
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ও মানবাধিকার সংস্থা আদালাহ জানিয়েছে, আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ গাজা অভিমুখী নৌবহরের অধিকারকর্মীদের ইসরায়েলের কেৎজিয়েত কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
শহিদুল আলম দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ফ্রিডম ফ্লোটিলা নৌবহর গাজায় ইসরায়েলি নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। এ যাত্রায় অংশ নিয়েছিল মোট নয়টি নৌযান, যেখানে ছিলেন বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মীরা। একই সঙ্গে অংশ নিয়েছিল থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা নৌবাহিনীর আটটি নৌযান।
বুধবার (৯ অক্টোবর) ইসরায়েলি সেনারা নৌবহরে আক্রমণ চালিয়ে সব অধিকারকর্মী ও নাবিকদের আটক করে। এরপর তাদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়, যা নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত এবং ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এখানে আটক ফিলিস্তিনিরা নৃশংসভাবে নির্যাতনের শিকার হন।
থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা জানিয়েছে, মোট ১৪৫ জনকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে। তাদের অনেককে কারাগারে রাখা হয়েছে জুলুমমূলক অবস্থায়। মারধর ও অপদস্থ করার ঘটনা ঘটেছে। আদালাহর আইনজীবীরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে আজ আদালতে শুনানি হতে পারে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের পূর্ণ আইনি সুবিধা পাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে। ইতিমধ্যেই ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ডের কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্যকে ইসরায়েল থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গত সপ্তাহে গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র ৪২টি নৌযান থেকে ৪৭৯ জনকে আটক করা হয়েছিল, যেখানে সুইডিশ অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন। পরে অধিকাংশকে ধাপে ধাপে মুক্তি দেওয়া হয়।

ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন ও মানবাধিকার সংস্থা আদালাহ জানিয়েছে, আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ গাজা অভিমুখী নৌবহরের অধিকারকর্মীদের ইসরায়েলের কেৎজিয়েত কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
শহিদুল আলম দৃকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। ফ্রিডম ফ্লোটিলা নৌবহর গাজায় ইসরায়েলি নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করছিল। এ যাত্রায় অংশ নিয়েছিল মোট নয়টি নৌযান, যেখানে ছিলেন বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মীরা। একই সঙ্গে অংশ নিয়েছিল থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা নৌবাহিনীর আটটি নৌযান।
বুধবার (৯ অক্টোবর) ইসরায়েলি সেনারা নৌবহরে আক্রমণ চালিয়ে সব অধিকারকর্মী ও নাবিকদের আটক করে। এরপর তাদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে কেৎজিয়েত কারাগারে পাঠানো হয়, যা নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত এবং ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় আটককেন্দ্র। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এখানে আটক ফিলিস্তিনিরা নৃশংসভাবে নির্যাতনের শিকার হন।
থাউজেন্ড ম্যাডলিনস টু গাজা জানিয়েছে, মোট ১৪৫ জনকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে। তাদের অনেককে কারাগারে রাখা হয়েছে জুলুমমূলক অবস্থায়। মারধর ও অপদস্থ করার ঘটনা ঘটেছে। আদালাহর আইনজীবীরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে আজ আদালতে শুনানি হতে পারে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের পূর্ণ আইনি সুবিধা পাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে। ইতিমধ্যেই ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও আয়ারল্যান্ডের কয়েকজন পার্লামেন্ট সদস্যকে ইসরায়েল থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গত সপ্তাহে গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’র ৪২টি নৌযান থেকে ৪৭৯ জনকে আটক করা হয়েছিল, যেখানে সুইডিশ অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও ছিলেন। পরে অধিকাংশকে ধাপে ধাপে মুক্তি দেওয়া হয়।

ঘরবাড়ি ছাড়া লাখো শিশুর শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তা যখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, তখন বিশ্বনেতাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফ সতর্ক করেছে—এই সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ না হলে নিহতের মিছিল আরও দীর্ঘ হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীই দায়ী হতে পারে। তবে পেন্টাগন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
‘কর্তৃপক্ষ আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং সব বাসিন্দা নিরাপদ রয়েছেন। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ তবে ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে ওই পোস্টে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
১৯ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
১ দিন আগে