
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কানাডাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম ‘সহযোগী সদস্য’ করার প্রস্তাব নিয়ে জোটটি এগোলে ইউরোপের ওপর ‘খুব কঠোর শুল্ক’ আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রয়োজনে ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। অন্যদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কার সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়বে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কানাডারই।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এপির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প ইইউয়ের প্রস্তাবকে ‘হাস্যকর’ বলে আখ্যা দেন। কানাডাকে ইইউয়ের সহযোগী সদস্য করার উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘খারাপ উদ্দেশ্যে’ নেওয়া হলে ইউরোপকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, উদ্যোগটির উদ্দেশ্য ভালো হলে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি নেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো উদ্দেশ্য থাকলে ইউরোপের ওপর ‘খুব ভারী শুল্ক’ আরোপ করা হবে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি এসেছে এমন একসময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডা ও ইইউয়ের বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে।
এর আগে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন বুধবার কানাডাকে ইইউয়ের ‘সহযোগী সদস্য’ করার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, ইইউ ও কানাডা উৎপাদন, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, আর্কটিক অঞ্চল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াবে।
তবে ‘সহযোগী সদস্য’ ইইউয়ের বিদ্যমান কোনো আনুষ্ঠানিক সদস্যপদ নয়। জোটের চুক্তিতে এমন মর্যাদার কোনো বিধান নেই। ফলে এর অধিকার, বাজারে প্রবেশাধিকার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো এখনো নির্ধারিত হয়নি। প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে ২৭ সদস্যরাষ্ট্রের সম্মতিও প্রয়োজন হবে।
ফন ডার লিয়েন অবশ্য জোর দিয়ে বলেছেন, কানাডার সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়; বরং দুপক্ষের নিজেদের শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ।
বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে কার্নিও ইইউয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, কানাডা ও ইউরোপ আলাদাভাবে শক্তিশালী, তবে একসঙ্গে আরও শক্তিশালী।
কার্নি স্পষ্ট করে বলেন, কানাডা কোনো তৃতীয় শক্তির বিরুদ্ধে নতুন জোট গড়তে চাইছে না। বরং উন্মুক্ত বাজার, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন রক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে চায়। তার ভাষায়, কানাডা নিজের অংশীদারিত্ব নিজেই নির্ধারণ করবে।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সম্পর্কে বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন বেড়েছে। কানাডার প্রায় ৭০ শতাংশ রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যায়। ফলে ওয়াশিংটনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বাজার ও অংশীদার খোঁজার চেষ্টা করছে অটোয়া।
গত মাসে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ আরও স্পষ্ট হয়। এরই ধারাবাহিকতায় কার্নি ইইউর সঙ্গে ‘বিশেষ জোট’ গড়ার কথা বলেন।
এখন ফন ডার লিয়েনের প্রস্তাব ও ট্রাম্পের পালটা হুমকি কানাডা-ইইউ সম্পর্ককে শুধু বাণিজ্যের বিষয়েই সীমাবদ্ধ রাখছে না, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের বৃহত্তর কৌশলগত সম্পর্কেরও নতুন পরীক্ষা হয়ে উঠছে।

কানাডাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রথম ‘সহযোগী সদস্য’ করার প্রস্তাব নিয়ে জোটটি এগোলে ইউরোপের ওপর ‘খুব কঠোর শুল্ক’ আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রয়োজনে ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি। অন্যদিকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, কার সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়বে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কানাডারই।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এপির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প ইইউয়ের প্রস্তাবকে ‘হাস্যকর’ বলে আখ্যা দেন। কানাডাকে ইইউয়ের সহযোগী সদস্য করার উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘খারাপ উদ্দেশ্যে’ নেওয়া হলে ইউরোপকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, উদ্যোগটির উদ্দেশ্য ভালো হলে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি নেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোনো উদ্দেশ্য থাকলে ইউরোপের ওপর ‘খুব ভারী শুল্ক’ আরোপ করা হবে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি তিনি।
ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি এসেছে এমন একসময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডা ও ইইউয়ের বাণিজ্যিক সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে।
এর আগে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন বুধবার কানাডাকে ইইউয়ের ‘সহযোগী সদস্য’ করার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, ইইউ ও কানাডা উৎপাদন, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, আর্কটিক অঞ্চল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াবে।
তবে ‘সহযোগী সদস্য’ ইইউয়ের বিদ্যমান কোনো আনুষ্ঠানিক সদস্যপদ নয়। জোটের চুক্তিতে এমন মর্যাদার কোনো বিধান নেই। ফলে এর অধিকার, বাজারে প্রবেশাধিকার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো এখনো নির্ধারিত হয়নি। প্রস্তাবটি বাস্তবায়নে ২৭ সদস্যরাষ্ট্রের সম্মতিও প্রয়োজন হবে।
ফন ডার লিয়েন অবশ্য জোর দিয়ে বলেছেন, কানাডার সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়; বরং দুপক্ষের নিজেদের শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ।
বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে কার্নিও ইইউয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি বলেন, কানাডা ও ইউরোপ আলাদাভাবে শক্তিশালী, তবে একসঙ্গে আরও শক্তিশালী।
কার্নি স্পষ্ট করে বলেন, কানাডা কোনো তৃতীয় শক্তির বিরুদ্ধে নতুন জোট গড়তে চাইছে না। বরং উন্মুক্ত বাজার, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন রক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে চায়। তার ভাষায়, কানাডা নিজের অংশীদারিত্ব নিজেই নির্ধারণ করবে।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সম্পর্কে বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন বেড়েছে। কানাডার প্রায় ৭০ শতাংশ রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে যায়। ফলে ওয়াশিংটনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নতুন বাজার ও অংশীদার খোঁজার চেষ্টা করছে অটোয়া।
গত মাসে কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের উদ্যোগ আরও স্পষ্ট হয়। এরই ধারাবাহিকতায় কার্নি ইইউর সঙ্গে ‘বিশেষ জোট’ গড়ার কথা বলেন।
এখন ফন ডার লিয়েনের প্রস্তাব ও ট্রাম্পের পালটা হুমকি কানাডা-ইইউ সম্পর্ককে শুধু বাণিজ্যের বিষয়েই সীমাবদ্ধ রাখছে না, উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের বৃহত্তর কৌশলগত সম্পর্কেরও নতুন পরীক্ষা হয়ে উঠছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যাংক সুদের হার কমানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু তার বিরোধিতা সত্ত্বেও ফেডারেল রিজার্ভের নীতি নির্ধারকরা সর্বসম্মতিক্রমে সুদের হার ৩.৫-৩.৭৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩.৭৫-৪ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এরই মধ্যে এ বৈঠকের জন্য প্রাথমিক আমন্ত্রণ পাঠিয়েছে। আরও কয়েকটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতাকেও বৈঠকে যুক্ত করা হতে পারে। হোয়াইট হাউজ এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
৯ ঘণ্টা আগে
২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী ‘র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস’ -এর মধ্যে গৃহযুদ্ধ চলছে। এই সংঘাতের খরচ জোগানোর মূল উৎস বহুল আলোচিত সোনা বাণিজ্য। তীব্র খাদ্যসংকট ও চরম বেকারত্বের মুখে পড়ে দেশটির লাখ লাখ তরুণ বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এসব অনিরাপদ খনিতে নেমে পড়েন।
১৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত চাপের পেছনে অতিরিক্ত অভিবাসীকে দায়ী করে আসছে রাজনৈতিক দল ও বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কট্টর-ডানপন্থী দল 'ওয়ান নেশন'-এর পক্ষ থেকে অস্থায়ী অভিবাসী কমানোর জোর দাবির মুখে সরকার দ্রুত এই নীতি বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নিয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে