
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হিমালয়ে ট্রেকিং করতে যাওয়া পর্যটকদের ভুয়া উদ্ধার দেখিয়ে বিমার কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামিদামি ট্রেকিং এজেন্সির মালিক, হেলিকপ্টার কোম্পানি ও হাসপাতাল মালিকদের নিয়ে গঠিত এক প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে চক্রের ৩২ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে, যার মধ্যে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে।
এই চক্রটি হিমালয়ের দুর্গম সব শৃঙ্গে আরোহণ করতে যাওয়া পর্যটকদের খাবারে সুকৌশলে বিষ মেশাত। এরপর পর্যটকরা অসুস্থ হয়ে গেলে তাদের উদ্ধার করার জন্য হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অভিযান চালানোর নাম করে হাতিয়ে নেওয়া হতো বিমার টাকা। এ চক্রের হাতে এরই মধ্যে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা (২ কোটি মার্কিন ডলার) জালিয়াতি হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নেপালের কাঠমান্ডু পোস্ট, ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া ও তুরস্কের আনাদোলু নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, নেপাল পুলিশের বিশেষ তদন্ত শাখা সেন্ট্রাল ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (সিআইবি) কয়েক মাস ধরে বিষয়টি তদন্ত করছিল। তাদের তদন্তের ভিত্তিতে চলতি সপ্তাহের শুরুতে জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয় কাঠমান্ডু জেলা আদালতে মামলা দায়ের করে।
কাঠমান্ডু জেলা আদালতের মুখপাত্র দীপক কুমার শ্রেষ্ঠ জানান, আদালত বর্তমানে অভিযুক্তদের জবানবন্দি নিচ্ছে। রোববার গ্রেপ্তার ৯ জনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বাকি ২৩ জন পলাতক রয়েছেন। তাদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে।
আদালতে হাজির করা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— এভারেস্ট এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্স প্রাইভেট লিমিটেডের মুক্তি পান্ডে ও সুবাস কে সি, মাউন্টেন রেসকিউ প্রাইভেট লিমিটেডের বিবেক পান্ডে ও জয় রাম রিভাল এবং নেপাল চার্টার সার্ভিসেসের রবীন্দ্র অধিকারী।

এ তালিকায় আরও আছেন শ্রিদি ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের অপারেটর ও রয়্যাল হলিডেজ অ্যাডভেঞ্চারের সন্দীপ রাজ তিওয়ারি, হিমালয়া ট্রেকিং অ্যান্ড এক্সপেডিশনের পাসাং শেরপা এবং ফ্লাইং ইয়াকের সন্তোষ অধিকারী।
পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, পর্যটকদের অসুস্থ করে তুলতে তাদের বেকিং সোডাসহ নানা ধরনের বিষাক্ত খাবার খাওয়ানো হতো। অনেক ক্ষেত্রে কাঁচা মুরগির মাংস, এমনকি ইঁদুরের বিষ্ঠাও মেশানো হতো খাবারে। এসব খাবার পর্যটকদের পাকস্থলীতে তীব্র গ্যাস ও অস্বস্তি তৈরি করত এবং পর্যটকদের মধ্যে বমি ভাব, তীব্র মাথাব্যথা ও ঝিমুনি দেখা দিত, যেগুলো ‘অলটিচিউড সিকনেস’ বা উচ্চতাজনিত অসুস্থতার লক্ষণ।
তদন্তের তথ্য বলছে, এসব খাবার খেয়ে পর্যটকরা অসুস্থ বোধ করলেই তাদের ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করতেন গাইডরা। তারা মৃত্যুভয় দেখাতেন। পর্বতেই প্রাণহানি ঠেকাতে মানসিক চাপ তৈরি করে তাদের দ্রুত হেলিকপ্টার উদ্ধারের জন্য রাজি করাতেন।
এভাবে পর্যটকদের পাহাড় থেকে নামিয়ে আনার পর বিমার টাকা হাতিয়ে নিতে শুরু হতো জালিয়াতি। অনেক সময় সুস্থ পর্যটকদেরও হেলিকপ্টারে তুলে ‘উদ্ধার’ দেখানো হতো। একই হেলিকপ্টারে কয়েকজনকে নিয়ে আসা হলেও বিমা কোম্পানির কাছে প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা হেলিকপ্টার ভাড়া করে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার বিল পাঠানো হতো।
