
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শ্রীলঙ্কার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি অনিবন্ধিত বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। তবে আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৃদ্ধাশ্রমটি রাজধানী কলম্বো থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে আঙ্গুরুওয়াতোতা শহরে অবস্থিত।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, বুধবার গভীর রাতের এই অগ্নিকাণ্ডে পর বৃদ্ধাশ্রমে অবস্থানরত ৫১ জন বাসিন্দাকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বৃদ্ধদের পাশাপাশি ওই আশ্রমটিতে মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও থাকতেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পুলিশের মুখপাত্র ফ্রেডরিক উটলার।

এদিকে অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে ওই বৃদ্ধাশ্রমের পরিচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্তের স্বার্থে এক সপ্তাহের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপির ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, আগুনে পুরো ভবনটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভস্মীভূত। ভবনের কাছাকাছি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল দগ্ধ মরদেহ।

স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘হিরু’র প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়— ফায়ার সার্ভিস কর্মী, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা একযোগে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। উদ্ধার হওয়া বাসিন্দাদের নিরাপদে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশ ও সেনা সদস্যরা বাসে উঠতে সাহায্য করছেন।
শ্রীলঙ্কার ন্যাশনাল সেক্রেটারিয়েট ফর এলডার্সের পরিচালক চথুরা মিহুদুম জানান, এই প্রতিষ্ঠানটি বৃদ্ধাশ্রম হিসেবে নিবন্ধিত ছিল না। আইন ও সরকারি নীতিমালা মেনে চলার জন্য এর আগে প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্কও করা হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, ভবনটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ গাদাগাদি করে থাকতেন। যেখানে মাত্র ১৫ জনের থাকার মতো জায়গা ছিল, সেখানে ৭১ জন মানুষ বসবাস করছিলেন।
চথুরা মিহুদুম বিস্তারিত আর কোনো তথ্য না দিয়ে বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা এর আগেও একাধিকবার ওই প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেছিলেন এবং আইন মেনে চলার জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
রাজনীতি/আইআর

শ্রীলঙ্কার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি অনিবন্ধিত বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। তবে আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৃদ্ধাশ্রমটি রাজধানী কলম্বো থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে আঙ্গুরুওয়াতোতা শহরে অবস্থিত।
বার্তা সংস্থা এপির খবরে বলা হয়, বুধবার গভীর রাতের এই অগ্নিকাণ্ডে পর বৃদ্ধাশ্রমে অবস্থানরত ৫১ জন বাসিন্দাকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বৃদ্ধদের পাশাপাশি ওই আশ্রমটিতে মানসিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরাও থাকতেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পুলিশের মুখপাত্র ফ্রেডরিক উটলার।

এদিকে অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে ওই বৃদ্ধাশ্রমের পরিচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে আদালতে হাজির করা হলে তদন্তের স্বার্থে এক সপ্তাহের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপির ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, আগুনে পুরো ভবনটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভস্মীভূত। ভবনের কাছাকাছি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল দগ্ধ মরদেহ।

স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘হিরু’র প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়— ফায়ার সার্ভিস কর্মী, পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা একযোগে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। উদ্ধার হওয়া বাসিন্দাদের নিরাপদে অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য পুলিশ ও সেনা সদস্যরা বাসে উঠতে সাহায্য করছেন।
শ্রীলঙ্কার ন্যাশনাল সেক্রেটারিয়েট ফর এলডার্সের পরিচালক চথুরা মিহুদুম জানান, এই প্রতিষ্ঠানটি বৃদ্ধাশ্রম হিসেবে নিবন্ধিত ছিল না। আইন ও সরকারি নীতিমালা মেনে চলার জন্য এর আগে প্রতিষ্ঠানটিকে সতর্কও করা হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, ভবনটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি মানুষ গাদাগাদি করে থাকতেন। যেখানে মাত্র ১৫ জনের থাকার মতো জায়গা ছিল, সেখানে ৭১ জন মানুষ বসবাস করছিলেন।
চথুরা মিহুদুম বিস্তারিত আর কোনো তথ্য না দিয়ে বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা এর আগেও একাধিকবার ওই প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেছিলেন এবং আইন মেনে চলার জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
রাজনীতি/আইআর

কয়েক মাস ধরে ‘ইউক্রেন সাপোর্ট অ্যাক্ট’ নামের এই বিলটি পাসের অপেক্ষায় ঝুলে ছিল। সাধারণত প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কোনো বিল ভোটাভুটির জন্য তোলা যায় না। তবে এবার এক অভিনব পন্থায় কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে একটি বিশেষ আবেদনে (ডিসচার্জ পিটিশন) সই করলে বিলটি ভোটাভুটির জ
৬ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে কিউবা সরকার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য না করলেও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ পারিলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে পদক্ষেপই নিক না কেন, তা ব্যর্থ হবে।
৮ ঘণ্টা আগে
জেলেনস্কি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মনোযোগ ইরান-সংকটের দিকে কেন্দ্রীভূত। এ অবস্থায় ইউরোপের যুদ্ধ আবার ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার তালিকায় ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকা সঠিক হবে না। তিনি লিখেছেন, ‘ইউরোপের যুদ্ধ আবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।’
১০ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর প্রধান শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবি তুলেছিল ইরান। এমনকি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেহরান এমন ইঙ্গিতও দিয়েছে— ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে বা আরও জোরদার করে, তবে তারা তাদের মিত্র হিজবুল্লাহর পক্ষে
১৯ ঘণ্টা আগে