
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৃহস্পতিবার (২৩ মে) মার্কিন সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক রাশিয়ার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জবাবে তিনি এমন পদক্ষেপ নিলেন।
আদেশে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র বেআইনিভাবে মস্কোর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করায় রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বিভিন্ন সংস্থার আদালতে আইনি প্রতিকার চাওয়ার অধিকার থাকবে। রাশিয়ান সরকারের একটি বিশেষ কমিশন মার্কিন সম্পদ বা সম্পত্তি শনাক্ত করবে।
এসবের মধ্যে রাশিয়ায় থাকা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, সিকিউরিটিজ, রাশিয়ান প্রতিষ্ঠানে থাকা শেয়ার এবং সম্পত্তির অধিকার রয়েছে। এসব মার্কিন সম্পদ রাশিয়ার ক্ষতিপূরণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
এ আদেশ বাস্তবায়নের সুবিধার্থে রাশিয়ার আইনে সংশোধনী আনার জন্য সরকারকে চার মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বৃহস্পতিবার (২৩ মে) মার্কিন সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে একটি আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক রাশিয়ার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জবাবে তিনি এমন পদক্ষেপ নিলেন।
আদেশে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র বেআইনিভাবে মস্কোর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করায় রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং বিভিন্ন সংস্থার আদালতে আইনি প্রতিকার চাওয়ার অধিকার থাকবে। রাশিয়ান সরকারের একটি বিশেষ কমিশন মার্কিন সম্পদ বা সম্পত্তি শনাক্ত করবে।
এসবের মধ্যে রাশিয়ায় থাকা যুক্তরাষ্ট্রের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, সিকিউরিটিজ, রাশিয়ান প্রতিষ্ঠানে থাকা শেয়ার এবং সম্পত্তির অধিকার রয়েছে। এসব মার্কিন সম্পদ রাশিয়ার ক্ষতিপূরণের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
এ আদেশ বাস্তবায়নের সুবিধার্থে রাশিয়ার আইনে সংশোধনী আনার জন্য সরকারকে চার মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর পর্যন্ত সিরিয়াজুড়ে আই এসের সঙ্গে সম্পর্কিত শতাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে মার্কিন বিমান বাহিনী। সিরিয়ায় অপারেশন হকিয়ে নামে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছিল মার্কিন সেনাবাহিনী, তার অংশ হিসেবেই পরিচালনা করা হয়েছে এই মিশন।”
১ দিন আগে
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ওমানের সালালাহ শহরের তামরিত এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির প্রাইভেটকারের সঙ্গে হঠাৎ একটি উটের সংঘর্ষ হলে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুমড়েমুচড়ে যায়।
২ দিন আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে, প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি দ্বীপটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তখনই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়— গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়।
২ দিন আগে