাচক বার্তা দেয়। এটি মূলত সাধারণ ভোটার ও প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি দেখানোর একটি কৌশল।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আজকের ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে কেন্দ্র দখলের যে প্রবণতা থাকে, তার একটি প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হলো। বিভিন্ন সময়ে আমরা দেখেছি যে, ব্যালটে নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও প্রয়োজনে বাড়ি থেকে ছাপিয়ে নিয়ে এসে সিল মারার মতো বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের আক্রমণাত্মক আচরণ সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।
পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি যে জামায়াতের নারী কর্মীদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার মতো উস্কানিমূলক কথা বলা হচ্ছে। প্রতিপক্ষের প্রচার কার্যক্রমকে এভাবে বাধাগ্রস্ত করা হলে নির্বাচন কতটা অংশগ্রহণমূলক হবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকে যায়। এটি এখন নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি বড় পরীক্ষা বা চ্যালেঞ্জ।

ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের ওপর হামলার মাধ্যমে প্র্যক্টিস ম্যাচ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকের এই হামলা (ঢাকা-১৮ আসনে) মূলত কেন্দ্র দখলের একটি ‘প্র্যাকটিস ম্যাচ’। এই পরিস্থিতি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আমাদের প্রার্থী আদিব ভাইয়ের ওপর যেভাবে হামলা হয়েছে এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আমাদের প্রচার কার্যক্রমের ওপর বিএনপির দলীয় পরিচয়ে আক্রমণ চালানো হচ্ছে, তা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি নেতিবাচক বার্তা দেয়। এটি মূলত সাধারণ ভোটার ও প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি দেখানোর একটি কৌশল।
নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আজকের ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে কেন্দ্র দখলের যে প্রবণতা থাকে, তার একটি প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হলো। বিভিন্ন সময়ে আমরা দেখেছি যে, ব্যালটে নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও প্রয়োজনে বাড়ি থেকে ছাপিয়ে নিয়ে এসে সিল মারার মতো বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের আক্রমণাত্মক আচরণ সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়।
পুলিশ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি যে জামায়াতের নারী কর্মীদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার মতো উস্কানিমূলক কথা বলা হচ্ছে। প্রতিপক্ষের প্রচার কার্যক্রমকে এভাবে বাধাগ্রস্ত করা হলে নির্বাচন কতটা অংশগ্রহণমূলক হবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকে যায়। এটি এখন নির্বাচন কমিশনের জন্য একটি বড় পরীক্ষা বা চ্যালেঞ্জ।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে