
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবানন পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে ইরান ‘প্রক্সি গোষ্ঠী’গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কঠোর জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
রোববার (২১ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, লেবাননকে ঝামেলামুক্ত রাখতে ইরানকে তাদের ‘প্রক্সি’ গোষ্ঠীগুলোকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তারা যদি সেটি না করে তাহলে কঠোরভাবে আঘাত করা হবে, যেমনটি করা হয়েছিল গত সপ্তাহে, কিংবা তার চেয়েও শক্তিশালী।
ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য হিলের খবরে বলা হয়েছে, গত বুধবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে। ওই সমঝোতায় ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালি খোলা রাখাসহ লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা বলা হয়।
তবে ওই সমঝোতার পরও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত থামেনি। লেবাননে ইসরায়েলের হামলা ও হিজবুল্লাহর পালটা হামলায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। লেবানন ইস্যু যুদ্ধবিরতি কাঠামোকেই চাপের মুখে ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকেব ইরানি কর্মকর্তারা লেবাননের পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) অবশ্য হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করে। ট্রাম্প পরে এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি না হলে হরমুজে শুল্ক আরোপ বা নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

লেবানন পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে ইরান ‘প্রক্সি গোষ্ঠী’গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে কঠোর জবাব দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
রোববার (২১ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, লেবাননকে ঝামেলামুক্ত রাখতে ইরানকে তাদের ‘প্রক্সি’ গোষ্ঠীগুলোকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তারা যদি সেটি না করে তাহলে কঠোরভাবে আঘাত করা হবে, যেমনটি করা হয়েছিল গত সপ্তাহে, কিংবা তার চেয়েও শক্তিশালী।
ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
মার্কিন গণমাধ্যম দ্য হিলের খবরে বলা হয়েছে, গত বুধবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার পর সাময়িকভাবে স্বস্তি ফেরে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে। ওই সমঝোতায় ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালি খোলা রাখাসহ লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা বলা হয়।
তবে ওই সমঝোতার পরও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত থামেনি। লেবাননে ইসরায়েলের হামলা ও হিজবুল্লাহর পালটা হামলায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। লেবানন ইস্যু যুদ্ধবিরতি কাঠামোকেই চাপের মুখে ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকেব ইরানি কর্মকর্তারা লেবাননের পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেন। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) অবশ্য হরমুজে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে দাবি করে। ট্রাম্প পরে এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি না হলে হরমুজে শুল্ক আরোপ বা নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

পুলিশ জানিয়েছে, ভবনটি প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বছরের পুরোনো ছিল। এতে একটি বেজমেন্টের ওপর পাঁচটি তলা ছিল এবং সেটি পিজি আবাসন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ভবনের বেজমেন্টে সংস্কার ও খননকাজ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই কাজের সময় ভবনের একটি স্তম্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পুরো কাঠামোটি ধসে পড়ে। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের
১২ ঘণ্টা আগে
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা এগিয়ে নিতে মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৈঠকে যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ‘সহজ নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
১ দিন আগে
উদ্ধারকারী দলের প্রধান পরিদর্শক সুমন বিক জানান, বেত্রাবতী বাজারের এক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির ধ্বংসাবশেষে তল্লাশি চালানোর সময় অচেতন অবস্থায় চন্দ্রিকাকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে করে মৈথিলি ব্যারাকে নেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে চিকিৎসার প্রয়োজনে তাকে দ্রুত কাঠমান্ডু
১ দিন আগে
প্রতিবেদনে গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে সতর্ক করে বলা হয়, বর্তমানে ইরানি তৎপরতা সীমিত মনে হলেও তেহরানের নেতৃত্ব বড় আকারের সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংঘাত শুরুর পর থেকে নিজস্ব সামরিক ও প্রতিরক্ষামূলক শক্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ায় ইরানের আস্থা বহুগুণ বেড়েছে। ফলে এই মুহূর্তে দুই পক্ষের
১ দিন আগে