
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। সরকারি হিসাবেই নিখোঁজ এখনো প্রায় আড়াই হাজার মানুষ। তেমনই নিখোঁজ ছিল পাঁচ বছর বয়সী শিশু মনীষা। আকস্মিক বন্যার আঘাতের পর তার মা-বাবাকে উদ্ধার করা হয় আগেই। গুরুতর আহত অবস্থায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সংজ্ঞা ফিরলে নিজেদের শারীরিক অসুস্থতা ছাপিয়েও মেয়ের জন্য হয়ে পড়েছিলেন পাগলপারা।
দুই দিন পর শেষ পর্যন্ত সন্ধান মিলেছে মনীষার। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের রুসওয়া জেলার সিয়াব্রুবেশি এলাকায় জীবিতদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছিলেন উদ্ধার কর্মীরা। হঠাৎ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তারা ক্ষীণ একটি শব্দ শুনতে পান। প্রথমে সেটিকে বিড়ালের ডাক ভেবে অগ্রাহ্যও করতে বসেছিলেন। পরে তারা ধারণা করেন, কোনো প্রাণী নয়, মানুষেরই শব্দ সেটি।
সেই ধারণা থেকেই শুরু হয় তল্লাশি। নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা সঞ্জু খাত্রির নেতৃত্বে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মনীষাকে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে, মা-বাবার কাছে। এ সময় এক আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়।
উদ্ধারের সময় মনীষা বেঁচে থাকলেও প্রায় নিস্তেজ অবস্থায় ছিল। উদ্ধার কর্মীরা দ্রুত তাকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেই মুহূর্তে তাকে উড়িয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তাকে নেওয়া হয় উদ্ধারকারী দলের ক্যাম্পে। সেখানে তাকে পানি পান করানো হয়।
কিছুক্ষণ পর ধীরে ধীরে জ্ঞান ফেরে মনীষার। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে শক্তি ফেরাতে তাকে দেওয়া হয় সেদ্ধ চালের মাড়। শনিবার বিকেলে আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে এলে হেলিকপ্টারে করে মনীষাকে কাঠমান্ডুর টিচিং হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভর্তি করা হয় শিশুদের জরুরি বিভাগে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে মনীষা। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে দীর্ঘ সময় আটকে থাকার ভয়াবহ অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে সে চরম বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিল। সে ট্রমাও অবশ্য খুব ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই হাসপাতালেই মা-বাবার সঙ্গে দেখা হয় মনীষার।
শুক্রবার উদ্ধার হওয়ার পর শনিবার কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হলেও সে খবর জানাজানি হয়েছে আজ রোববার (৩০ আগস্ট)। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ার পরই চিকিৎসকরা তার কথা জানিয়েছেন সাংবাদিকদের।
দুদিন আগে যে শিশুটির অস্তিত্বও ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ নিশ্চিতভাবে জানতেন না, একটি ক্ষীণ শব্দ শেষ পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়ার পথ দেখায়। সেই শব্দই যেন হয়ে ওঠে পাঁচ বছরের মনীষার বেঁচে থাকার খবর— আর ভয়াবহ বন্যার ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে একটি পরিবারের জন্য ফিরিয়ে আনে স্বস্তির মুহূর্ত।
নেপালের আকস্মিক এ বন্যায় নিহতের সংখ্যা এরই মধ্যে ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি হিসাবে নিখোঁজ রয়েছেন দুই হাজার ৪৯৮ জন। এ ছাড়া আট হাজার ১৮৬ জনকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ২০ হাজার সদস্য উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত রয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়া

নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি। সরকারি হিসাবেই নিখোঁজ এখনো প্রায় আড়াই হাজার মানুষ। তেমনই নিখোঁজ ছিল পাঁচ বছর বয়সী শিশু মনীষা। আকস্মিক বন্যার আঘাতের পর তার মা-বাবাকে উদ্ধার করা হয় আগেই। গুরুতর আহত অবস্থায় তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সংজ্ঞা ফিরলে নিজেদের শারীরিক অসুস্থতা ছাপিয়েও মেয়ের জন্য হয়ে পড়েছিলেন পাগলপারা।
দুই দিন পর শেষ পর্যন্ত সন্ধান মিলেছে মনীষার। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের রুসওয়া জেলার সিয়াব্রুবেশি এলাকায় জীবিতদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছিলেন উদ্ধার কর্মীরা। হঠাৎ ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তারা ক্ষীণ একটি শব্দ শুনতে পান। প্রথমে সেটিকে বিড়ালের ডাক ভেবে অগ্রাহ্যও করতে বসেছিলেন। পরে তারা ধারণা করেন, কোনো প্রাণী নয়, মানুষেরই শব্দ সেটি।
সেই ধারণা থেকেই শুরু হয় তল্লাশি। নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা সঞ্জু খাত্রির নেতৃত্বে উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মনীষাকে। তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে, মা-বাবার কাছে। এ সময় এক আবেগঘন দৃশ্য তৈরি হয়।
উদ্ধারের সময় মনীষা বেঁচে থাকলেও প্রায় নিস্তেজ অবস্থায় ছিল। উদ্ধার কর্মীরা দ্রুত তাকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেই মুহূর্তে তাকে উড়িয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে তাকে নেওয়া হয় উদ্ধারকারী দলের ক্যাম্পে। সেখানে তাকে পানি পান করানো হয়।
কিছুক্ষণ পর ধীরে ধীরে জ্ঞান ফেরে মনীষার। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে শক্তি ফেরাতে তাকে দেওয়া হয় সেদ্ধ চালের মাড়। শনিবার বিকেলে আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে এলে হেলিকপ্টারে করে মনীষাকে কাঠমান্ডুর টিচিং হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভর্তি করা হয় শিশুদের জরুরি বিভাগে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে মনীষা। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে দীর্ঘ সময় আটকে থাকার ভয়াবহ অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে সে চরম বিপর্যস্ত অবস্থায় ছিল। সে ট্রমাও অবশ্য খুব ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। এর মধ্যেই হাসপাতালেই মা-বাবার সঙ্গে দেখা হয় মনীষার।
শুক্রবার উদ্ধার হওয়ার পর শনিবার কাঠমান্ডুতে নিয়ে যাওয়া হলেও সে খবর জানাজানি হয়েছে আজ রোববার (৩০ আগস্ট)। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ার পরই চিকিৎসকরা তার কথা জানিয়েছেন সাংবাদিকদের।
দুদিন আগে যে শিশুটির অস্তিত্বও ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ নিশ্চিতভাবে জানতেন না, একটি ক্ষীণ শব্দ শেষ পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়ার পথ দেখায়। সেই শব্দই যেন হয়ে ওঠে পাঁচ বছরের মনীষার বেঁচে থাকার খবর— আর ভয়াবহ বন্যার ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে একটি পরিবারের জন্য ফিরিয়ে আনে স্বস্তির মুহূর্ত।
নেপালের আকস্মিক এ বন্যায় নিহতের সংখ্যা এরই মধ্যে ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে। সরকারি হিসাবে নিখোঁজ রয়েছেন দুই হাজার ৪৯৮ জন। এ ছাড়া আট হাজার ১৮৬ জনকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ২০ হাজার সদস্য উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত রয়েছেন।
সূত্র: বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়া

মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, সাজাপ্রাপ্ত এসব নাগরিকদের মূলত মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, হত্যা, ইসরায়েলের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে বড় একটি অংশকেই ঝুলিয়ে মারা হয়েছে মাদকসংক্রান্ত মামলায়।
১২ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানিয়েছে, প্রধান অভিযুক্তের অতীতেও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার রেকর্ড রয়েছে। ইতিমধ্যে হামলাকারীদের শনাক্ত করা গেছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি খোলা ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য নিরাপদ রয়েছে— যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ নিজেদের হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসির নৌবাহিনী।
১ দিন আগে