
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশ বাতিল করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ৬-৩ ভোটের রায়ে আদালত বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর পরিপন্থি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্বের সাংবিধানিক অধিকার বহাল থাকল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই এক নির্বাহী আদেশে অবৈধ অভিবাসী ও অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব না দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট অ্যাটর্নি জেনারেল ও নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো আদালতে এ আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করে।
মামলার শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট রায়ে জানান, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নেওয়া ব্যক্তির নাগরিকত্বের অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে। আদালত আরও উল্লেখ করেন, প্রায় ১২৮ বছর আগে ‘ইউনাইটেড স্টেটস ভার্সেস ওং কিম আর্ক’ মামলায় দেওয়া ঐতিহাসিক রায়েও এই সাংবিধানিক নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি ছিল, জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার কেবল তাদের সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাদের মা-বাবার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাস বা ‘ডোমিসাইল’ রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে এমন কোনো শর্তের উল্লেখ নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়টি লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, নাগরিকত্ব তখন এবং এখনো অধিকারের অংশ। অর্থাৎ আমাদের রাজনৈতিক সম্প্রদায়ে অবাধে অংশগ্রহণের অধিকার। চতুর্দশ সংশোধনীর প্রণেতারা এর মাধ্যমে এ দেশে জন্মগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সুযোগ প্রসারিত করেছিলেন। আমরা আজ সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি।
এর আগে সোমবারও সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের জন্য ছিল এক নাটকীয় দিন। এ দিন চারটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় প্রকাশ করেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত, যার মধ্যে একটি রায়ে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের নির্বাহী ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বাকি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আদালত তার অবস্থানের বিপক্ষে রায় দেন।
রায় ঘোষণার পর ডেমোক্র্যাট নেতা ও বিভিন্ন নাগরিক অধিকার সংগঠন এটিকে সংবিধান ও গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সেন্টার ফর আমেরিকান প্রোগ্রেসের সিইও নীরা ট্যান্ডেন এক বিবৃতিতে বলেন, এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে কার্যকর থাকা সাংবিধানিক অধিকার বাতিলের চেষ্টা শুধু সংবিধানের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা নয়, বরং তা যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধেরও পরিপন্থি।
দ্য ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপলের (এনএএসিপি) সভাপতি ডেরিক জনসন বলেন, ট্রাম্পের ১৪তম সংশোধনীর ওপর আঘাত বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। আদালত যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের একটি মৌলিক নীতি রক্ষা করেছে।
মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিজ বলেন, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ স্পষ্টতই বেআইনি এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের জীবনধারার ওপর আঘাত।
অন্যদিকে অ্যালেক্স পাডিলা বলেন, এই রায় তার জন্য ব্যক্তিগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তার মা-বাবা প্রথমে অনথিভুক্ত অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এলেও পরে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই রায় উদ্যাপনের হলেও সংবিধান ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের পদক্ষেপ এখানেই শেষ হয়ে যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিল করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা নির্বাহী আদেশ বাতিল করে দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ৬-৩ ভোটের রায়ে আদালত বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর পরিপন্থি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্বের সাংবিধানিক অধিকার বহাল থাকল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই এক নির্বাহী আদেশে অবৈধ অভিবাসী ও অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব না দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট অ্যাটর্নি জেনারেল ও নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো আদালতে এ আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করে।
মামলার শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট রায়ে জানান, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে জন্ম নেওয়া ব্যক্তির নাগরিকত্বের অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে। আদালত আরও উল্লেখ করেন, প্রায় ১২৮ বছর আগে ‘ইউনাইটেড স্টেটস ভার্সেস ওং কিম আর্ক’ মামলায় দেওয়া ঐতিহাসিক রায়েও এই সাংবিধানিক নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি ছিল, জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের অধিকার কেবল তাদের সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাদের মা-বাবার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাস বা ‘ডোমিসাইল’ রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে এমন কোনো শর্তের উল্লেখ নেই।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস রায়টি লিখেছেন। তিনি লিখেছেন, নাগরিকত্ব তখন এবং এখনো অধিকারের অংশ। অর্থাৎ আমাদের রাজনৈতিক সম্প্রদায়ে অবাধে অংশগ্রহণের অধিকার। চতুর্দশ সংশোধনীর প্রণেতারা এর মাধ্যমে এ দেশে জন্মগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য সুযোগ প্রসারিত করেছিলেন। আমরা আজ সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি।
এর আগে সোমবারও সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের জন্য ছিল এক নাটকীয় দিন। এ দিন চারটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় প্রকাশ করেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত, যার মধ্যে একটি রায়ে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের নির্বাহী ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বাকি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আদালত তার অবস্থানের বিপক্ষে রায় দেন।
রায় ঘোষণার পর ডেমোক্র্যাট নেতা ও বিভিন্ন নাগরিক অধিকার সংগঠন এটিকে সংবিধান ও গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সেন্টার ফর আমেরিকান প্রোগ্রেসের সিইও নীরা ট্যান্ডেন এক বিবৃতিতে বলেন, এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে কার্যকর থাকা সাংবিধানিক অধিকার বাতিলের চেষ্টা শুধু সংবিধানের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা নয়, বরং তা যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যবোধেরও পরিপন্থি।
দ্য ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপলের (এনএএসিপি) সভাপতি ডেরিক জনসন বলেন, ট্রাম্পের ১৪তম সংশোধনীর ওপর আঘাত বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। আদালত যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের একটি মৌলিক নীতি রক্ষা করেছে।
মার্কিন কংগ্রেসের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিজ বলেন, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ স্পষ্টতই বেআইনি এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের জীবনধারার ওপর আঘাত।
অন্যদিকে অ্যালেক্স পাডিলা বলেন, এই রায় তার জন্য ব্যক্তিগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তার মা-বাবা প্রথমে অনথিভুক্ত অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এলেও পরে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই রায় উদ্যাপনের হলেও সংবিধান ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের পদক্ষেপ এখানেই শেষ হয়ে যায়নি।

নাইটনের ভাষ্য, বিপুল সেনা মোতায়েন করেও রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না। পশ্চিমা কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ব্রিকস সম্মেলন সামনে রেখেই তিন দিনের সফরে ভারত গেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার নয়াদিল্লি সফর ভারতের জন্য একই সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কয়েক দশক ধরে রাশিয়া ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার। ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় একটি অংশ ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়া থেকে এসেছ
১০ ঘণ্টা আগে
তবে দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতায় বিশ্লেষকরা বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে এসব কাঠামো শক্তিশালী ও সুরক্ষিত মনে হলেও এর মধ্যে থেকে গেছে গুরুতর দুর্বলতা। সেই দুর্বলতাই নতুন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
সদস্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্বার্থের বৈচিত্র্যও। ফলে ব্রিকসকে এখন একই সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম, বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর এবং পশ্চিমানির্ভর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে নিজেদের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে