
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন নৌবাহিনী অবশেষে নিশ্চিত করেছে যে, গত ৯ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ এমকিউ-৪সি ট্রাইটন হাই অল্টিচ্যুড সার্ভেইলেন্স (নজরদারি) ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে কী কারণে চালকবিহীন এই অত্যাধুনিক ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মার্কিন নৌবাহিনীর নাভাল সেফটি কমান্ডের বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘ক্লাস এ মিসহ্যাপ’ (দুর্ঘটনা) হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, যা সাধারণত ২০ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতি, প্রাণহানি বা স্থায়ী অক্ষমতার মতো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিধ্বস্ত ড্রোনটি ছিল ইতালির সিসিলি দ্বীপে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি সিগোনেলা নাভাল এয়ার স্টেশনের সম্পদ। ৯ তারিখ হরমুজ প্রণালিতে রুটিন ৩ ঘণ্টার নজরদারির জন্য ওড়ানো হয়েছিল সেটিকে। নজরদারি শেষে ফিরে যাওয়ার সময় হঠাতই জরুরি বিপদ সংকেত পাঠাতে শুরু করে ড্রোনটি। তারপর সেটির আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ড্রোনটি ঠিক কোথায় বিধ্বস্ত হয়েছে, তা জানায়নি মার্কিন নৌবাহিনী। সর্বশেষ এটি আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় পারস্য উপসাগরের ওপর ইরানের দিকে যেতে দেখা গেলেও, এটি ইরানের ভেতরে বিধ্বস্ত হয়েছে— এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি। ড্রোনটি উদ্ধারে কোনো অভিযান চালানো হয়েছে কি না, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংবাদ বিশ্লেষণ ওয়েবসাইট দ্য ওয়ার জোন (টিএমজেড) জানিয়েছিল, ড্রোনটি পারস্য উপসাগরের ওপর দিয়ে উড্ডয়নের সময় হঠাৎ করেই রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। এটি প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে দ্রুত ১০ হাজার ফুটের নিচে নেমে আসে। তখন ধারণা করা হচ্ছিল, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি এলাকায় নজরদারি মিশন শেষ করে ইতালির সিগোনেলা নৌঘাঁটিতে ফেরার পথে ছিল ড্রোনটি।
ঘটনার সময় ড্রোনটির ট্রান্সপন্ডার থেকে ৭৭০০ কোড সম্প্রচার হচ্ছিল, যা সাধারণত আকাশপথে জরুরি পরিস্থিতি নির্দেশ করে। এর আগে কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথমে এটি ৭৪০০ কোড পাঠিয়েছিল, যা নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এমকিউ-৪সি ট্রাইটন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অস্ত্রাগারের গুরুত্বপূর্ণ, দক্ষ ও দামি সমরাস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি। ‘ডানাযুক্ত উপগ্রহ’ (স্যাটেলাইট উইথ উইংস) নামে পরিচিত এই ড্রোনটি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাতে সক্ষম। নর্থরোপ গ্রুম্যান নামের একটি মার্কিন কোম্পানির তৈরি এই ড্রোন অস্ত্রাগারে যুক্ত করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যয় করতে হয়েছে ২৩ কোটি ৮১ লাখ ডলার।

মার্কিন নৌবাহিনী অবশেষে নিশ্চিত করেছে যে, গত ৯ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ এমকিউ-৪সি ট্রাইটন হাই অল্টিচ্যুড সার্ভেইলেন্স (নজরদারি) ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে কী কারণে চালকবিহীন এই অত্যাধুনিক ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) মার্কিন নৌবাহিনীর নাভাল সেফটি কমান্ডের বিবৃতিতে ঘটনাটিকে ‘ক্লাস এ মিসহ্যাপ’ (দুর্ঘটনা) হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, যা সাধারণত ২০ লাখ ডলারের বেশি ক্ষতি, প্রাণহানি বা স্থায়ী অক্ষমতার মতো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিধ্বস্ত ড্রোনটি ছিল ইতালির সিসিলি দ্বীপে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি সিগোনেলা নাভাল এয়ার স্টেশনের সম্পদ। ৯ তারিখ হরমুজ প্রণালিতে রুটিন ৩ ঘণ্টার নজরদারির জন্য ওড়ানো হয়েছিল সেটিকে। নজরদারি শেষে ফিরে যাওয়ার সময় হঠাতই জরুরি বিপদ সংকেত পাঠাতে শুরু করে ড্রোনটি। তারপর সেটির আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ড্রোনটি ঠিক কোথায় বিধ্বস্ত হয়েছে, তা জানায়নি মার্কিন নৌবাহিনী। সর্বশেষ এটি আন্তর্জাতিক আকাশসীমায় পারস্য উপসাগরের ওপর ইরানের দিকে যেতে দেখা গেলেও, এটি ইরানের ভেতরে বিধ্বস্ত হয়েছে— এমন কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি। ড্রোনটি উদ্ধারে কোনো অভিযান চালানো হয়েছে কি না, সে বিষয়েও কিছু জানানো হয়নি।
এর আগে প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংবাদ বিশ্লেষণ ওয়েবসাইট দ্য ওয়ার জোন (টিএমজেড) জানিয়েছিল, ড্রোনটি পারস্য উপসাগরের ওপর দিয়ে উড্ডয়নের সময় হঠাৎ করেই রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। এটি প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে দ্রুত ১০ হাজার ফুটের নিচে নেমে আসে। তখন ধারণা করা হচ্ছিল, পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি এলাকায় নজরদারি মিশন শেষ করে ইতালির সিগোনেলা নৌঘাঁটিতে ফেরার পথে ছিল ড্রোনটি।
ঘটনার সময় ড্রোনটির ট্রান্সপন্ডার থেকে ৭৭০০ কোড সম্প্রচার হচ্ছিল, যা সাধারণত আকাশপথে জরুরি পরিস্থিতি নির্দেশ করে। এর আগে কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথমে এটি ৭৪০০ কোড পাঠিয়েছিল, যা নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এমকিউ-৪সি ট্রাইটন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অস্ত্রাগারের গুরুত্বপূর্ণ, দক্ষ ও দামি সমরাস্ত্রগুলোর মধ্যে একটি। ‘ডানাযুক্ত উপগ্রহ’ (স্যাটেলাইট উইথ উইংস) নামে পরিচিত এই ড্রোনটি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাতে সক্ষম। নর্থরোপ গ্রুম্যান নামের একটি মার্কিন কোম্পানির তৈরি এই ড্রোন অস্ত্রাগারে যুক্ত করতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যয় করতে হয়েছে ২৩ কোটি ৮১ লাখ ডলার।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ‘ছোটখাটো’ কোনো সমঝোতায় আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট যে ডি ভ্যান্স। তিনি বলেছেন, ট্রাম্পের চাওয়া ‘বড় সমঝোতা’, যেটিকে ভ্যান্স বলছেন ‘গ্র্যান্ড বার্গেইন’।
৬ ঘণ্টা আগে
ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত মর্মান্তিক’ উল্লেখ করে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই বলেন, সরকার নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৭ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের তথ্য বলছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে ড্রোন হামলায় এই সংঘাতে প্রায় ৭০০ বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। ড্রোনের ব্যবহার যখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তখন ইরান যুদ্ধ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা সুদানে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে জটিল করে তুলছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বলছে, পরিস্থিতি ক্রমাবনতি ঘটছে
৮ ঘণ্টা আগে
ওয়াশিংটন ডিসিতে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংগু বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের জন্য দায়ী মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। এই মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা যেন বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আরও প্রভাব ফেলতে না পারে, তা নিশ
৮ ঘণ্টা আগে