
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একটি ‘খোলা চিঠি’ ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উদ্দেশে লেখা এই চিঠিতে জেলেনস্কি পুতিনকে সরাসরি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এই খোলা চিঠি নিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেলেনস্কির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক হওয়াকে একটি ‘দারুণ’ বিষয় হবে বলে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই চিঠিকে প্রায় পাত্তাই দেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসার কোনো ‘অর্থ খুঁজে পাচ্ছেন না’ তিনি।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। মার্কিন থিংকট্যাংক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এ যুদ্ধে দুপক্ষের হতাহত ও নিখোঁজ সেনার সংখ্যা ১৮ লাখের বেশি, যা একে স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ প্রাণঘাতী সংঘাতে পরিণত করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে দুপক্ষের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠক করেছেন। কিন্তু পুতিন ও জেলেনস্কিকে এক টেবিলে বসাতে পারেননি। দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতার নানা চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত জেলেনস্কি নিজেই খোলা চিঠি লিখে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক আহ্বান করেছেন।
বৃহস্পতিবার ভলোদিমির জেলেনস্কি পুতিনের উদ্দেশে এই খোলা চিঠিটি পাঠান। চিঠিতে তিনি বলেন, রাশিয়ার জনগণই এখন যুদ্ধ বন্ধের জন্য পুতিনের ওপর চাপ তৈরি করছে। তিনি পুতিনকে সরাসরি যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে মুখোমুখি বসার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন, যা নিয়ে এখন বিশ্ব জুড়ে আলোচনা চলছে।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া: ‘বৈঠক হওয়া দারুণ হবে’
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এই খোলা চিঠির বিষয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার দুই শীর্ষ নেতা যদি মুখোমুখি বৈঠকে বসেন, তবে সেটি হবে একটি ‘দারুণ উদ্যোগ’। ট্রাম্পের মতে, এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে উভয় পক্ষকেই কিছু না কিছু ছাড় বা সমঝোতা করতে হবে। তিনি দাবি করেন, এই ধরনের ছাড় বা সমঝোতার প্রস্তাব তিনি নিজেই আগে দিয়েছিলেন।
একই সঙ্গে ইউক্রেন সংকটে মার্কিন ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ছাড়া আজ ইউক্রেনের কোনো অস্তিত্বই থাকত না। এ প্রসঙ্গে তিনি তার নিজের প্রেসিডেন্ট মেয়াদের কথা উল্লেখ করে জানান, তার প্রশাসনের সময়ই ইউক্রেনকে শক্তিশালী ট্যাংক-বিধ্বংসী অস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছিল, যা তাদের প্রতিরক্ষায় বড় ভূমিকা রেখেছে।
পুতিনের অনীহা: ‘চিঠির লেখকে’র সঙ্গে বৈঠকের যৌক্তিকতা নেই
এদিকে ভলোদিমির জেলেনস্কির এই বহুল আলোচিত খোলা চিঠি নিয়ে মুখ খুলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। তবে পুরো বক্তব্য জুড়ে তিনি একবারের জন্যও জেলেনস্কির নাম উচ্চারণ করেননি; বরং তাকে ‘এই চিঠির লেখক’ বলে সম্বোধন করেন।
চিঠির প্রতিক্রিয়ায় পুতিন জানান, গতকালই তাকে চিঠিটি দেখানো হয়েছিল, তবে ব্যস্ততার কারণে তখন বিস্তারিত দেখার সুযোগ পাননি। আজ (শুক্রবার) সকালে তিনি চিঠির ওপর কেবল ‘একবার চোখ বুলিয়েছেন’।
চিঠিটির কয়েকটি বিষয়ের দিকে নজর গেছে উল্লেখ করে পুতিন কিছুটা কটাক্ষের সুরে বলেন, চিঠিতে তার (পুতিন) বয়সের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর জবাবে পুতিন বলেন, বয়স গুরুত্বপূর্ণ ঠিকই, তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো— কেউ তার কাজটা ঠিকঠাকমতো করতে পারছে কি না।
পুতিন আরও প্রকাশ করেন যে, সম্প্রতি একজন রুশ ব্যবসায়ী কিয়েভে জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, তিনি নিজে কখনোই আলোচনার টেবিলে বসতে অস্বীকৃতি জানাননি, তবে শুধু বসার খাতিরে বসার কোনো মানে হয় না।
মুখোমুখি বৈঠকের ব্যাপারে পুতিন স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমাদের প্রয়োজন একটি স্থায়ী চুক্তি ও সমঝোতা। এমন কোনো চুক্তি নয় যা মাত্র ছয় মাস বা এক বছরের জন্য টিকবে, বরং আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সমাধান দরকার। তবে সবকিছুর আগে আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট সমাধানে পৌঁছাতে হবে এবং সেটাই হচ্ছে আসল বিষয়।’
জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কি না— এমন প্রশ্নে পুতিন সরাসরি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমি এর কোনো অর্থ বা যৌক্তিকতা দেখছি না।’
ইউক্রেনের আচরণে পুতিনের অসন্তোষ
পুতিন তার বক্তব্যে ইউক্রেনীয় প্রশাসনের একটি কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মধ্যস্থতাকারী (গ্যারান্টার) হিসেবে ভূমিকা রাখুক— ইউক্রেন কেন তা চাইছে না, সেটি তার বোধগম্য নয়। ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি ডোনাল্ডের প্রতি কৃতজ্ঞ, তবে এখনো অনেক কাজ বাকি আছে।’
এ ছাড়া এই ধরনের চিঠি বা আলোচনার প্রস্তাবকে ইউক্রেন যেভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে, তার তীব্র সমালোচনা করেন পুতিন। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার এই গোপনীয়তা ভঙ্গ করা এবং বিষয়টিকে প্রকাশ্য (পাবলিক) করে ফেলাটা সম্পূর্ণ ‘ভুল’ ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ভলোদিমির জেলেনস্কির খোলা চিঠিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শীর্ষ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বৈঠকের মাধ্যমে যে ন্যূনতম আশার আলো দেখা যাচ্ছিল, পুতিনের প্রতিক্রিয়ার সে আশার আলো স্পষ্টতই নিভে গেছে।
সূত্র: স্কাই নিউজ, কিয়েভ পোস্ট, সিনহুয়া

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির একটি ‘খোলা চিঠি’ ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের উদ্দেশে লেখা এই চিঠিতে জেলেনস্কি পুতিনকে সরাসরি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে এই খোলা চিঠি নিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেলেনস্কির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক হওয়াকে একটি ‘দারুণ’ বিষয় হবে বলে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই চিঠিকে প্রায় পাত্তাই দেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই মুহূর্তে ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বসার কোনো ‘অর্থ খুঁজে পাচ্ছেন না’ তিনি।
চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। মার্কিন থিংকট্যাংক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এ যুদ্ধে দুপক্ষের হতাহত ও নিখোঁজ সেনার সংখ্যা ১৮ লাখের বেশি, যা একে স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ প্রাণঘাতী সংঘাতে পরিণত করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘাতের অবসান ঘটাতে দুপক্ষের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠক করেছেন। কিন্তু পুতিন ও জেলেনস্কিকে এক টেবিলে বসাতে পারেননি। দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতার নানা চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শেষ পর্যন্ত জেলেনস্কি নিজেই খোলা চিঠি লিখে রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক আহ্বান করেছেন।
বৃহস্পতিবার ভলোদিমির জেলেনস্কি পুতিনের উদ্দেশে এই খোলা চিঠিটি পাঠান। চিঠিতে তিনি বলেন, রাশিয়ার জনগণই এখন যুদ্ধ বন্ধের জন্য পুতিনের ওপর চাপ তৈরি করছে। তিনি পুতিনকে সরাসরি যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে মুখোমুখি বসার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন, যা নিয়ে এখন বিশ্ব জুড়ে আলোচনা চলছে।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া: ‘বৈঠক হওয়া দারুণ হবে’
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের এই খোলা চিঠির বিষয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার দুই শীর্ষ নেতা যদি মুখোমুখি বৈঠকে বসেন, তবে সেটি হবে একটি ‘দারুণ উদ্যোগ’। ট্রাম্পের মতে, এই যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে উভয় পক্ষকেই কিছু না কিছু ছাড় বা সমঝোতা করতে হবে। তিনি দাবি করেন, এই ধরনের ছাড় বা সমঝোতার প্রস্তাব তিনি নিজেই আগে দিয়েছিলেন।
একই সঙ্গে ইউক্রেন সংকটে মার্কিন ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ছাড়া আজ ইউক্রেনের কোনো অস্তিত্বই থাকত না। এ প্রসঙ্গে তিনি তার নিজের প্রেসিডেন্ট মেয়াদের কথা উল্লেখ করে জানান, তার প্রশাসনের সময়ই ইউক্রেনকে শক্তিশালী ট্যাংক-বিধ্বংসী অস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছিল, যা তাদের প্রতিরক্ষায় বড় ভূমিকা রেখেছে।
পুতিনের অনীহা: ‘চিঠির লেখকে’র সঙ্গে বৈঠকের যৌক্তিকতা নেই
এদিকে ভলোদিমির জেলেনস্কির এই বহুল আলোচিত খোলা চিঠি নিয়ে মুখ খুলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। তবে পুরো বক্তব্য জুড়ে তিনি একবারের জন্যও জেলেনস্কির নাম উচ্চারণ করেননি; বরং তাকে ‘এই চিঠির লেখক’ বলে সম্বোধন করেন।
চিঠির প্রতিক্রিয়ায় পুতিন জানান, গতকালই তাকে চিঠিটি দেখানো হয়েছিল, তবে ব্যস্ততার কারণে তখন বিস্তারিত দেখার সুযোগ পাননি। আজ (শুক্রবার) সকালে তিনি চিঠির ওপর কেবল ‘একবার চোখ বুলিয়েছেন’।
চিঠিটির কয়েকটি বিষয়ের দিকে নজর গেছে উল্লেখ করে পুতিন কিছুটা কটাক্ষের সুরে বলেন, চিঠিতে তার (পুতিন) বয়সের কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে বয়স একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর জবাবে পুতিন বলেন, বয়স গুরুত্বপূর্ণ ঠিকই, তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো— কেউ তার কাজটা ঠিকঠাকমতো করতে পারছে কি না।
পুতিন আরও প্রকাশ করেন যে, সম্প্রতি একজন রুশ ব্যবসায়ী কিয়েভে জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। তিনি দাবি করেন, তিনি নিজে কখনোই আলোচনার টেবিলে বসতে অস্বীকৃতি জানাননি, তবে শুধু বসার খাতিরে বসার কোনো মানে হয় না।
মুখোমুখি বৈঠকের ব্যাপারে পুতিন স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমাদের প্রয়োজন একটি স্থায়ী চুক্তি ও সমঝোতা। এমন কোনো চুক্তি নয় যা মাত্র ছয় মাস বা এক বছরের জন্য টিকবে, বরং আমাদের দীর্ঘমেয়াদী সমাধান দরকার। তবে সবকিছুর আগে আমাদের একটি সুনির্দিষ্ট সমাধানে পৌঁছাতে হবে এবং সেটাই হচ্ছে আসল বিষয়।’
জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কি না— এমন প্রশ্নে পুতিন সরাসরি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমি এর কোনো অর্থ বা যৌক্তিকতা দেখছি না।’
ইউক্রেনের আচরণে পুতিনের অসন্তোষ
পুতিন তার বক্তব্যে ইউক্রেনীয় প্রশাসনের একটি কূটনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন মধ্যস্থতাকারী (গ্যারান্টার) হিসেবে ভূমিকা রাখুক— ইউক্রেন কেন তা চাইছে না, সেটি তার বোধগম্য নয়। ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি ডোনাল্ডের প্রতি কৃতজ্ঞ, তবে এখনো অনেক কাজ বাকি আছে।’
এ ছাড়া এই ধরনের চিঠি বা আলোচনার প্রস্তাবকে ইউক্রেন যেভাবে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে, তার তীব্র সমালোচনা করেন পুতিন। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার এই গোপনীয়তা ভঙ্গ করা এবং বিষয়টিকে প্রকাশ্য (পাবলিক) করে ফেলাটা সম্পূর্ণ ‘ভুল’ ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ভলোদিমির জেলেনস্কির খোলা চিঠিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শীর্ষ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বৈঠকের মাধ্যমে যে ন্যূনতম আশার আলো দেখা যাচ্ছিল, পুতিনের প্রতিক্রিয়ার সে আশার আলো স্পষ্টতই নিভে গেছে।
সূত্র: স্কাই নিউজ, কিয়েভ পোস্ট, সিনহুয়া

অবৈধ বসতি স্থাপন এবং জনসংখ্যার ভারসাম্য পরিবর্তনের (ডেমোগ্রাফিক চেইঞ্জ) বিষয়ে স্থানীয় আদিবাসী সংগঠনগুলোর চাপের মুখে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ সরকার। রাজ্যের ইটানগর ক্যাপিটাল রিজিয়ন (আইসিআর) এলাকায় চিহ্নিত ১৫টি ‘অননুমোদিত’ মসজিদ সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৬০ বছরে বিশ্বব্যাপী মাংসের সরবরাহ চার গুণ বেড়েছে এবং এই বৃদ্ধির ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরান থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পেতে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শ্রীলঙ্কার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি অনিবন্ধিত বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৮ জন আহত হয়েছেন। তবে আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বৃদ্ধাশ্রমটি রাজধানী কলম্বো থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে আঙ্গুরুওয়াতোতা শহরে অবস্থিত।
১০ ঘণ্টা আগে