
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নাইজেরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইবাদান শহরে ‘ক্রিসমাস ফানফেয়ারে’ পদদলিত হয়ে ৩৫ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ছয় জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) পুলিশের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে ব্রিটেনের ‘স্কাই নিউজ’ এই খবর জানায়।
পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেলার আয়োজকরা আগে থেকেই নগদ অর্থ এবং খাবার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই কারণে মেলায় ঢুকতে হুড়োহুড়ি লেগে যায় এবং প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানস্থলে পাঁচ হাজারেরও বেশি শিশু জড়ো হয়েছিল এবং মেলার আয়োজকরা অনুষ্ঠান শুরু করার আগেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে মেলার প্রধান আয়োজকও আছেন।
এদিকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিহত শিশুদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
এদিকে ওয়ো রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ইবাদান শহরের বাশোরুন জেলার ইসলামিক হাই স্কুলে মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার পর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
যারা এখনো সন্তানদেন খোঁজ পাননি, তাদের শহরের হাসপাতালে খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের অভিভাবকরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারা তাদের সন্তানদের সঙ্গে বছরের শেষের ক্রিসমাস ‘ফান ফেয়ার’ ভেন্যুতে একত্রিত হওয়ার জন্য অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পাঁচ ঘন্টা আগে বুধবার ভোর ৫টায় এসেছিলেন।
তারা নগদ অর্থ এবং খাবারের আশায় সেখানে গিয়েছিলেন। কারণ, আয়োজকরা ৫হাজার শিশুর প্রত্যেককে অর্থ প্রদান এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিনামূল্যে খাবার সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

নাইজেরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইবাদান শহরে ‘ক্রিসমাস ফানফেয়ারে’ পদদলিত হয়ে ৩৫ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ছয় জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) পুলিশের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে ব্রিটেনের ‘স্কাই নিউজ’ এই খবর জানায়।
পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেলার আয়োজকরা আগে থেকেই নগদ অর্থ এবং খাবার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই কারণে মেলায় ঢুকতে হুড়োহুড়ি লেগে যায় এবং প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানস্থলে পাঁচ হাজারেরও বেশি শিশু জড়ো হয়েছিল এবং মেলার আয়োজকরা অনুষ্ঠান শুরু করার আগেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে মেলার প্রধান আয়োজকও আছেন।
এদিকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি নিহত শিশুদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
এদিকে ওয়ো রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ইবাদান শহরের বাশোরুন জেলার ইসলামিক হাই স্কুলে মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার পর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
যারা এখনো সন্তানদেন খোঁজ পাননি, তাদের শহরের হাসপাতালে খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের অভিভাবকরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারা তাদের সন্তানদের সঙ্গে বছরের শেষের ক্রিসমাস ‘ফান ফেয়ার’ ভেন্যুতে একত্রিত হওয়ার জন্য অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পাঁচ ঘন্টা আগে বুধবার ভোর ৫টায় এসেছিলেন।
তারা নগদ অর্থ এবং খাবারের আশায় সেখানে গিয়েছিলেন। কারণ, আয়োজকরা ৫হাজার শিশুর প্রত্যেককে অর্থ প্রদান এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিনামূল্যে খাবার সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আগামী শনিবার ইসলামাবাদে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সমুদ্রতলে সম্ভাব্য মাইন এড়িয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে নতুন ও বিকল্প নৌরুট ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ শাখা। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইসরাইল সম্পূর্ণভাবে আল-আকসা মসজিদে প্রবেশ বন্ধ করে দেয় এবং শুধু মসজিদের কর্মী এবং জেরুজালেম ইসলামিক ওয়াকফ-এর কর্মকর্তাদের নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়। আর ফিলিস্তিনিদের শহরের ছোট ছোট মসজিদে নামাজ পড়তে বাধ্য করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
ন্যাটোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প বলেন, ‘যখন আমাদের তাদের প্রয়োজন ছিল, তখন ন্যাটো পাশে ছিল না। আর ভবিষ্যতেও দরকার হলে তারা থাকবে না। গ্রিনল্যান্ডের কথা মনে রাখো—ওই বড়, খারাপভাবে পরিচালিত বরফের টুকরো।
২০ ঘণ্টা আগে