
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার নাকাশীপাড়া ব্লকের সাবেক কংগ্রেস সভাপতি আনিসুর রহমান ও তার ছেলে আবু সুফিয়ানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শনিবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে তাদের গাড়ি আটকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জের, নাকি পুরোনো জমি নিয়ে বিরোধ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নদিয়ার হরনগর পঞ্চায়েতের প্রধান ফতেমা বিবিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হলে বিচারক নয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও অন্য জড়িতদের শনাক্ত করতে নাকাশীপাড়া থানা পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নদিয়ার বেথুয়াডহরি বাজার থেকে চারচাকা গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন নদিয়া জেলা কংগ্রেসের কার্যকরী সদস্য আনিসুর রহমান ও তার আইন পড়ুয়া ছেলে আবু সুফিয়ান। বাড়ির কাছাকাছি নাগাদি এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাদের গাড়ির গতিরোধ করে।
এরপর গুলি চালিয়ে বাবা-ছেলেকে আহত করার পর গাড়ি থেকে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, বাবার সঙ্গে থাকার কারণে এবং পরবর্তী সময়ে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেও আবু সুফিয়ানকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নিহতের পরিবার স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা জুব্বার শেখ ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছে। একসময় বামপন্থি রাজনৈতিক দল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিএম) থেকে তৃণমূলে আসা জুব্বার শেখ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তবে তার দলবলই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি পরিবারের।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে, এলাকাটিতে সম্প্রতি আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে কংগ্রেসের প্রভাব বাড়ছিল। এতে স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনায় মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। তবে তদন্তে রাজনৈতিক বিরোধের পাশাপাশি জমি নিয়ে পুরোনো বিবাদের বিষয়টিও সামনে এসেছে।
নিহতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও কংগ্রেস কর্মী খাইরুল শেখ জানান, আনিসুরের এক আত্মীয়ের প্রায় ১২ বিঘা জমি জোর করে দখল ও সেখানে চাষাবাদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পুলিশ সূত্রেও বলা হয়েছে, আনিসুরের ওপর আগে থেকেই নজর ছিল। ফলে জমি-সংক্রান্ত শত্রুতাই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভূমিকা রেখেছে কি না, তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, অমিতাভ চক্রবর্তী ও জেলা কংগ্রেস নেতা পার্থ মুখোপাধ্যায়। পরে শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘বিজেপির মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে। দলীয় স্বার্থে মুসলমানদের ব্যবহার করা হচ্ছে, আর মাশুল দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।’
এদিকে মরদেহ পরিবারের হাতে তুলে দিতে গাফিলতির অভিযোগে কংগ্রেস কর্মীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে ম্যাজিস্ট্রেট আসার পর মর্গ থেকে মরদেহ ছাড়ানো হয়। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস) হাসপাতালে তা সম্পন্ন হয়।

পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার নাকাশীপাড়া ব্লকের সাবেক কংগ্রেস সভাপতি আনিসুর রহমান ও তার ছেলে আবু সুফিয়ানের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। শনিবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে তাদের গাড়ি আটকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার নেপথ্যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জের, নাকি পুরোনো জমি নিয়ে বিরোধ, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নদিয়ার হরনগর পঞ্চায়েতের প্রধান ফতেমা বিবিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কৃষ্ণনগর আদালতে তোলা হলে বিচারক নয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও অন্য জড়িতদের শনাক্ত করতে নাকাশীপাড়া থানা পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নদিয়ার বেথুয়াডহরি বাজার থেকে চারচাকা গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন নদিয়া জেলা কংগ্রেসের কার্যকরী সদস্য আনিসুর রহমান ও তার আইন পড়ুয়া ছেলে আবু সুফিয়ান। বাড়ির কাছাকাছি নাগাদি এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাদের গাড়ির গতিরোধ করে।
এরপর গুলি চালিয়ে বাবা-ছেলেকে আহত করার পর গাড়ি থেকে নামিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, বাবার সঙ্গে থাকার কারণে এবং পরবর্তী সময়ে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেও আবু সুফিয়ানকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নিহতের পরিবার স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা জুব্বার শেখ ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ তুলেছে। একসময় বামপন্থি রাজনৈতিক দল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিএম) থেকে তৃণমূলে আসা জুব্বার শেখ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তবে তার দলবলই পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি পরিবারের।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে, এলাকাটিতে সম্প্রতি আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে কংগ্রেসের প্রভাব বাড়ছিল। এতে স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে অস্বস্তি তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। ঘটনায় মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। তবে তদন্তে রাজনৈতিক বিরোধের পাশাপাশি জমি নিয়ে পুরোনো বিবাদের বিষয়টিও সামনে এসেছে।
নিহতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও কংগ্রেস কর্মী খাইরুল শেখ জানান, আনিসুরের এক আত্মীয়ের প্রায় ১২ বিঘা জমি জোর করে দখল ও সেখানে চাষাবাদ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। পুলিশ সূত্রেও বলা হয়েছে, আনিসুরের ওপর আগে থেকেই নজর ছিল। ফলে জমি-সংক্রান্ত শত্রুতাই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ভূমিকা রেখেছে কি না, তা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, অমিতাভ চক্রবর্তী ও জেলা কংগ্রেস নেতা পার্থ মুখোপাধ্যায়। পরে শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘বিজেপির মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে। দলীয় স্বার্থে মুসলমানদের ব্যবহার করা হচ্ছে, আর মাশুল দিচ্ছে সাধারণ মানুষ।’
এদিকে মরদেহ পরিবারের হাতে তুলে দিতে গাফিলতির অভিযোগে কংগ্রেস কর্মীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। পরে ম্যাজিস্ট্রেট আসার পর মর্গ থেকে মরদেহ ছাড়ানো হয়। কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস) হাসপাতালে তা সম্পন্ন হয়।

নাইটনের ভাষ্য, বিপুল সেনা মোতায়েন করেও রুশ বাহিনী ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করতে পারছে না। পশ্চিমা কর্মকর্তা ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরে রুশ বাহিনীর অগ্রযাত্রার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ব্রিকস সম্মেলন সামনে রেখেই তিন দিনের সফরে ভারত গেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার নয়াদিল্লি সফর ভারতের জন্য একই সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। কয়েক দশক ধরে রাশিয়া ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক অংশীদার। ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় একটি অংশ ঐতিহাসিকভাবে রাশিয়া থেকে এসেছ
১১ ঘণ্টা আগে
তবে দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতায় বিশ্লেষকরা বলছেন, আপাতদৃষ্টিতে এসব কাঠামো শক্তিশালী ও সুরক্ষিত মনে হলেও এর মধ্যে থেকে গেছে গুরুতর দুর্বলতা। সেই দুর্বলতাই নতুন ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সদস্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে স্বার্থের বৈচিত্র্যও। ফলে ব্রিকসকে এখন একই সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম, বৈশ্বিক দক্ষিণের রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর এবং পশ্চিমানির্ভর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে নিজেদের ভূমিকা নির্ধারণ করতে হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে