
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাজনৈতিকভাবে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বী। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের বিপক্ষে লড়েছেন। তার নীতি ও পরিকল্পনার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। এমনকি ট্রাম্পকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন। অথচ সেই হিলারি ক্লিনটনই এবার গাজা ইস্যুতে ট্রাম্প ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনাকে আকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন!
নিজের লেখা এক মতামত নিবন্ধে হিলারি বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা পরিকল্পনা নিখুঁত নয়, এতে অনেক বিতর্কিত বিষয় রয়েছে। তারপরও বর্তমানে এটিই একমাত্র কার্যকর কাঠামো, যার মাধ্যমে গাজা সংকট থেকে বের হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বিকল্প কোনো কার্যকর পরিকল্পনা এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রকাশিত হয়েছে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের এই মতামত। সেখানে তিনি লিখেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেক দেশ ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে সন্দেহের চোখে দেখছে। কিন্তু অপেক্ষা করার সুযোগ আর নেই।
‘আর কোনো বিকল্প কাঠামো প্রস্তুত হয়ে নেই। কোনো জোট আরও কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে অপেক্ষা করছে না। ২০ দফা পরিকল্পনাটি হয়তো অনেকের পছন্দের নয়, কিন্তু এটিই একমাত্র কাঠামো, যার পেছনে পর্যাপ্ত রাজনৈতিক প্রভাব, কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং প্রয়োজনীয় সম্পদ রয়েছে,’ লিখেছেন ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া হিলারি।
তার ভাষায়, এই পরিকল্পনা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়েছে। পাশাপাশি ‘বোর্ড অব পিস’ ও সাবেক জাতিসংঘ দূত নিকোলাই ম্লাদেনভের রোডম্যাপ গাজার পুনর্গঠন, নতুন শাসনব্যবস্থা ও হামাসের সামরিক অবকাঠামো বিলুপ্ত করার একটি বাস্তবসম্মত পথ দেখাচ্ছে।
ট্রাম্পের পরিকল্পনায় সমর্থন জানালেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হলে গাজার সংকট আরও ভয়াবহ হবে।
তার মতে, সেক্ষেত্রে হামাস রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে গাজায় প্রভাব বজায় রাখবে। পুনর্গঠন থেমে থাকবে, বিনিয়োগ আসবে না, সাধারণ মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়েই থাকবে এবং আরেকটি প্রজন্ম ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই বড় হবে।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘ ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণেরও কোনো বাস্তব পথ তৈরি হবে না।’
হিলারির দাবি, গাজার অনেক ফিলিস্তিনিও বুঝতে পারছেন যে হামাসের শাসন অব্যাহত থাকলে অর্থবহ পুনর্গঠন সম্ভব নয়। তার ভাষায়, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের শাসনের অবসান ছাড়া ইসরায়েল গাজার যেসব এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে, সেখান থেকে সরে যাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা নেই। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগও তৈরি হবে না।

নিবন্ধের সবচেয়ে আলোচিত অংশে হিলারি স্বীকার করেন, তিনি নিজেও ট্রাম্পের অনেক নীতির বিরোধী। তবু বর্তমান বাস্তবতায় গাজা ইস্যুতে এই পরিকল্পনাকেই সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প বলে মনে করছেন। অন্যদেরও এ পরিকল্পনায় সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
হিলারি লিখেছেন, ‘আমি নিজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একজন আপসহীন সমালোচক। তারপরও যদি আমি এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এটিকেই সবচেয়ে ভালো বিকল্প হিসেবে মেনে নিতে পারি, তাহলে অন্যদেরও তা বিবেচনা করা উচিত।’
হিলারির মতে, ইউরোপ, আরব দেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে না থেকে এর ভেতরে থেকেই পরিকল্পনাটিকে আরও কার্যকর করে তোলার চেষ্টা করা।
কূটনীতির মাধ্যমে সবসময় আদর্শ সমাধান পাওয়া যায় না উল্লেখ করে নিবন্ধের শেষ অংশে হিলারি বলেন, অনেক সময় অসম্পূর্ণ বিকল্পগুলোর মধ্য থেকেই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ বেছে নিতে হয়। তার ভাষায়, ‘অচলাবস্থা কোনো নিরপেক্ষ অবস্থান নয়। সময়ের দাম দিতে জানতে হয়।’
হিলারি বলছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে এখন একটিই প্রশ্ন— তারা কি এই অসম্পূর্ণ পরিকল্পনার ভেতরে থেকেই সেটিকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে কাজ করবে, নাকি দূরে দাঁড়িয়ে আরও ধ্বংসাত্মক শক্তির জন্য পরিস্থিতি ছেড়ে দেবে?
ফিলিস্তিনের গাজায় স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রায় তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ও যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার পুনর্গঠন বিবেচনায় নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের সেপ্টেম্বরে একটি ২০ দফা পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
পরিকল্পনায় তে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা, জিম্মিদের মুক্তি, গাজায় হামাসের সামরিক সক্ষমতা বিলুপ্ত করা, একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন, আন্তর্জাতিক সহায়তায় পুনর্গঠন ও দীর্ঘমেয়াদে ফিলিস্তিনি শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।
গত ১৬ জানুয়ারি এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাজার জন আন্তর্জাতিক তদারকি কাঠামো ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর মাধ্যমে আরব দেশ, পশ্চিমা রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গাজার পুনর্গঠন ও নিরাপত্তা প্রক্রিয়া পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
পরিকল্পনাটি নিয়ে শুরু থেকেই মতভেদ রয়েছে। সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ভাঙার জন্য এটিই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, এতে ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, সার্বভৌমত্ব ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।

রাজনৈতিকভাবে ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বী। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের বিপক্ষে লড়েছেন। তার নীতি ও পরিকল্পনার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। এমনকি ট্রাম্পকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন। অথচ সেই হিলারি ক্লিনটনই এবার গাজা ইস্যুতে ট্রাম্প ট্রাম্প প্রশাসনের পরিকল্পনাকে আকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন!
নিজের লেখা এক মতামত নিবন্ধে হিলারি বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত ২০ দফা গাজা পরিকল্পনা নিখুঁত নয়, এতে অনেক বিতর্কিত বিষয় রয়েছে। তারপরও বর্তমানে এটিই একমাত্র কার্যকর কাঠামো, যার মাধ্যমে গাজা সংকট থেকে বের হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বিকল্প কোনো কার্যকর পরিকল্পনা এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রকাশিত হয়েছে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের এই মতামত। সেখানে তিনি লিখেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেক দেশ ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে সন্দেহের চোখে দেখছে। কিন্তু অপেক্ষা করার সুযোগ আর নেই।
‘আর কোনো বিকল্প কাঠামো প্রস্তুত হয়ে নেই। কোনো জোট আরও কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে অপেক্ষা করছে না। ২০ দফা পরিকল্পনাটি হয়তো অনেকের পছন্দের নয়, কিন্তু এটিই একমাত্র কাঠামো, যার পেছনে পর্যাপ্ত রাজনৈতিক প্রভাব, কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং প্রয়োজনীয় সম্পদ রয়েছে,’ লিখেছেন ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে যাওয়া হিলারি।
তার ভাষায়, এই পরিকল্পনা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী হয়েছে। পাশাপাশি ‘বোর্ড অব পিস’ ও সাবেক জাতিসংঘ দূত নিকোলাই ম্লাদেনভের রোডম্যাপ গাজার পুনর্গঠন, নতুন শাসনব্যবস্থা ও হামাসের সামরিক অবকাঠামো বিলুপ্ত করার একটি বাস্তবসম্মত পথ দেখাচ্ছে।
ট্রাম্পের পরিকল্পনায় সমর্থন জানালেও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন না হলে গাজার সংকট আরও ভয়াবহ হবে।
তার মতে, সেক্ষেত্রে হামাস রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে গাজায় প্রভাব বজায় রাখবে। পুনর্গঠন থেমে থাকবে, বিনিয়োগ আসবে না, সাধারণ মানুষ মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়েই থাকবে এবং আরেকটি প্রজন্ম ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই বড় হবে।
তিনি আরও লিখেছেন, ‘ ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণেরও কোনো বাস্তব পথ তৈরি হবে না।’
হিলারির দাবি, গাজার অনেক ফিলিস্তিনিও বুঝতে পারছেন যে হামাসের শাসন অব্যাহত থাকলে অর্থবহ পুনর্গঠন সম্ভব নয়। তার ভাষায়, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের শাসনের অবসান ছাড়া ইসরায়েল গাজার যেসব এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে, সেখান থেকে সরে যাওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা নেই। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগও তৈরি হবে না।

নিবন্ধের সবচেয়ে আলোচিত অংশে হিলারি স্বীকার করেন, তিনি নিজেও ট্রাম্পের অনেক নীতির বিরোধী। তবু বর্তমান বাস্তবতায় গাজা ইস্যুতে এই পরিকল্পনাকেই সবচেয়ে কার্যকর বিকল্প বলে মনে করছেন। অন্যদেরও এ পরিকল্পনায় সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
হিলারি লিখেছেন, ‘আমি নিজে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একজন আপসহীন সমালোচক। তারপরও যদি আমি এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে এটিকেই সবচেয়ে ভালো বিকল্প হিসেবে মেনে নিতে পারি, তাহলে অন্যদেরও তা বিবেচনা করা উচিত।’
হিলারির মতে, ইউরোপ, আরব দেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে না থেকে এর ভেতরে থেকেই পরিকল্পনাটিকে আরও কার্যকর করে তোলার চেষ্টা করা।
কূটনীতির মাধ্যমে সবসময় আদর্শ সমাধান পাওয়া যায় না উল্লেখ করে নিবন্ধের শেষ অংশে হিলারি বলেন, অনেক সময় অসম্পূর্ণ বিকল্পগুলোর মধ্য থেকেই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ বেছে নিতে হয়। তার ভাষায়, ‘অচলাবস্থা কোনো নিরপেক্ষ অবস্থান নয়। সময়ের দাম দিতে জানতে হয়।’
হিলারি বলছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে এখন একটিই প্রশ্ন— তারা কি এই অসম্পূর্ণ পরিকল্পনার ভেতরে থেকেই সেটিকে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে কাজ করবে, নাকি দূরে দাঁড়িয়ে আরও ধ্বংসাত্মক শক্তির জন্য পরিস্থিতি ছেড়ে দেবে?
ফিলিস্তিনের গাজায় স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের প্রায় তিন বছর ধরে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ও যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার পুনর্গঠন বিবেচনায় নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের সেপ্টেম্বরে একটি ২০ দফা পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
পরিকল্পনায় তে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা, জিম্মিদের মুক্তি, গাজায় হামাসের সামরিক সক্ষমতা বিলুপ্ত করা, একটি অন্তর্বর্তী প্রশাসন গঠন, আন্তর্জাতিক সহায়তায় পুনর্গঠন ও দীর্ঘমেয়াদে ফিলিস্তিনি শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।
গত ১৬ জানুয়ারি এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গাজার জন আন্তর্জাতিক তদারকি কাঠামো ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। এর মাধ্যমে আরব দেশ, পশ্চিমা রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে গাজার পুনর্গঠন ও নিরাপত্তা প্রক্রিয়া পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
পরিকল্পনাটি নিয়ে শুরু থেকেই মতভেদ রয়েছে। সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ভাঙার জন্য এটিই সবচেয়ে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, এতে ফিলিস্তিনিদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, সার্বভৌমত্ব ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও স্বাভাবিকভাবে তেল পরিবহন শুরু হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে এর মধ্যে লেবাননে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
গত প্রায় একবছরের মধ্যে এটিই হবে ওয়াং ইর প্রথম ভারত সফর। এর আগে গত বছরের আগস্টে তিনি নয়াদিল্লি সফর করেন। সফরে অজিত ডোভাল ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনহাত থানা এলাকার নওগাইন গ্রামে এ রোমমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর কোরিয়া জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় সংস্থাগুলোর গোয়েন্দা তথ্য এবং স্যাটেলাইট চিত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোতে এ ধরনের বিশাল বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের ভাটির প্রভাব নিয়ে ভারতের দীর্ঘদিনের উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই নির্মাণ কাজের গতি বেশ বেড়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে