
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসন নীতি ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বিশাল গণআন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘নো কিংস’ নামক এই কর্মসূচিতে আজ শনিবার (২৮ মার্চ) দেশটির তিন হাজারেরও বেশি স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
আয়োজকরা আশা করছেন, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যার দিক থেকে এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম প্রতিবাদী দিন।
বিবিসি ও সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিন ধরেই ‘নো কিংস’ আন্দোলন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ‘নো কিংস’ ব্যানার নিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মার্কিনিরা। এবার শনিবার সম্মিলিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে এ প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ তার প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপকেই এবারের ‘নো কিংস’ বিক্ষোভের বিষয়বস্তু হিসেবে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে গুরুত্ব পাচ্ছে ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নীতি ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ‘নো কিংস’ আয়োজন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পোস্টে জানানো হয়েছে, শনিবার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি এবং মিনিয়াপোলিস, শিকাগো ও সান ফ্রান্সিসকোতে বড় বিক্ষোভ হওয়ার কথা রয়েছে। এমনকি ছোট অঙ্গরাজ্য ভারমন্টেও ৪০টির বেশি স্থানে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজ্যটিতে মাত্র ছয় লাখ ৪৬ হাজার মানুষ বাস করে।
এর আগে ২০২৫ সালের জুন ও অক্টোবর মাসেও ‘নো কিংস’ আন্দোলন হয়। তখন লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। আয়োজকদের দাবি, জুনে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ এবং অক্টোবরে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অংশ নেয়। এবারের কর্মসূচিতে আগের দুবারের চেয়েও বেশি মানুষ অংশ নেবেন।
২০২৫ সালের জুনে সূত্রপাত ‘নো কিংস’ আন্দোলনের, যেখানে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে অহিংস বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এর প্রধান লক্ষ্য ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তার প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক জনঅসন্তোষ প্রকাশ করা।
নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন, এলজিবিটিকিউ+ অধিকারভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ক্যাম্পেইন, প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠন ইন্ডিভিজিবল ও মুভঅন, শিক্ষক সংগঠন আমেরিকান ফেডারেশন অব টিচার্সের মতো বড় বড় সব সংগঠন ‘নো কিংস’ আন্দোলনের আয়োজক হিসেবে কাজ করছে, তবে এর একক কোনো নেতৃত্ব নেই।
গ্যালাপের ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ জরিপে উঠে এসেছে, প্রতি তিনজন আমেরিকানের মধ্যে মাত্র একজন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট। চলতি মার্চেই ফক্স নিউজের আরেক জরিপে দেখা যায়, ১০ জনের মধ্যে ছয়জন আমেরিকানই ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি প্রয়োগের বিরোধিতা করছেন। একই সময়ে সিবিএসের জরিপে ১০ জনের মধ্যে ছয়জন ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধেরও বিরোধিতা করেছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ ঘিরেই ‘নো কিংস’ আন্দোলন গড়ে উঠেছে। শুরু থেকেই এ আন্দোলন ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরোধিতা করে আসছে। এ ছাড়া হোয়াইট হাউজের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের হুমকি, স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় কমানো ও পরিবেশ সুরক্ষামূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ বন্ধ করে দেওয়ার মতো বিষয়গুলোকেও আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করা ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক জনমত তৈরি হয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে মার্কিনিদের জনমত আরও স্পষ্টভাবে উঠে আসবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসন নীতি ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বিশাল গণআন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। ‘নো কিংস’ নামক এই কর্মসূচিতে আজ শনিবার (২৮ মার্চ) দেশটির তিন হাজারেরও বেশি স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
আয়োজকরা আশা করছেন, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যার দিক থেকে এটি হতে যাচ্ছে আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম প্রতিবাদী দিন।
বিবিসি ও সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েক দিন ধরেই ‘নো কিংস’ আন্দোলন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ‘নো কিংস’ ব্যানার নিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন মার্কিনিরা। এবার শনিবার সম্মিলিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে এ প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ তার প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপকেই এবারের ‘নো কিংস’ বিক্ষোভের বিষয়বস্তু হিসেবে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে গুরুত্ব পাচ্ছে ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নীতি ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে ‘নো কিংস’ আয়োজন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পোস্টে জানানো হয়েছে, শনিবার রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি এবং মিনিয়াপোলিস, শিকাগো ও সান ফ্রান্সিসকোতে বড় বিক্ষোভ হওয়ার কথা রয়েছে। এমনকি ছোট অঙ্গরাজ্য ভারমন্টেও ৪০টির বেশি স্থানে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজ্যটিতে মাত্র ছয় লাখ ৪৬ হাজার মানুষ বাস করে।
এর আগে ২০২৫ সালের জুন ও অক্টোবর মাসেও ‘নো কিংস’ আন্দোলন হয়। তখন লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমেছিল। আয়োজকদের দাবি, জুনে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ এবং অক্টোবরে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ অংশ নেয়। এবারের কর্মসূচিতে আগের দুবারের চেয়েও বেশি মানুষ অংশ নেবেন।
২০২৫ সালের জুনে সূত্রপাত ‘নো কিংস’ আন্দোলনের, যেখানে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে অহিংস বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এর প্রধান লক্ষ্য ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তার প্রশাসনের গৃহীত বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক জনঅসন্তোষ প্রকাশ করা।
নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন, এলজিবিটিকিউ+ অধিকারভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ক্যাম্পেইন, প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠন ইন্ডিভিজিবল ও মুভঅন, শিক্ষক সংগঠন আমেরিকান ফেডারেশন অব টিচার্সের মতো বড় বড় সব সংগঠন ‘নো কিংস’ আন্দোলনের আয়োজক হিসেবে কাজ করছে, তবে এর একক কোনো নেতৃত্ব নেই।
গ্যালাপের ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ জরিপে উঠে এসেছে, প্রতি তিনজন আমেরিকানের মধ্যে মাত্র একজন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট। চলতি মার্চেই ফক্স নিউজের আরেক জরিপে দেখা যায়, ১০ জনের মধ্যে ছয়জন আমেরিকানই ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি প্রয়োগের বিরোধিতা করছেন। একই সময়ে সিবিএসের জরিপে ১০ জনের মধ্যে ছয়জন ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধেরও বিরোধিতা করেছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ ঘিরেই ‘নো কিংস’ আন্দোলন গড়ে উঠেছে। শুরু থেকেই এ আন্দোলন ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির বিরোধিতা করে আসছে। এ ছাড়া হোয়াইট হাউজের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের হুমকি, স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় কমানো ও পরিবেশ সুরক্ষামূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ বন্ধ করে দেওয়ার মতো বিষয়গুলোকেও আন্দোলনের কেন্দ্রে রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু করা ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধেও যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক জনমত তৈরি হয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভে এই যুদ্ধের বিরুদ্ধে মার্কিনিদের জনমত আরও স্পষ্টভাবে উঠে আসবে।

যখন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরু পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার। তবে বিভিন্ন বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষক বলছেন, প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে
২ ঘণ্টা আগে
আরাঘচি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, পরস্পরবিরোধী অবস্থান এবং সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে কূটনীতিকে দুর্বল করেছে। তারপরও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গুরুত্বের সঙ্গে এই আলোচনায় অংশ নিয়েছে তেহরান।’
২ ঘণ্টা আগে
এক সপ্তাহেরও কম সময়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম লাখ লাখ ফলোয়ার পেয়েছে এবং মূলধারার গণমাধ্যমের দৃষ্টিও আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। শুধু তাই নয়, এর আবির্ভাব প্রবীণ রাজনীতিবিদদেরও নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছে বৈকি।
২ ঘণ্টা আগে
স্বামীর ক্যানসার ধরা পড়ার কথা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা (ডিএনআই) পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করছেন তুলসী গ্যাবার্ড। জুনের শেষে তিনি পদ ছাড়ার কথা বলেছেন।
১০ ঘণ্টা আগে