
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকেও মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। এর আগে প্রথম দফা বৈঠকেও নিজ দেশের প্রতিনিধি দলকে তিনিই নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১৯ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) এই প্রতিনিধি দলের পাকিস্তানের পথে রওয়ানা দেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বক্তব্যে ‘নিরাপত্তা শঙ্কা’য় ভ্যান্সের দ্বিতীয় দফা পাকিস্তান সফর নিয়ে অনিশ্চয়ত দেখা দেয়। এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘একমাত্র নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই জে ডি এ সফরে যাচ্ছে না। সে দারুণ একজন মানুষ।’
পরে হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা ট্রাম্পের সে বক্তব্যকে নাকচ করে দেন। পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফা সফরে কে কে যাচ্ছেন, সে তথ্য তুলে ধরেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউজের ওই কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, আগের মতোই জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল যাচ্ছে পাকিস্তানে। এবারও তার সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
যুক্তরাষ্ট্রের এ প্রতিনিধি দল সোমবার (২০ এপ্রিল) ইসলামাবাদের পথে রওয়ানা হবে। সেখানে ইরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রথম ধাপের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী শান্তি চুক্তি আবারও আলোচনা হবে।
এর আগে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) প্রথম দফায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বসেছিল দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়, ভেন্যু ছিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদ। সে দিন দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনাতেও দুপক্ষের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিন পর ৮ এপ্রিল ট্রাম্পের ঘোষণা ও ইরানের সম্মতিতে শুরু হয় যুদ্ধবিরতি। দুই সপ্তাহের সে বিরতি শেষ হচ্ছে আগামী বুধবার (২২ এপ্রিল)। এর আগে দ্বিতীয় দফা বৈঠক থেকে ইতিবাচক কিছুর আশাবাদ করছেন অনেকে।
ট্রাম্পও মার্কিন প্রতিনিধি দল রওয়ানা হওয়ার আগের দিন ইরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বলেছেন, ইরান যদি চুক্তির সুযোগ গ্রহণ না করে, তাদের প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
ইরানের পক্ষ থেকে অবশ্য নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে না। তারাও নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, যতদিন নৌ অবরোধ বহাল থাকবে ততদিন ইরান পাকিস্তানে কোনো আলোচক দল পাঠাবে না। অবরোধ বহাল রেখে আলোচনার টেবিলে বসার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই বলেও জানানো হয় খবরে।

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকেও মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। এর আগে প্রথম দফা বৈঠকেও নিজ দেশের প্রতিনিধি দলকে তিনিই নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, রোববার (১৯ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) এই প্রতিনিধি দলের পাকিস্তানের পথে রওয়ানা দেওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক বক্তব্যে ‘নিরাপত্তা শঙ্কা’য় ভ্যান্সের দ্বিতীয় দফা পাকিস্তান সফর নিয়ে অনিশ্চয়ত দেখা দেয়। এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘একমাত্র নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই জে ডি এ সফরে যাচ্ছে না। সে দারুণ একজন মানুষ।’
পরে হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা ট্রাম্পের সে বক্তব্যকে নাকচ করে দেন। পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফা সফরে কে কে যাচ্ছেন, সে তথ্য তুলে ধরেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউজের ওই কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, আগের মতোই জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল যাচ্ছে পাকিস্তানে। এবারও তার সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
যুক্তরাষ্ট্রের এ প্রতিনিধি দল সোমবার (২০ এপ্রিল) ইসলামাবাদের পথে রওয়ানা হবে। সেখানে ইরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রথম ধাপের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী শান্তি চুক্তি আবারও আলোচনা হবে।
এর আগে গত শনিবার (১১ এপ্রিল) প্রথম দফায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বসেছিল দ্বিপাক্ষিক আলোচনায়, ভেন্যু ছিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদ। সে দিন দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার আলোচনাতেও দুপক্ষের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর ৪০ দিন পর ৮ এপ্রিল ট্রাম্পের ঘোষণা ও ইরানের সম্মতিতে শুরু হয় যুদ্ধবিরতি। দুই সপ্তাহের সে বিরতি শেষ হচ্ছে আগামী বুধবার (২২ এপ্রিল)। এর আগে দ্বিতীয় দফা বৈঠক থেকে ইতিবাচক কিছুর আশাবাদ করছেন অনেকে।
ট্রাম্পও মার্কিন প্রতিনিধি দল রওয়ানা হওয়ার আগের দিন ইরানকে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বলেছেন, ইরান যদি চুক্তির সুযোগ গ্রহণ না করে, তাদের প্রতিটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
ইরানের পক্ষ থেকে অবশ্য নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে না। তারাও নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির ঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, যতদিন নৌ অবরোধ বহাল থাকবে ততদিন ইরান পাকিস্তানে কোনো আলোচক দল পাঠাবে না। অবরোধ বহাল রেখে আলোচনার টেবিলে বসার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই বলেও জানানো হয় খবরে।

ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের শুরু করা যুদ্ধ শেষ করার লক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনায় তেহরানের অন্যতম আলোচক গালিবাফ বলেন, ‘আমরা এখনও চূড়ান্ত আলোচনা থেকে অনেক দূরে’।
১০ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসি জানিয়েছে, আগে নিরাপদ চলাচলের জন্য যে করিডোরটি নির্দিষ্ট করা হয়েছিল, তার ওপরও এখন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। ইরানের বন্দর ও জাহাজগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
১২ ঘণ্টা আগে
‘ওয়াশিংটন যেকোনো মুহূর্তে আবারও হামলা চালাতে পারে। তবে তা মোকাবিলায় মাঠে প্রস্তুত আছে ইরানের সেনারা।’ এসময় তিনি হরমুজ প্রণালি অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে বোকামি ও মূর্খতার সামিল বলেও মন্তব্য করেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউএন উইমেনের মুখপাত্র সোফিয়া ক্যালটর্প বলেন, ইসরায়েলি বিমান হামলা ও স্থল সামরিক অভিযানে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গাজায় ৩৮ হাজারের বেশি নারী ও কন্যাশিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে নারী ২২ হাজারের বেশি, কন্যাশিশু প্রায় ১৬ হাজার।
১৩ ঘণ্টা আগে