
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গ্রিন কার্ড বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রক্রিয়াতে এক বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যারা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করছেন, তাদের আবেদনের পুরো প্রক্রিয়াকালীন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকতে হবে। প্রশাসনের এই আকস্মিক ও কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে বৈধভাবে বসবাস ও স্থায়ী কাজের অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা লাখ লাখ মানুষের জীবন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে যাচ্ছে।
শনিবার (২৩ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এই নতুন নীতিমালার ঘোষণা দেয়। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, স্থায়ী ভিসার জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে য়ে সগিেখান থেকে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
হঠাৎ নেওয়া এই নীতি পরিবর্তনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ অভিবাসীদের একটি বিশাল অংশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বৈধ স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদার (গ্রিন কার্ড) জন্য লড়াই করা এই মানুষদের এখন বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়তে হবে। এর ফলে অসংখ্য পরিবার একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে, মানুষ চাকরি হারাতে বাধ্য হবে এবং স্থানীয় কমিউনিটিগুলোতে এক ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়াটি এমনিতেই অত্যন্ত দীর্ঘ ও জটিল, যা সম্পন্ন হতে সাধারণত কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যায়।
তবে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা (ইউএসসিআইএস) বিভাগের মুখপাত্র জ্যাক কাহলার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশেষ কিছু ‘অস্বাভাবিক বা জরুরি পরিস্থিতি’র ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যতিক্রম বা ছাড় দেওয়া হতে পারে।
নতুন এই নিয়মের পক্ষে যুক্তি দিয়ে কাহলার বলেন, ‘আবেদনকারীরা যখন তাদের নিজ দেশ থেকে আবেদন করবেন, তখন গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে লুকিয়ে থাকার প্রবণতা কমে আসবে। ফলে তাদের খুঁজে বের করা বা দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার পেছনে যে বাড়তি প্রশাসনিক ঝক্কি থাকে, সেটি আর থাকবে না।’
ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছর নাগাদ প্রায় ১৪ লাখ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা বা গ্রিন কার্ড পেয়েছিলেন।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন নিয়ম জারি হওয়ার পর থেকেই এটি তীব্র আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুক্রবার ঘোষণার পর থেকেই আইনজীবী, আইনপ্রণেতা এবং অভিবাসন অধিকার কর্মীদের কাছ থেকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ডেলিয়া সি রামিরেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, এই নীতিটি ‘নিষ্ঠুরতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে’। একই সঙ্গে তিনি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে ‘ভেঙে টুকরো টুকরো’ করার আহ্বান জানান।
নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল এক্সে লিখেছেন, নতুন এই নীতি ‘যে প্রতিশ্রুতির ওপর ভর করে এই দেশটি গড়ে উঠেছিল, তার সাথে এক ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা’।
অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি গ্রেগ স্ট্যান্টন এক পোস্টে বলেন, ‘ট্রাম্প উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তুললেন। আমাদের ওয়ার্কার ভিসা প্রোগ্রামের কারণেই আমেরিকা বিশ্বের সেরা গবেষক, চিকিৎসক এবং প্রকৌশলীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়।’
ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি টেড লিউ একে একটি ‘নির্বুদ্ধিতা নীতি’ আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, এর ফলে চীন এবং রাশিয়ার মতো আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোই লাভবান হবে।
ক্যাটো ইনস্টিটিউটের অভিবাসন নীতি সংক্রান্ত গবেষণার পরিচালক ডেভিড জে বিয়ার একটি ব্লগ পোস্টে এই নীতিকে ‘অযৌক্তিক’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং এর দূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাবের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এটি প্রতিভাবান মানুষদের অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য করবে এবং ব্যবসাবাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমেরিকার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে।’
ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বরাবরই অবৈধ অভিবাসন রোধ করা হলেও, এই নতুন নীতিটি প্রমাণ করে যে প্রশাসন এখন বৈধ অভিবাসনের পথও সংকুচিত করার চেষ্টা করছে।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন রাজনৈতিক আশ্রয়ের (অ্যাসাইলাম) সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ বা অন্যান্য বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে নিজ দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সুরক্ষাকবচ ‘টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস’ (টিপিএস) বাতিল করেছে বেশ কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে— যার ফলে তারা নির্বাসনের ভয় ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারতেন। এছাড়া, শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান ছাড়া বাকি সব দেশের জন্য শরণার্থী প্রবেশ বন্ধ রাখা এবং ওয়ার্ক ও স্টুডেন্ট ভিসার ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এমনকি গত বছর ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করার ঘটনার পর, ট্রাম্প প্রশাসন ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত ১৯টি দেশের নাগরিকদের দেওয়া সমস্ত গ্রিন কার্ড পুনর্বিবেচনা করার ঘোষণা দেয়।
যদিও তদন্তে দেখা গেছে, ওই হামলার মূল অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আফগান নাগরিক, যিনি ২০২১ সালে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন এবং ২০২৫ সালে তা মঞ্জুর করা হয়। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক আশ্রয়ের এই প্রক্রিয়াটি গ্রিন কার্ড আবেদনের মূল প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
রাজনীতি/আইআর

গ্রিন কার্ড বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের প্রক্রিয়াতে এক বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যারা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করছেন, তাদের আবেদনের পুরো প্রক্রিয়াকালীন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকতে হবে। প্রশাসনের এই আকস্মিক ও কঠোর সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে বৈধভাবে বসবাস ও স্থায়ী কাজের অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা লাখ লাখ মানুষের জীবন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে যাচ্ছে।
শনিবার (২৩ মে) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়, গতকাল শুক্রবার মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এই নতুন নীতিমালার ঘোষণা দেয়। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, স্থায়ী ভিসার জন্য আবেদনকারীদের অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে য়ে সগিেখান থেকে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
হঠাৎ নেওয়া এই নীতি পরিবর্তনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ অভিবাসীদের একটি বিশাল অংশ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বৈধ স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদার (গ্রিন কার্ড) জন্য লড়াই করা এই মানুষদের এখন বাধ্য হয়ে দেশ ছাড়তে হবে। এর ফলে অসংখ্য পরিবার একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে, মানুষ চাকরি হারাতে বাধ্য হবে এবং স্থানীয় কমিউনিটিগুলোতে এক ধরনের বিপর্যয় নেমে আসবে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়াটি এমনিতেই অত্যন্ত দীর্ঘ ও জটিল, যা সম্পন্ন হতে সাধারণত কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যায়।
তবে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা (ইউএসসিআইএস) বিভাগের মুখপাত্র জ্যাক কাহলার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশেষ কিছু ‘অস্বাভাবিক বা জরুরি পরিস্থিতি’র ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যতিক্রম বা ছাড় দেওয়া হতে পারে।
নতুন এই নিয়মের পক্ষে যুক্তি দিয়ে কাহলার বলেন, ‘আবেদনকারীরা যখন তাদের নিজ দেশ থেকে আবেদন করবেন, তখন গ্রিন কার্ডের আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে লুকিয়ে থাকার প্রবণতা কমে আসবে। ফলে তাদের খুঁজে বের করা বা দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার পেছনে যে বাড়তি প্রশাসনিক ঝক্কি থাকে, সেটি আর থাকবে না।’
ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটির (ডিএইচএস) সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ অর্থবছর নাগাদ প্রায় ১৪ লাখ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা বা গ্রিন কার্ড পেয়েছিলেন।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এই নতুন নিয়ম জারি হওয়ার পর থেকেই এটি তীব্র আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুক্রবার ঘোষণার পর থেকেই আইনজীবী, আইনপ্রণেতা এবং অভিবাসন অধিকার কর্মীদের কাছ থেকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি ডেলিয়া সি রামিরেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, এই নীতিটি ‘নিষ্ঠুরতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে’। একই সঙ্গে তিনি হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগকে ‘ভেঙে টুকরো টুকরো’ করার আহ্বান জানান।
নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল এক্সে লিখেছেন, নতুন এই নীতি ‘যে প্রতিশ্রুতির ওপর ভর করে এই দেশটি গড়ে উঠেছিল, তার সাথে এক ধরনের বিশ্বাসঘাতকতা’।
অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি গ্রেগ স্ট্যান্টন এক পোস্টে বলেন, ‘ট্রাম্প উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তুললেন। আমাদের ওয়ার্কার ভিসা প্রোগ্রামের কারণেই আমেরিকা বিশ্বের সেরা গবেষক, চিকিৎসক এবং প্রকৌশলীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়।’
ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি টেড লিউ একে একটি ‘নির্বুদ্ধিতা নীতি’ আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, এর ফলে চীন এবং রাশিয়ার মতো আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোই লাভবান হবে।
ক্যাটো ইনস্টিটিউটের অভিবাসন নীতি সংক্রান্ত গবেষণার পরিচালক ডেভিড জে বিয়ার একটি ব্লগ পোস্টে এই নীতিকে ‘অযৌক্তিক’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং এর দূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাবের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘এটি প্রতিভাবান মানুষদের অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য করবে এবং ব্যবসাবাণিজ্যের ক্ষেত্রে আমেরিকার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা করার সক্ষমতা কমিয়ে দেবে।’
ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য বরাবরই অবৈধ অভিবাসন রোধ করা হলেও, এই নতুন নীতিটি প্রমাণ করে যে প্রশাসন এখন বৈধ অভিবাসনের পথও সংকুচিত করার চেষ্টা করছে।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন রাজনৈতিক আশ্রয়ের (অ্যাসাইলাম) সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার চেষ্টা করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যুদ্ধ বা অন্যান্য বিপজ্জনক পরিস্থিতির কারণে নিজ দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেওয়া মানুষদের সুরক্ষাকবচ ‘টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস’ (টিপিএস) বাতিল করেছে বেশ কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে— যার ফলে তারা নির্বাসনের ভয় ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারতেন। এছাড়া, শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান ছাড়া বাকি সব দেশের জন্য শরণার্থী প্রবেশ বন্ধ রাখা এবং ওয়ার্ক ও স্টুডেন্ট ভিসার ওপরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এমনকি গত বছর ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করার ঘটনার পর, ট্রাম্প প্রশাসন ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত ১৯টি দেশের নাগরিকদের দেওয়া সমস্ত গ্রিন কার্ড পুনর্বিবেচনা করার ঘোষণা দেয়।
যদিও তদন্তে দেখা গেছে, ওই হামলার মূল অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আফগান নাগরিক, যিনি ২০২১ সালে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন এবং ২০২৫ সালে তা মঞ্জুর করা হয়। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক আশ্রয়ের এই প্রক্রিয়াটি গ্রিন কার্ড আবেদনের মূল প্রক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
রাজনীতি/আইআর

যখন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরু পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার। তবে বিভিন্ন বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষক বলছেন, প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে
৩ ঘণ্টা আগে
আরাঘচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, পরস্পরবিরোধী অবস্থান এবং সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে কূটনীতিকে দুর্বল করেছে। তারপরও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গুরুত্বের সঙ্গে এই আলোচনায় অংশ নিয়েছে তেহরান।’
৩ ঘণ্টা আগে
এক সপ্তাহেরও কম সময়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম লাখ লাখ ফলোয়ার পেয়েছে এবং মূলধারার গণমাধ্যমের দৃষ্টিও আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। শুধু তাই নয়, এর আবির্ভাব প্রবীণ রাজনীতিবিদদেরও নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছে বৈকি।
৩ ঘণ্টা আগে
স্বামীর ক্যানসার ধরা পড়ার কথা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা (ডিএনআই) পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করছেন তুলসী গ্যাবার্ড। জুনের শেষে তিনি পদ ছাড়ার কথা বলেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে