
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন সেনাদের আটক বা হত্যা করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে পারলে প্রায় ৩০ হাজার ডলার (৫ বিলিয়ন ইরানি তোমান) পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কোনো নারী এ ধরনের কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ পুরস্কার দেওয়া হবে।
ফ্রান্স ২৪-এর খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি গতকাল রোববার এই পুরস্কারের ঘোষণা দেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে তিনি বলেন, মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযানে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে অনেকেই যোগাযোগ করেছেন।
‘বিপুলসংখ্যক অনুরোধে’র পর এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান হাতামি। তবে মার্কিন সেনাদের কোথায় বা কখন হত্যা কিংবা আটকের চেষ্টা চালানো হবে, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের সময় ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনীর সদস্য মোতায়েনের কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে এপ্রিলে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর একজন মার্কিন বিমানসেনাকে উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছিল।
হাতামি বলেন, ‘যে কেউ কোনো আগ্রাসী মার্কিন সামরিক সদস্যকে হত্যা বা আটক করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে ৩০ হাজার ডলার বা ৫ বিলিয়ন তোমান পুরস্কার দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, সাহসী ইরানি নারীরা যদি এমন কোনো কাজ করেন, তাহলে তারা দ্বিগুণ পুরস্কার পাবেন। ইরানে প্রচলিত একটি অনানুষ্ঠানিক মুদ্রা তোমান, যার একক ১০ হাজার ইরানি রিয়ালের সমান।
ইরানের সেনাপ্রধান একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর কিংবা হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের অনুমতি তাদের আর নেই।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর এক মাসের কিছু বেশি সময় পর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের অস্ত্র ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে উদ্ধারে বড় ধরনের অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানি বাহিনীর আগে ওই বিমানসেনাকে খুঁজে বের করতে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা ও ১৭০টির বেশি উড়োজাহাজ অভিযানে অংশ নেয়। উদ্ধার অভিযান চলাকালে ইরানের সেনারা একটি এ-১০ স্থল আক্রমণকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত করে। পরে বিমানটি নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
ওই অভিযানে ব্যবহৃত একটি সি-১৩০ পরিবহন বিমানসহ কয়েকটি উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্র পরিত্যাগ ও ধ্বংস করেছে বলেও খবর পাওয়া যায়। এর কয়েক দিন আগে এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটকে একটি হেলিকপ্টার দল অপেক্ষাকৃত ছোট একটি অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করেছিল।
প্রায় ৪০ দিন ধরে লড়াই চলার পর এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত সাময়িকভাবে থামে। এরপর জুনে শান্তি আলোচনা শুরুর জন্য একটি কাঠামো তৈরি হলেও পরে তা ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে পালটাপালটি হামলা হয়েছে। এসব লড়াইয়ের কেন্দ্র ছিল মূলত দক্ষিণ ইরান ও হরমুজ প্রণালির আশপাশের এলাকা।
মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে কূটনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরান যুদ্ধের ক্ষতিপূরণসহ বেশ কিছু শর্তও দিয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে জুলাইয়ে। নিহত সবাই ইরানের বাইরে, জর্ডান ও ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে প্রাণ হারিয়েছেন।

মার্কিন সেনাদের আটক বা হত্যা করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে পারলে প্রায় ৩০ হাজার ডলার (৫ বিলিয়ন ইরানি তোমান) পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কোনো নারী এ ধরনের কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ পুরস্কার দেওয়া হবে।
ফ্রান্স ২৪-এর খবরে বলা হয়েছে, ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি গতকাল রোববার এই পুরস্কারের ঘোষণা দেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে তিনি বলেন, মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযানে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে অনেকেই যোগাযোগ করেছেন।
‘বিপুলসংখ্যক অনুরোধে’র পর এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান হাতামি। তবে মার্কিন সেনাদের কোথায় বা কখন হত্যা কিংবা আটকের চেষ্টা চালানো হবে, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের সময় ইরানে মার্কিন স্থলবাহিনীর সদস্য মোতায়েনের কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে এপ্রিলে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর একজন মার্কিন বিমানসেনাকে উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়েছিল।
হাতামি বলেন, ‘যে কেউ কোনো আগ্রাসী মার্কিন সামরিক সদস্যকে হত্যা বা আটক করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করলে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাকে ৩০ হাজার ডলার বা ৫ বিলিয়ন তোমান পুরস্কার দেওয়া হবে।’
তিনি আরও বলেন, সাহসী ইরানি নারীরা যদি এমন কোনো কাজ করেন, তাহলে তারা দ্বিগুণ পুরস্কার পাবেন। ইরানে প্রচলিত একটি অনানুষ্ঠানিক মুদ্রা তোমান, যার একক ১০ হাজার ইরানি রিয়ালের সমান।
ইরানের সেনাপ্রধান একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগর, ওমান উপসাগর কিংবা হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের অনুমতি তাদের আর নেই।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধ শুরুর এক মাসের কিছু বেশি সময় পর একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের অস্ত্র ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে উদ্ধারে বড় ধরনের অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানি বাহিনীর আগে ওই বিমানসেনাকে খুঁজে বের করতে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা ও ১৭০টির বেশি উড়োজাহাজ অভিযানে অংশ নেয়। উদ্ধার অভিযান চলাকালে ইরানের সেনারা একটি এ-১০ স্থল আক্রমণকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত করে। পরে বিমানটি নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়।
ওই অভিযানে ব্যবহৃত একটি সি-১৩০ পরিবহন বিমানসহ কয়েকটি উড়োজাহাজ যুক্তরাষ্ট্র পরিত্যাগ ও ধ্বংস করেছে বলেও খবর পাওয়া যায়। এর কয়েক দিন আগে এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের পাইলটকে একটি হেলিকপ্টার দল অপেক্ষাকৃত ছোট একটি অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করেছিল।
প্রায় ৪০ দিন ধরে লড়াই চলার পর এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সংঘাত সাময়িকভাবে থামে। এরপর জুনে শান্তি আলোচনা শুরুর জন্য একটি কাঠামো তৈরি হলেও পরে তা ভেঙে পড়ে। এরপর থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিক্ষিপ্তভাবে পালটাপালটি হামলা হয়েছে। এসব লড়াইয়ের কেন্দ্র ছিল মূলত দক্ষিণ ইরান ও হরমুজ প্রণালির আশপাশের এলাকা।
মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ যোগাযোগ এখনো অব্যাহত রয়েছে। তবে কূটনৈতিক সমাধানের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরান যুদ্ধের ক্ষতিপূরণসহ বেশ কিছু শর্তও দিয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৭ জন মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে জুলাইয়ে। নিহত সবাই ইরানের বাইরে, জর্ডান ও ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে প্রাণ হারিয়েছেন।

নাইটনের ভাষ্য, বিপুল সেনা মোতায়েন করেও রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না। পশ্চিমা কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
ব্রিকস সম্মেলন সামনে রেখেই তিন দিনের সফরে ভারত গেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার নয়াদিল্লি সফর ভারতের জন্য একই সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কয়েক দশক ধরে রাশিয়া ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার। ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় একটি অংশ ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়া থেকে এসেছ
১১ ঘণ্টা আগে
তবে দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতায় বিশ্লেষকরা বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে এসব কাঠামো শক্তিশালী ও সুরক্ষিত মনে হলেও এর মধ্যে থেকে গেছে গুরুতর দুর্বলতা। সেই দুর্বলতাই নতুন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সদস্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্বার্থের বৈচিত্র্যও। ফলে ব্রিকসকে এখন একই সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম, বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর এবং পশ্চিমানির্ভর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে নিজেদের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে