
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভাবুন তো, ব্যাটারি আর মোটা ভারী ধাতব জিনিস নয়—বরং টুথপেস্টের মতো নরম ও মসৃণ। চাইলে ইচ্ছেমতো আকার বানিয়ে ব্যবহার করা যাবে! অবাক লাগলেও, সুইডেনের লিংকোপিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী এমনই এক নতুন ব্যাটারি উদ্ভাবন করেছেন।
এই ব্যাটারির সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো—এটি একেবারেই নমনীয় এবং প্রসারণযোগ্য। এর মানে হলো, টানলে এটি লম্বা হতে পারে এবং বিভিন্ন আকারে বাঁকানো যায়। ফলে চিকিৎসা সরঞ্জাম, পরিধানযোগ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন স্মার্ট ঘড়ি বা স্বাস্থ্য মাপার সেন্সর), এমনকি রোবটের গঠনেও সহজেই ব্যবহার করা যাবে।
বিজ্ঞানীরা কাগজ তৈরির সময় পাওয়া টেকসই উপাদান—লিগনিন এবং একধরনের পরিবাহী প্লাস্টিক দিয়ে এই ব্যাটারি তৈরি করেছেন। এর ফলে ব্যাটারিটি পরিবেশবান্ধব হওয়ার পাশাপাশি অনেক নমনীয় ও হালকা হয়েছে।
এই নতুন ব্যাটারির একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ (প্রোটোটাইপ) তারা ইতিমধ্যে তৈরি করেছেন। এটি ৫০০ বার চার্জ ও ডিসচার্জ করার পরও ভালোভাবে কাজ করছে। এমনকি দ্বিগুণ লম্বা করলেও এর কার্যক্ষমতা কমে না।
তবে এখনো এই ব্যাটারি বাজারে আসার জন্য প্রস্তুত নয়। এটি মাত্র ১ ভোল্ট বিদ্যুৎ সঞ্চয় করতে পারে, যেখানে একটি গাড়ির ব্যাটারির ভোল্টেজ তার তুলনায় অনেক বেশি। তা সত্ত্বেও, বিজ্ঞানীরা মনে করছেন—এই নতুন প্রযুক্তি ভবিষ্যতের যন্ত্র তৈরিতে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
গবেষক আইমান রহমানুদ্দিন বলেন, “আমরা প্রমাণ করেছি ব্যাটারির ক্ষমতা তার কাঠিন্যের ওপর নির্ভর করে না। আমাদের তৈরি টেক্সচারের মতো ব্যাটারিটি দেখতে অনেকটা টুথপেস্টের মতো। এটি থ্রিডি প্রিন্টারে ব্যবহার করে যেকোনো আকারে তৈরি করা যাবে। ফলে নতুন অনেক রকম প্রযুক্তি সহজেই বানানো যাবে।”
এই উদ্ভাবন শুধু প্রযুক্তির নয়, পরিবেশের জন্যও একটি ভালো খবর। কারণ এতে ব্যবহৃত উপকরণগুলো টেকসই ও পরিবেশবান্ধব। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই ব্যাটারি আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হয়ে উঠবে, এবং নানা ধরনের স্মার্ট ডিভাইসে বিপ্লব আনবে।
সূত্র: এনডিটিভি

ভাবুন তো, ব্যাটারি আর মোটা ভারী ধাতব জিনিস নয়—বরং টুথপেস্টের মতো নরম ও মসৃণ। চাইলে ইচ্ছেমতো আকার বানিয়ে ব্যবহার করা যাবে! অবাক লাগলেও, সুইডেনের লিংকোপিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী এমনই এক নতুন ব্যাটারি উদ্ভাবন করেছেন।
এই ব্যাটারির সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো—এটি একেবারেই নমনীয় এবং প্রসারণযোগ্য। এর মানে হলো, টানলে এটি লম্বা হতে পারে এবং বিভিন্ন আকারে বাঁকানো যায়। ফলে চিকিৎসা সরঞ্জাম, পরিধানযোগ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস (যেমন স্মার্ট ঘড়ি বা স্বাস্থ্য মাপার সেন্সর), এমনকি রোবটের গঠনেও সহজেই ব্যবহার করা যাবে।
বিজ্ঞানীরা কাগজ তৈরির সময় পাওয়া টেকসই উপাদান—লিগনিন এবং একধরনের পরিবাহী প্লাস্টিক দিয়ে এই ব্যাটারি তৈরি করেছেন। এর ফলে ব্যাটারিটি পরিবেশবান্ধব হওয়ার পাশাপাশি অনেক নমনীয় ও হালকা হয়েছে।
এই নতুন ব্যাটারির একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ (প্রোটোটাইপ) তারা ইতিমধ্যে তৈরি করেছেন। এটি ৫০০ বার চার্জ ও ডিসচার্জ করার পরও ভালোভাবে কাজ করছে। এমনকি দ্বিগুণ লম্বা করলেও এর কার্যক্ষমতা কমে না।
তবে এখনো এই ব্যাটারি বাজারে আসার জন্য প্রস্তুত নয়। এটি মাত্র ১ ভোল্ট বিদ্যুৎ সঞ্চয় করতে পারে, যেখানে একটি গাড়ির ব্যাটারির ভোল্টেজ তার তুলনায় অনেক বেশি। তা সত্ত্বেও, বিজ্ঞানীরা মনে করছেন—এই নতুন প্রযুক্তি ভবিষ্যতের যন্ত্র তৈরিতে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
গবেষক আইমান রহমানুদ্দিন বলেন, “আমরা প্রমাণ করেছি ব্যাটারির ক্ষমতা তার কাঠিন্যের ওপর নির্ভর করে না। আমাদের তৈরি টেক্সচারের মতো ব্যাটারিটি দেখতে অনেকটা টুথপেস্টের মতো। এটি থ্রিডি প্রিন্টারে ব্যবহার করে যেকোনো আকারে তৈরি করা যাবে। ফলে নতুন অনেক রকম প্রযুক্তি সহজেই বানানো যাবে।”
এই উদ্ভাবন শুধু প্রযুক্তির নয়, পরিবেশের জন্যও একটি ভালো খবর। কারণ এতে ব্যবহৃত উপকরণগুলো টেকসই ও পরিবেশবান্ধব। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতে এই ব্যাটারি আরও শক্তিশালী ও কার্যকর হয়ে উঠবে, এবং নানা ধরনের স্মার্ট ডিভাইসে বিপ্লব আনবে।
সূত্র: এনডিটিভি

দেশ জুড়ে শুরু হওয়া ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এই ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাঁচ জেলায় বন্যা হতে পারে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংস্থা বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
৮ ঘণ্টা আগে
২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে মুক্তিযোদ্ধা এই মন্ত্রী বলেন, সাফমা কনফারেন্সে পাকিস্তানে গিয়েছিলাম। সেখানে এক পাকিস্তানি এমপি আমার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় জেনে জামায়াতে ইসলামীর এমপির সামনেই আমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছিল। সেই অপমান আমি ভুলিনি। যখন বেশি বাড়াবাড়ি করা হয়, তখন মনে
৮ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, গণভোটকে জাতীয় সংসদে শপথের আওতায় এনে কার্যকর করা না হলে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট বাতিল হলে সংসদ সদস্যদের পদও আইনি ঝুঁকিতে পড়তে পারে—শেষ পর্যন্ত আমও যাবে, ছালাও যাবে।
৯ ঘণ্টা আগে