
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধ চলাকালীন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘নিরপেক্ষ’ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নস্যাৎ করার ক্ষেত্রে এই দুই বিশ্বনেতা মার্কিন প্রচেষ্টায় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইরান সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি গৃহীত হওয়ার পর গতকাল বুধবার ট্রাম্প বলেন, ‘আমি শুধু তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই, কারণ তারা পরিস্থিতিকে অনেক সহজ করে দিয়েছিলেন।’
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলন শেষে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, এই সংঘাতের বাইরে থাকায় তিনি দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতি ‘কৃতজ্ঞ’।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলাম এবং তিনি সম্পূর্ণ, একদম পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিলেন, আমি এর প্রশংসা করেছি।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি ভ্লাদিমির পুতিনকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই, তিনিও অত্যন্ত নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছেন। তারা চাইলে আমাদের জন্য পরিস্থিতি অনেক বেশি কঠিন করে তুলতে পারতেন।’
তবে চীন ও রাশিয়ার প্রশংসা করলেও ট্রাম্পের এই মন্তব্য জাপান থেকে শুরু করে ইউরোপের মতো আমেরিকার চিরাচরিত মিত্রদের ক্ষেত্রে ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। সামরিক অভিযানে অংশ না নেওয়া কিংবা ইরান কর্তৃক অবরুদ্ধ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পরবর্তী প্রচেষ্টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য না করায় এই মিত্র দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করেন ট্রাম্প।
তবে বাস্তবতা হলো, তেহরানের সঙ্গে মস্কো ও বেইজিং— উভয় পক্ষেরই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এর আগে রাশিয়া সতর্ক করে বলেছিল যে, এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে।
অন্যদিকে, বেইজিংও তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের এই হামলাকে ইরানের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছিল। এই বিষয়ে অবগত কর্মকর্তাদের বরাতে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মূল্যায়ন করেছেন যে, যুদ্ধ চলাকালীন বেইজিং তেহরানকে এমন কিছু পণ্য সরবরাহ করেছিল যা সামরিক কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনা ছিল।
এ ছাড়াও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই সংঘাতের পুরোটা সময় জুড়ে ইরানের তেলের প্রধান ক্রেতা ছিল চীনের স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলো।
এত কিছুর পরও ট্রাম্প দাবি করেছেন, শি জিনপিং সংঘাত নিরসনে সহায়তাই করেছেন এবং ইরানে কোনো ‘ভারী যুদ্ধাস্ত্র’ বা বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো থেকে বিরত ছিলেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘তারা চাইলে দুই পাশে ছয়টি যুদ্ধজাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) দিয়ে একটি তেলের জাহাজ এসকর্ট করে পাঠাতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি। প্রেসিডেন্ট শি আমাকে সাহায্য করেছেন। তিনি সংকট সমাধানের চেষ্টা করেছেন এবং আমি মনে করি সম্ভবত তিনি এটি সমাধানে বড় ভূমিকাও রেখেছেন।’
ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীন দূতাবাসের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এই সংকটে তাদের অবস্থান সবসময় ‘সংগতিপূর্ণ’ ছিল এবং তারা ‘যুদ্ধাবসান ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে গেছেন’।
এদিকে এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে ওয়াশিংটনে রুশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

ইরান যুদ্ধ চলাকালীন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ‘নিরপেক্ষ’ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নস্যাৎ করার ক্ষেত্রে এই দুই বিশ্বনেতা মার্কিন প্রচেষ্টায় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইরান সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি গৃহীত হওয়ার পর গতকাল বুধবার ট্রাম্প বলেন, ‘আমি শুধু তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই, কারণ তারা পরিস্থিতিকে অনেক সহজ করে দিয়েছিলেন।’
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলন শেষে বুধবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, এই সংঘাতের বাইরে থাকায় তিনি দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতি ‘কৃতজ্ঞ’।
সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলাম এবং তিনি সম্পূর্ণ, একদম পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিলেন, আমি এর প্রশংসা করেছি।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি ভ্লাদিমির পুতিনকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই, তিনিও অত্যন্ত নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেছেন। তারা চাইলে আমাদের জন্য পরিস্থিতি অনেক বেশি কঠিন করে তুলতে পারতেন।’
তবে চীন ও রাশিয়ার প্রশংসা করলেও ট্রাম্পের এই মন্তব্য জাপান থেকে শুরু করে ইউরোপের মতো আমেরিকার চিরাচরিত মিত্রদের ক্ষেত্রে ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। সামরিক অভিযানে অংশ না নেওয়া কিংবা ইরান কর্তৃক অবরুদ্ধ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পরবর্তী প্রচেষ্টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য না করায় এই মিত্র দেশগুলোর তীব্র সমালোচনা করেন ট্রাম্প।
তবে বাস্তবতা হলো, তেহরানের সঙ্গে মস্কো ও বেইজিং— উভয় পক্ষেরই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এর আগে রাশিয়া সতর্ক করে বলেছিল যে, এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে একটি পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে।
অন্যদিকে, বেইজিংও তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের এই হামলাকে ইরানের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছিল। এই বিষয়ে অবগত কর্মকর্তাদের বরাতে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মূল্যায়ন করেছেন যে, যুদ্ধ চলাকালীন বেইজিং তেহরানকে এমন কিছু পণ্য সরবরাহ করেছিল যা সামরিক কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনা ছিল।
এ ছাড়াও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই সংঘাতের পুরোটা সময় জুড়ে ইরানের তেলের প্রধান ক্রেতা ছিল চীনের স্বাধীন তেল শোধনাগারগুলো।
এত কিছুর পরও ট্রাম্প দাবি করেছেন, শি জিনপিং সংঘাত নিরসনে সহায়তাই করেছেন এবং ইরানে কোনো ‘ভারী যুদ্ধাস্ত্র’ বা বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানো থেকে বিরত ছিলেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘তারা চাইলে দুই পাশে ছয়টি যুদ্ধজাহাজ (ডেস্ট্রয়ার) দিয়ে একটি তেলের জাহাজ এসকর্ট করে পাঠাতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি। প্রেসিডেন্ট শি আমাকে সাহায্য করেছেন। তিনি সংকট সমাধানের চেষ্টা করেছেন এবং আমি মনে করি সম্ভবত তিনি এটি সমাধানে বড় ভূমিকাও রেখেছেন।’
ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীন দূতাবাসের একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, এই সংকটে তাদের অবস্থান সবসময় ‘সংগতিপূর্ণ’ ছিল এবং তারা ‘যুদ্ধাবসান ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অক্লান্তভাবে কাজ করে গেছেন’।
এদিকে এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে ওয়াশিংটনে রুশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূল রক্ষাকারী সংস্থা ‘ফ্রন্টেক্স’-এর একটি বিমান ক্রিটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় আইয়েরাপেত্রা উপকূলে ৪০ জন অভিবাসীবাহী একটি নৌকার সন্ধান পায়। খবর পেয়ে গ্রিক কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় একটি মাছ ধরার ট্রলার যৌথ অভিযান চালিয়ে
৬ ঘণ্টা আগে
২০১৫ সালে ‘অবাঞ্ছিত সংগঠন’ আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে রাশিয়া শত শত বিদেশি সংস্থাকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এই তালিকায় রয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, বিভিন্ন স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ও স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও।
১৪ ঘণ্টা আগে
সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পেছনে পেরুর নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। গত জুলাইয়ে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই তিনি মেক্সিকোর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।
১৫ ঘণ্টা আগে