
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে হামলার কারণ প্রসঙ্গে একেকবার একেক কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কখনো বলেছেন ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা, কখনো বলেছেন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিষ্ক্রিয় করার কথা। এবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, তার এ হামলার প্রধান লক্ষ্যই হলো তেল!
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন এমন কথা। তিনি বলেন, ইরানের তেল নেওয়াই তার প্রধান লক্ষ্য। তবে এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলের হুমকিও দেন ট্রাম্প। বলেন, এটি করা হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বিভিন্ন বিকল্প রয়েছে। প্রয়োজনে সেখানে কিছু সময় অবস্থান করতে হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
খারগ দ্বীপ ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র হওয়ায় এটি দখল করা হলে দেশটির জ্বালানি খাত বড় ধাক্কা খাবে। এর আগেও এই দ্বীপে হামলা ও দ্বীপটি দখল নিয়ে কথা বলেছেন ট্রাম্প। ফের দ্বীপ দখলের এ বক্তব্যটিও উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের এক মাস এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে। গোটা মধ্যপ্রাচ্যেই ছড়িয়েছে প্রত্যক্ষ যুদ্ধের আঁচ। সেই সঙ্গে জ্বালানি সংকট ঘিরে যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বেই।
তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিয়ে এখনো অনুমান করতে পারছেন না বিশ্লেষকরা। এ অবস্থার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সেনা উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করেছে দেশটি, আরও সেনা পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানা গেছে।
শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প সত্যিই ইরানে স্থল অভিযান শুরু করলে তা যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত করবে এবং বিশ্বব্যাপী এই যুদ্ধের প্রভাবও আরও বাড়বে।

ইরানে হামলার কারণ প্রসঙ্গে একেকবার একেক কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কখনো বলেছেন ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের কথা, কখনো বলেছেন ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিষ্ক্রিয় করার কথা। এবার এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, তার এ হামলার প্রধান লক্ষ্যই হলো তেল!
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন এমন কথা। তিনি বলেন, ইরানের তেল নেওয়াই তার প্রধান লক্ষ্য। তবে এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও কিছু মানুষ প্রশ্ন তুলছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপ দখলের হুমকিও দেন ট্রাম্প। বলেন, এটি করা হতে পারে, আবার নাও হতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সামনে বিভিন্ন বিকল্প রয়েছে। প্রয়োজনে সেখানে কিছু সময় অবস্থান করতে হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।
খারগ দ্বীপ ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র হওয়ায় এটি দখল করা হলে দেশটির জ্বালানি খাত বড় ধাক্কা খাবে। এর আগেও এই দ্বীপে হামলা ও দ্বীপটি দখল নিয়ে কথা বলেছেন ট্রাম্প। ফের দ্বীপ দখলের এ বক্তব্যটিও উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের এক মাস এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে। গোটা মধ্যপ্রাচ্যেই ছড়িয়েছে প্রত্যক্ষ যুদ্ধের আঁচ। সেই সঙ্গে জ্বালানি সংকট ঘিরে যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সারা বিশ্বেই।
তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি নিয়ে এখনো অনুমান করতে পারছেন না বিশ্লেষকরা। এ অবস্থার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সেনা উপস্থিতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করেছে দেশটি, আরও সেনা পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানা গেছে।
শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প সত্যিই ইরানে স্থল অভিযান শুরু করলে তা যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত করবে এবং বিশ্বব্যাপী এই যুদ্ধের প্রভাবও আরও বাড়বে।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২ দিন আগে