
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে ২২ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গালফ নিউজ রোববার (১৩ অক্টোবর) জানিয়েছে, গত সাতদিনে সৌদি আরবের আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ২২ হাজার প্রবাসীকে গ্রেপ্তারকরেছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কারণে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত ৩ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা অভিযানের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন দেশের ২২ হাজার ৯৯৩ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে- আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি সংস্থা যৌথ অভিযান চালিয়েছিল। আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১৪ হাজার ২৬৯; সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনে ৫ হাজার ২৩০ ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ৪৯৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার সময় গ্রেপ্তার হয়েছেন ১ হাজার ৩৭৮ জন। তাদের মধ্যে ইয়েমেনি ও ইথিওপিয়ান নাগরিকদের সংখ্যাই বেশি।
অবৈধ উপায়ে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করায় ৮০; আবাসন ও কর্মবিধি লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন ও আশ্রয় দেওয়ায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৫ হাজার ১৩৬ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৫২০ জন পুরুষ এবং এক হাজার ৬১৬ জন নারী, জানিয়েছে সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
গ্রেপ্তার এসব প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এ সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ২১১। যাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে তাদের ভ্রমণের প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। ২ হাজার ৩৮১ জনকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা চূড়ান্ত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১১ হাজার ৯০৭ জনকে ইতোমধ্যে সৌদি আরব থেকে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে ২২ হাজার প্রবাসী গ্রেপ্তার হয়েছেন।
গালফ নিউজ রোববার (১৩ অক্টোবর) জানিয়েছে, গত সাতদিনে সৌদি আরবের আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ২২ হাজার প্রবাসীকে গ্রেপ্তারকরেছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কারণে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত ৩ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা অভিযানের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন দেশের ২২ হাজার ৯৯৩ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে- আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি সংস্থা যৌথ অভিযান চালিয়েছিল। আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১৪ হাজার ২৬৯; সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনে ৫ হাজার ২৩০ ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ৪৯৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টার সময় গ্রেপ্তার হয়েছেন ১ হাজার ৩৭৮ জন। তাদের মধ্যে ইয়েমেনি ও ইথিওপিয়ান নাগরিকদের সংখ্যাই বেশি।
অবৈধ উপায়ে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করায় ৮০; আবাসন ও কর্মবিধি লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন ও আশ্রয় দেওয়ায় ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৫ হাজার ১৩৬ জন প্রবাসীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৫২০ জন পুরুষ এবং এক হাজার ৬১৬ জন নারী, জানিয়েছে সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
গ্রেপ্তার এসব প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। এ সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার ২১১। যাদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে তাদের ভ্রমণের প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। ২ হাজার ৩৮১ জনকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা চূড়ান্ত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ১১ হাজার ৯০৭ জনকে ইতোমধ্যে সৌদি আরব থেকে নিজ নিজ দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোরে মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
পল অ্যাডামস বলছেন, গত এক বছরে আলোচনার চালাকালে দুবার হামলার শিকার হওয়ার কারণে ইরান এখন নিশ্চয়তা চায়, যেন ভবিষ্যতে আবার এমন হামলা না হয়। তবে বাস্তবতা হলো— কেউই খুব একটা বিশ্বাস করে না যে এসব বড় বড় সমস্যার সমাধান ইসলামাবাদে বসে হয়ে যাবে।
১১ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রতিনিধিদলের হয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মূল বৈঠকে বসার আগে জে ডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিলেন। বৈঠকে ভ্যান্সের সঙ্গে আরও ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
১১ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকের বিস্তারিত সম্পর্কে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে