
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান তাকে জানিয়েছে যে দেশটি বর্তমানে 'রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়ে'র মধ্যে রয়েছে এবং নিজেদের নেতৃত্ব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। এদিকে যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কার্যত অচলাবস্থায় পড়েছে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কারণ, তেহরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে 'সন্তুষ্ট নন' ট্রাম্প।
ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দুই মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ শেষ না হওয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নৌপথ সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখা হবে।
তবে ট্রাম্প শুরু থেকেই পারমাণবিক ইস্যুতে সমাধান চান বলে জানিয়েছেন তার উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত এক মার্কিন কর্মকর্তা।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আজ মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, "ইরান আমাদের জানিয়েছে যে তারা এখন 'রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়ে'র মধ্যে রয়েছে। তারা চায় আমরা যত দ্রুত সম্ভব হরমুজ প্রণালি খুলে দিই, যাতে তারা তাদের নেতৃত্ব পরিস্থিতি গুছিয়ে নিতে পারে।"
তবে ইরান কীভাবে এই বার্তা ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছেছে, সে বিষয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট কিছু জানাননি।
সৌদি আরবে উপসাগরীয় নেতাদের বৈঠক
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার সৌদি আরবে বৈঠকে বসেছেন উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা। এক উপসাগরীয় কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় দেশগুলো যে হাজারো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখোমুখি হয়েছে, সে বিষয়ে যৌথ প্রতিক্রিয়া নির্ধারণই ছিল বৈঠকের উদ্দেশ্য।
এদিকে গত ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর হামলা কমে এলেও পুনরায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর রাজধানীগুলো।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের করা পারমাণবিক চুক্তির মাধ্যমে দেশটির পারমাণবিক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সীমিত করা হয়েছিল। যদিও ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত। কিন্তু ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে একতরফাভাবে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে চুক্তিটি ভেঙে পড়ে।
শান্তি উদ্যোগে অনিশ্চয়তা
হাজারো প্রাণহানি, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যপথে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী এই সংঘাত নিরসনের আশা আরও ক্ষীণ হয়ে পড়ে, যখন গত সপ্তাহে ট্রাম্প তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তান সফর বাতিল করেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত সপ্তাহের শেষদিকে দুই দফা ইসলামাবাদ সফর করেন। এছাড়া তিনি ওমান সফরের পর সোমবার রাশিয়ায় গিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দীর্ঘদিনের মিত্র রাশিয়ার সমর্থন পান।
আবারও বাড়ছে তেলের দাম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১১ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে, যা তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।
বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে, ইরান যুদ্ধজনিত বড় ধরনের বিঘ্ন মে মাসে শেষ হলেও ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে জ্বালানি মূল্য।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়েছে, তারা ওপেক ও ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। এতে তেল রপ্তানিকারক জোট এবং এর প্রধান প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব বড় ধাক্কায় পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানি তেলবাহী অন্তত ছয়টি ট্যাংকার মার্কিন অবরোধের কারণে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
তবে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকেই সম্ভাব্য নৌ অবরোধ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তাই 'উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই'।
তিনি জানান, উপসাগরীয় বন্দরনির্ভরতা কমাতে ইরান উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় বাণিজ্য করিডর ব্যবহার করছে।
ইরান চেম্বার অব কমার্সের অর্থনীতিবিদ রেজা রোস্তামি জানান, বেসরকারি খাত বর্তমানে কাস্পিয়ান সাগরের চারটি বন্দর এবং তুরস্ক ও তুর্কমেনিস্তান হয়ে রেলপথ ব্যবহার করছে। এ ছাড়া ওমান ও পাকিস্তানের বন্দর ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
শিপিং ডেটা বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্টান কেপলার ও সিনম্যাক্সের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগে প্রতিদিন হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১২৫ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করলেও গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র সাতটি জাহাজ চলাচল করেছে। এর একটিও বৈশ্বিক বাজারের জন্য তেল বহন করছিল না।
যুদ্ধ বন্ধে চাপের মুখে ট্রাম্প
নিজ দেশে জনপ্রিয়তা কমতে থাকায় যুদ্ধ বন্ধে দেশীয় চাপের মুখে রয়েছেন ট্রাম্প। কারণ, এই যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন জনগণের কাছে তিনি বারবার ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
রয়টার্সকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরাগচি যে প্রস্তাব ইসলামাবাদে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখানে ধাপে ধাপে আলোচনার পরিকল্পনা ছিল এবং শুরুতেই পারমাণবিক ইস্যু বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়।
প্রথম ধাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যাতে আবার যুদ্ধ শুরু করতে না পারে, সে নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে। এরপর সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা হবে।
সবশেষে পারমাণবিক কর্মসূচিসহ অন্যান্য অমীমাংসিত বিষয়ে আলোচনা হবে। এ ক্ষেত্রে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের 'অধিকার নিশ্চিতে' যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো না কোনো স্বীকৃতি চাইছে তেহরান।
রাজনীতি/আইআর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান তাকে জানিয়েছে যে দেশটি বর্তমানে 'রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়ে'র মধ্যে রয়েছে এবং নিজেদের নেতৃত্ব পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। এদিকে যুদ্ধ বন্ধের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কার্যত অচলাবস্থায় পড়েছে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কারণ, তেহরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে 'সন্তুষ্ট নন' ট্রাম্প।
ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দুই মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ শেষ না হওয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের নৌপথ সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখা হবে।
তবে ট্রাম্প শুরু থেকেই পারমাণবিক ইস্যুতে সমাধান চান বলে জানিয়েছেন তার উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত এক মার্কিন কর্মকর্তা।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আজ মঙ্গলবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, "ইরান আমাদের জানিয়েছে যে তারা এখন 'রাষ্ট্রীয় বিপর্যয়ে'র মধ্যে রয়েছে। তারা চায় আমরা যত দ্রুত সম্ভব হরমুজ প্রণালি খুলে দিই, যাতে তারা তাদের নেতৃত্ব পরিস্থিতি গুছিয়ে নিতে পারে।"
তবে ইরান কীভাবে এই বার্তা ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছেছে, সে বিষয়ে ট্রাম্প স্পষ্ট কিছু জানাননি।
সৌদি আরবে উপসাগরীয় নেতাদের বৈঠক
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার সৌদি আরবে বৈঠকে বসেছেন উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা। এক উপসাগরীয় কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় দেশগুলো যে হাজারো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মুখোমুখি হয়েছে, সে বিষয়ে যৌথ প্রতিক্রিয়া নির্ধারণই ছিল বৈঠকের উদ্দেশ্য।
এদিকে গত ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর হামলা কমে এলেও পুনরায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর রাজধানীগুলো।
২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের করা পারমাণবিক চুক্তির মাধ্যমে দেশটির পারমাণবিক কার্যক্রম ব্যাপকভাবে সীমিত করা হয়েছিল। যদিও ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত। কিন্তু ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে একতরফাভাবে ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে চুক্তিটি ভেঙে পড়ে।
শান্তি উদ্যোগে অনিশ্চয়তা
হাজারো প্রাণহানি, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যপথে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী এই সংঘাত নিরসনের আশা আরও ক্ষীণ হয়ে পড়ে, যখন গত সপ্তাহে ট্রাম্প তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের পাকিস্তান সফর বাতিল করেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গত সপ্তাহের শেষদিকে দুই দফা ইসলামাবাদ সফর করেন। এছাড়া তিনি ওমান সফরের পর সোমবার রাশিয়ায় গিয়ে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দীর্ঘদিনের মিত্র রাশিয়ার সমর্থন পান।
আবারও বাড়ছে তেলের দাম
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১১ দশমিক ৪০ ডলারে পৌঁছেছে, যা তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।
বিশ্বব্যাংক পূর্বাভাস দিয়েছে, ইরান যুদ্ধজনিত বড় ধরনের বিঘ্ন মে মাসে শেষ হলেও ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে জ্বালানি মূল্য।
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়েছে, তারা ওপেক ও ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। এতে তেল রপ্তানিকারক জোট এবং এর প্রধান প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব বড় ধাক্কায় পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানি তেলবাহী অন্তত ছয়টি ট্যাংকার মার্কিন অবরোধের কারণে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছে।
তবে ইরান সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন থেকেই সম্ভাব্য নৌ অবরোধ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। তাই 'উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই'।
তিনি জানান, উপসাগরীয় বন্দরনির্ভরতা কমাতে ইরান উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলীয় বাণিজ্য করিডর ব্যবহার করছে।
ইরান চেম্বার অব কমার্সের অর্থনীতিবিদ রেজা রোস্তামি জানান, বেসরকারি খাত বর্তমানে কাস্পিয়ান সাগরের চারটি বন্দর এবং তুরস্ক ও তুর্কমেনিস্তান হয়ে রেলপথ ব্যবহার করছে। এ ছাড়া ওমান ও পাকিস্তানের বন্দর ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা চলছে।
শিপিং ডেটা বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্টান কেপলার ও সিনম্যাক্সের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগে প্রতিদিন হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১২৫ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করলেও গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র সাতটি জাহাজ চলাচল করেছে। এর একটিও বৈশ্বিক বাজারের জন্য তেল বহন করছিল না।
যুদ্ধ বন্ধে চাপের মুখে ট্রাম্প
নিজ দেশে জনপ্রিয়তা কমতে থাকায় যুদ্ধ বন্ধে দেশীয় চাপের মুখে রয়েছেন ট্রাম্প। কারণ, এই যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন জনগণের কাছে তিনি বারবার ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
রয়টার্সকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আরাগচি যে প্রস্তাব ইসলামাবাদে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখানে ধাপে ধাপে আলোচনার পরিকল্পনা ছিল এবং শুরুতেই পারমাণবিক ইস্যু বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়।
প্রথম ধাপে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধ এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যাতে আবার যুদ্ধ শুরু করতে না পারে, সে নিশ্চয়তা চাওয়া হয়েছে। এরপর সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আলোচনা হবে।
সবশেষে পারমাণবিক কর্মসূচিসহ অন্যান্য অমীমাংসিত বিষয়ে আলোচনা হবে। এ ক্ষেত্রে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের 'অধিকার নিশ্চিতে' যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কোনো না কোনো স্বীকৃতি চাইছে তেহরান।
রাজনীতি/আইআর

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিবিসির খবরে বলা হয়, ৩১ বছর বয়সী কোল টমাস অ্যালেন সোমবার ওয়াশিংটন ডিসির আদালতে হাজির হয়ে হত্যাচেষ্টার পাশাপাশি অস্ত্র আইনে দুটি অভিযোগের মুখোমুখি হন। দোষী সাব্যস্ত হলে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। তবে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেননি।
১১ ঘণ্টা আগে
ইরানের নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা স্থগিত রাখা হবে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির পর বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
একই দিনে দেশটির কোগি রাজ্যে অন্য এক হামলায় একটি এতিমখানা থেকে ২৩ কিশোরকে অপহরণ করেছে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা। নাইজেরিয়ার উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান এই সহিংসতা ও অপহরণের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি এড়াতে ন্যাটো তাদের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন না করার কথা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষ মেয়াদে তাকে ঘিরে নতুন করে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে— এমন আশঙ্কা থেকেই এমনটি ভাবছে উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দে
১৪ ঘণ্টা আগে