
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্ব রাজনীতির দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনে বেইজিংয়ে ঐতিহাসিক বৈঠকে বসেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শি জিনপিং। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ শুরু হওয়া এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। ২০১৭ সালের পর ট্রাম্পের এই প্রথম চীন সফরকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের সম্ভাবনা।
বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠককে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। বিশাল কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, বাণিজ্য প্রতিনিধি ও বাণিজ্যমন্ত্রীসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা। এতে স্পষ্ট হয়েছে, বৈঠকটি কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয় বরং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে কারা অংশ নিয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের ফলাফল শুধু দুই দেশের সম্পর্কেই নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সম্প্রতি বাণিজ্য উত্তেজনা, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে নতুন সমঝোতার সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
এর আগে, স্থানীয় সময় বুধবার বেইজিং পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় বিমানবন্দরে তা কে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা। ২০১৭ সালের পর এটিই ট্রাম্পের প্রথম চীন সফর।

বিশ্ব রাজনীতির দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা নিরসনে বেইজিংয়ে ঐতিহাসিক বৈঠকে বসেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শি জিনপিং। আজ বৃহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ শুরু হওয়া এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অর্থনীতি, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। ২০১৭ সালের পর ট্রাম্পের এই প্রথম চীন সফরকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে নতুন কূটনৈতিক সমীকরণের সম্ভাবনা।
বিশ্ব রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠককে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। বিশাল কনফারেন্স কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, বাণিজ্য প্রতিনিধি ও বাণিজ্যমন্ত্রীসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা। এতে স্পষ্ট হয়েছে, বৈঠকটি কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয় বরং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে কারা অংশ নিয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠকের ফলাফল শুধু দুই দেশের সম্পর্কেই নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও ভূরাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সম্প্রতি বাণিজ্য উত্তেজনা, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে নতুন সমঝোতার সম্ভাবনা হিসেবে দেখছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
এর আগে, স্থানীয় সময় বুধবার বেইজিং পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় বিমানবন্দরে তা কে স্বাগত জানান চীনের ভাইস প্রেসিডেন্টসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা। ২০১৭ সালের পর এটিই ট্রাম্পের প্রথম চীন সফর।

মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রাসহ কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। তবে বিকেলের পর তাদের আটক করা শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। একই দিনে সিজেপিও ঘোষণা দিয়েছে, তারা আর সংসদ অভিমুখে মিছিল করবে না, তবে
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পালটাপালটি হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। একই সঙ্গে গত ৭ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে তারা।
৮ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কেরালার ওয়ানাড়ের সাংসদ ও বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা এবং কংগ্রেসের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা।
৯ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ট্রুথ সোশ্যালকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক উসকে দেওয়ার অন্যতম প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। তার সর্বশেষ মন্তব্য শুধু নেতানিয়াহুকে ঘিরে অবস্থান স্পষ্ট করেনি; বরং নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসনের সঙ্গে ফেডারেল সরকারের সম্ভাব্য ক্ষমতার দ্বন্দ্বের ইঙ্গিতও দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে