
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারের অভিযানকে ‘কাভার অপারেশন’ বা প্রতারণামূলক অভিযান বলে আখ্যায়িত করেছে ইরান। দেশটি বলছে, কথিত এই ‘সাহসী’ অভিযানের নাম করে মার্কিন বাহিনী ইরানের ‘সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম’ চুরির চেষ্টা চালিয়েছিল।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমন অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।
খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পুরো অভিযান নিয়ে অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা রয়েছে। পাইলটের অবস্থানের সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর অবতরণের স্থানের মধ্যেকার বিশাল দূরত্বের বিষয়টি সামনে আনলেই বুঝতে পারবেন।
অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে মুখপাত্র বলেন, তাদের নিখোঁজ ক্রু কোহগিলুয়েহ ও বয়র-আহমদ এবং খুজেস্তান প্রদেশের আশপাশে থাকতে পারে। কিন্তু মার্কিন বাহিনী যেখানে তাদের সৈন্য নামানোর চেষ্টা করেছিল, ওই এলাকাটি মধ্য-ইরানের সেই এলাকা থেকে অনেক দূরে। তাই পাইলট উদ্ধারের নামে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির উদ্দেশ্যেই যে প্রতারণামূলক অভিযান চালানো হয়েছে, সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও মার্কিন এই অভিযানকে ‘ব্যর্থ প্রতারণা ও পালানোর মিশন’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। বাঘাই নিজেও বলেছেন, এ অভিযানটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বিপর্যয়কর’।
গত দুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে অন্যতম আলোচিত বিষয় মার্কিন এই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়া ও এর উদ্ধার অভিযান। গত শুক্রবার এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়। রোববার ট্রাম্প দাবি করেন, এর দ্বিতীয় ক্রু সদস্যকে এক ‘দুঃসাহসিক’ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ইরানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শত্রুপক্ষের নজর এড়িয়ে অবস্থান করছিলেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ওই দ্বিতীয় ক্রু ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পাহাড়ের একটি ফাঁকে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন এবং প্রায় সাত হাজার ফুট উচ্চতার একটি রিজ লাইনে ওঠেন। তার অবস্থান ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ উদ্ধার অভিযানে সিআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা ক্রু সদস্যের অবস্থান শনাক্ত করে সে তথ্য পেন্টাগনের কাছে সরবরাহ করে। এর ভিত্তিতে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। তার মধ্যেই প্রচার করা হয়, ওই ক্রু সদস্যকে খুঁজে পাওয়া গেছে এবং তাকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যেটি করা হয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য।

যুক্তরাষ্ট্রের বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারের অভিযানকে ‘কাভার অপারেশন’ বা প্রতারণামূলক অভিযান বলে আখ্যায়িত করেছে ইরান। দেশটি বলছে, কথিত এই ‘সাহসী’ অভিযানের নাম করে মার্কিন বাহিনী ইরানের ‘সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম’ চুরির চেষ্টা চালিয়েছিল।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (৬ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমন অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।
খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পুরো অভিযান নিয়ে অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা রয়েছে। পাইলটের অবস্থানের সঙ্গে মার্কিন বাহিনীর অবতরণের স্থানের মধ্যেকার বিশাল দূরত্বের বিষয়টি সামনে আনলেই বুঝতে পারবেন।
অভিযান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে মুখপাত্র বলেন, তাদের নিখোঁজ ক্রু কোহগিলুয়েহ ও বয়র-আহমদ এবং খুজেস্তান প্রদেশের আশপাশে থাকতে পারে। কিন্তু মার্কিন বাহিনী যেখানে তাদের সৈন্য নামানোর চেষ্টা করেছিল, ওই এলাকাটি মধ্য-ইরানের সেই এলাকা থেকে অনেক দূরে। তাই পাইলট উদ্ধারের নামে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির উদ্দেশ্যেই যে প্রতারণামূলক অভিযান চালানো হয়েছে, সে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকেও মার্কিন এই অভিযানকে ‘ব্যর্থ প্রতারণা ও পালানোর মিশন’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। বাঘাই নিজেও বলেছেন, এ অভিযানটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বিপর্যয়কর’।
গত দুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে অন্যতম আলোচিত বিষয় মার্কিন এই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়া ও এর উদ্ধার অভিযান। গত শুক্রবার এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হয়। রোববার ট্রাম্প দাবি করেন, এর দ্বিতীয় ক্রু সদস্যকে এক ‘দুঃসাহসিক’ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ইরানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শত্রুপক্ষের নজর এড়িয়ে অবস্থান করছিলেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ওই দ্বিতীয় ক্রু ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পাহাড়ের একটি ফাঁকে আশ্রয় নিয়ে ছিলেন এবং প্রায় সাত হাজার ফুট উচ্চতার একটি রিজ লাইনে ওঠেন। তার অবস্থান ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ উদ্ধার অভিযানে সিআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তারা পাহাড়ে লুকিয়ে থাকা ক্রু সদস্যের অবস্থান শনাক্ত করে সে তথ্য পেন্টাগনের কাছে সরবরাহ করে। এর ভিত্তিতে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। তার মধ্যেই প্রচার করা হয়, ওই ক্রু সদস্যকে খুঁজে পাওয়া গেছে এবং তাকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যেটি করা হয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য।

নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২ দিন আগে