এভাবেই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিত ট্রেকিং এজেন্সিগুলো। তবে তারা একা নয়, তাদের সঙ্গে হাসপাতাল, হেলিকপ্টার কোম্পানি ও গাইডদেরও এই ‘লাভের টাকা’ ভাগাভাগি করা হতো।
মুখপাত্র শ্রেষ্ঠ বলেন, আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এই দুর্নীতির মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযুক্তদের জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছে।
অভিযুক্তদের কাছ থেকে এক কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ জরিমানা আদায়ের আবেদন করেছেন প্রসিকিউটররা। অপরাধের ধরন অনুযায়ী প্রত্যেকের জরিমানার পরিমাণ ভিন্ন হবে।
এর আগে এ বছরের জানুয়ারিতে সিআইবি তিনটি বড় মাউন্টেন রেসকিউ সংস্থার ছয় কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভুয়া হেলিকপ্টার উদ্ধার অভিযান সাজিয়ে প্রায় এক কোটি ৯৭ লাখ ডলার আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে হাসপাতাল মালিক, পাইলট ও ট্রেকিং এজেন্সির মালিকদের নামও উঠে এসেছে।

সিআইবির প্রধান মনোজ কে সি জানান, এসব প্রতিষ্ঠান পর্যটকদের জোর করে ‘ইভাকুয়েশনে’ সম্মতি দিতে বাধ্য করত এবং জরুরি উদ্ধার দেখিয়ে ভুয়া নথি তৈরি করে বিমার টাকা আত্মসাৎ করত।
পুলিশের তথ্য বলছে, এসব সংস্থা পর্যটকদের কাছ থেকে অন্তত এক কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার বিমার অর্থ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে মাউন্টেন রেসকিউ সার্ভিসের এক হাজার ২৪৮টি উদ্ধার অভিযানের মধ্যে ১৭১টি ‘সন্দেহজনক’ হিসেবে উঠে এসেছে, যেগুলোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি হাসপাতালের সঙ্গে যোগসাজশে এক কোটির বেশি ডলার আত্মসাৎ করেছে।
অন্যদিকে, নেপাল চার্টার সার্ভিসের বিরুদ্ধে ৮২ লাখ ডলার ও এভারেস্ট এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্সের বিরুদ্ধে ১১ লাখ ডলার আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
হিমালয়ে উদ্ধার অভিযানের নাম করে এমন জালিয়াতির ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০১৮ সালে দীর্ঘ অনুসন্ধানের মাধ্যমে কাঠমান্ডু পোস্ট এ জালিয়াতির খবর প্রকাশ্যে আনে। কয়েক মাস পর সরকার এ ঘটনায় একটি তথ্য-অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি ৭০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাঠমান্ড পোস্ট এ নিয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনও প্রকাশ করে।
গত বছর নেপাল পুলিশের সেন্ট্রাল ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (সিআইবি) ফের আট বছর আগের সেই ফাইলটি খোলে। তাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, হিমালয়ে বিমা জালিয়াতির এই ঘটনা থামেনি, বরং আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করেছে।

হিমালয়ে ট্রেকিং করতে যাওয়া পর্যটকদের ভুয়া উদ্ধার দেখিয়ে বিমার কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামিদামি ট্রেকিং এজেন্সির মালিক, হেলিকপ্টার কোম্পানি ও হাসপাতাল মালিকদের নিয়ে গঠিত এক প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে চক্রের ৩২ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে, যার মধ্যে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে।
এই চক্রটি হিমালয়ের দুর্গম সব শৃঙ্গে আরোহণ করতে যাওয়া পর্যটকদের খাবারে সুকৌশলে বিষ মেশাত। এরপর পর্যটকরা অসুস্থ হয়ে গেলে তাদের উদ্ধার করার জন্য হেলিকপ্টারের মাধ্যমে অভিযান চালানোর নাম করে হাতিয়ে নেওয়া হতো বিমার টাকা। এ চক্রের হাতে এরই মধ্যে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা (২ কোটি মার্কিন ডলার) জালিয়াতি হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নেপালের কাঠমান্ডু পোস্ট, ভারতের টাইমস অব ইন্ডিয়া ও তুরস্কের আনাদোলু নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, নেপাল পুলিশের বিশেষ তদন্ত শাখা সেন্ট্রাল ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (সিআইবি) কয়েক মাস ধরে বিষয়টি তদন্ত করছিল। তাদের তদন্তের ভিত্তিতে চলতি সপ্তাহের শুরুতে জেলা অ্যাটর্নির কার্যালয় কাঠমান্ডু জেলা আদালতে মামলা দায়ের করে।
কাঠমান্ডু জেলা আদালতের মুখপাত্র দীপক কুমার শ্রেষ্ঠ জানান, আদালত বর্তমানে অভিযুক্তদের জবানবন্দি নিচ্ছে। রোববার গ্রেপ্তার ৯ জনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বাকি ২৩ জন পলাতক রয়েছেন। তাদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে।
আদালতে হাজির করা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— এভারেস্ট এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্স প্রাইভেট লিমিটেডের মুক্তি পান্ডে ও সুবাস কে সি, মাউন্টেন রেসকিউ প্রাইভেট লিমিটেডের বিবেক পান্ডে ও জয় রাম রিভাল এবং নেপাল চার্টার সার্ভিসেসের রবীন্দ্র অধিকারী।

এ তালিকায় আরও আছেন শ্রিদি ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের অপারেটর ও রয়্যাল হলিডেজ অ্যাডভেঞ্চারের সন্দীপ রাজ তিওয়ারি, হিমালয়া ট্রেকিং অ্যান্ড এক্সপেডিশনের পাসাং শেরপা এবং ফ্লাইং ইয়াকের সন্তোষ অধিকারী।
পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, পর্যটকদের অসুস্থ করে তুলতে তাদের বেকিং সোডাসহ নানা ধরনের বিষাক্ত খাবার খাওয়ানো হতো। অনেক ক্ষেত্রে কাঁচা মুরগির মাংস, এমনকি ইঁদুরের বিষ্ঠাও মেশানো হতো খাবারে। এসব খাবার পর্যটকদের পাকস্থলীতে তীব্র গ্যাস ও অস্বস্তি তৈরি করত এবং পর্যটকদের মধ্যে বমি ভাব, তীব্র মাথাব্যথা ও ঝিমুনি দেখা দিত, যেগুলো ‘অলটিচিউড সিকনেস’ বা উচ্চতাজনিত অসুস্থতার লক্ষণ।
তদন্তের তথ্য বলছে, এসব খাবার খেয়ে পর্যটকরা অসুস্থ বোধ করলেই তাদের ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করতেন গাইডরা। তারা মৃত্যুভয় দেখাতেন। পর্বতেই প্রাণহানি ঠেকাতে মানসিক চাপ তৈরি করে তাদের দ্রুত হেলিকপ্টার উদ্ধারের জন্য রাজি করাতেন।
এভাবে পর্যটকদের পাহাড় থেকে নামিয়ে আনার পর বিমার টাকা হাতিয়ে নিতে শুরু হতো জালিয়াতি। অনেক সময় সুস্থ পর্যটকদেরও হেলিকপ্টারে তুলে ‘উদ্ধার’ দেখানো হতো। একই হেলিকপ্টারে কয়েকজনকে নিয়ে আসা হলেও বিমা কোম্পানির কাছে প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা হেলিকপ্টার ভাড়া করে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার বিল পাঠানো হতো।
এভাবেই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিত ট্রেকিং এজেন্সিগুলো। তবে তারা একা নয়, তাদের সঙ্গে হাসপাতাল, হেলিকপ্টার কোম্পানি ও গাইডদেরও এই ‘লাভের টাকা’ ভাগাভাগি করা হতো।
মুখপাত্র শ্রেষ্ঠ বলেন, আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এই দুর্নীতির মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযুক্তদের জবানবন্দি নেওয়া হচ্ছে।
অভিযুক্তদের কাছ থেকে এক কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ জরিমানা আদায়ের আবেদন করেছেন প্রসিকিউটররা। অপরাধের ধরন অনুযায়ী প্রত্যেকের জরিমানার পরিমাণ ভিন্ন হবে।
এর আগে এ বছরের জানুয়ারিতে সিআইবি তিনটি বড় মাউন্টেন রেসকিউ সংস্থার ছয় কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভুয়া হেলিকপ্টার উদ্ধার অভিযান সাজিয়ে প্রায় এক কোটি ৯৭ লাখ ডলার আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। তদন্তে হাসপাতাল মালিক, পাইলট ও ট্রেকিং এজেন্সির মালিকদের নামও উঠে এসেছে।

সিআইবির প্রধান মনোজ কে সি জানান, এসব প্রতিষ্ঠান পর্যটকদের জোর করে ‘ইভাকুয়েশনে’ সম্মতি দিতে বাধ্য করত এবং জরুরি উদ্ধার দেখিয়ে ভুয়া নথি তৈরি করে বিমার টাকা আত্মসাৎ করত।
পুলিশের তথ্য বলছে, এসব সংস্থা পর্যটকদের কাছ থেকে অন্তত এক কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার বিমার অর্থ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে মাউন্টেন রেসকিউ সার্ভিসের এক হাজার ২৪৮টি উদ্ধার অভিযানের মধ্যে ১৭১টি ‘সন্দেহজনক’ হিসেবে উঠে এসেছে, যেগুলোর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি হাসপাতালের সঙ্গে যোগসাজশে এক কোটির বেশি ডলার আত্মসাৎ করেছে।
অন্যদিকে, নেপাল চার্টার সার্ভিসের বিরুদ্ধে ৮২ লাখ ডলার ও এভারেস্ট এক্সপেরিয়েন্স অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্সের বিরুদ্ধে ১১ লাখ ডলার আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
হিমালয়ে উদ্ধার অভিযানের নাম করে এমন জালিয়াতির ঘটনা নতুন নয়। এর আগে ২০১৮ সালে দীর্ঘ অনুসন্ধানের মাধ্যমে কাঠমান্ডু পোস্ট এ জালিয়াতির খবর প্রকাশ্যে আনে। কয়েক মাস পর সরকার এ ঘটনায় একটি তথ্য-অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি ৭০০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাঠমান্ড পোস্ট এ নিয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধানী প্রতিবেদনও প্রকাশ করে।
গত বছর নেপাল পুলিশের সেন্ট্রাল ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (সিআইবি) ফের আট বছর আগের সেই ফাইলটি খোলে। তাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, হিমালয়ে বিমা জালিয়াতির এই ঘটনা থামেনি, বরং আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ঠিক আগের দিনই (বুধবার, ১ এপ্রিল) আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কোম্পানিকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি দিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য ‘টার্গেট’ হিসেবে তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপলের মতো টেক জায়ান্টদের নাম উল্লেখ করে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের স্পিকার বাঘের গালিবাফ বলেন, একটি ‘শক্তিশালী জাতীয় প্রচার’ লাখো ইরানিকে দেশ রক্ষায় অস্ত্র তুলে নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আগেও আমরা তা করেছি, আবারও করতে প্রস্তুত। আমাদের ঘরে এলে পুরো জাতির মুখোমুখি হতে হবে।’
১৭ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেওয়া দেশগুলো ‘সব ধরনের কার্যকর কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ’ পর্যালোচনা করবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার।
১৭ ঘণ্টা আগে
ভাষণে ইরানের বিরুদ্ধে আগের মতোই হুমকি ছিল, যার মধ্যে দেশটিকে ‘বোমা মেরে পাথর যুগে ফেরত পাঠানো’র অঙ্গীকারের পুনরাবৃত্তিও ছিল। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টগুলো থেকে যদি কেউ অংশবিশেষ কপি-পেস্ট করতেন, তাহলেও জাতির উদ্দেশে দেওয়া এই ভাষণ থেকে খুব বেশি আলাদা লাগত না
১৮ ঘণ্টা আগে