
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘বিভিন্ন দেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে’ হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজ ‘মুক্ত’ করতে সাহায্য করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জন্য তিনি ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন, যার মাধ্যমে তার প্রশাসন ইরানের আরোপ করা কৌশলগত নৌ পথ অবরোধ ভাঙার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নিয়ে এসেছে সতর্কবার্তা। আবার ট্রাম্প হরমুজে অবরোধ ভেঙে জাহাজ মুক্ত করে নিয়ে আসার কথা বললেও কোন প্রক্রিয়ায় সেটি করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি বা তার সামরিক বাহিনী।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, রোববার (৩ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’র ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ‘নিরপেক্ষ ও নির্দোষ পর্যবেক্ষক’ বিভিন্ন দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়েছে। তাদের অনুরোধে তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
কোন কোন দেশ তাকে অনুরোধ করেছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, ‘ইরান, মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে আমরা এসব দেশকে জানিয়েছি, আমরা তাদের জাহাজগুলোকে নিরাপদে এই সীমাবদ্ধ জলপথ থেকে বের করে আনতে সাহায্য করব, যেন তারা নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, অনেক জাহাজে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা বড় আকারের ক্রুদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদভাবে অবস্থান করা কঠিন করে তুলছে। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, এই অভিযানে কোনো ধরনের বাধা এলে তা জোরালোভাবে মোকাবিলা করা হবে।
ট্রাম্প তার ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’কে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করলেও এটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। হরমুজ অবরোধ করে রাখা ইরানের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো সমন্বয়ক করা হবে কি না, জানানো হয়নি সে তথ্যও। বিশ্লেষকরা বরং বলছেন, অবরোধ ভেঙে জাহাজ মুক্ত করতে গিয়ে ইরানের প্রতিরোধের মুখে পড়লে বরং তিন সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পুরোপুরে ভেঙে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরান সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান এব্রাহিম আজিজির বক্তব্যেও পাওয়া গেছে তেমনই ইঙ্গিত। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ‘মার্কিন হস্তক্ষেপ’ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আজিজি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগর ট্রাম্পের বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিয়ে পরিচালিত হবে না! দোষারোপের গল্প কেউ বিশ্বাস করবে না।’
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সোমবার থেকে তারা সেই বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সহায়তা দেবে, যারা প্রণালিতে অবাধে চলাচল করতে চায়। কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘এই প্রতিরক্ষামূলক মিশনে আমাদের সহায়তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, একই সঙ্গে আমরা নৌ অবরোধ বজায় রাখছি।’
তবে কীভাবে জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি সেন্টকম। এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, সংকীর্ণ এই জলপথে জাহাজকে এসকর্ট করার মতো প্রস্তুতি তাদের নেই, কারণ এতে ইরানের দিক থেকে হামলার ঝুঁকি রয়েছে।
সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র ফেলো নেগার মোরতাজাভি মনে করছেন, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজ যদি যুক্তরাষ্ট্র ‘এসকর্ট’ করে নিয়ে যেতে চায়, একে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখবে না ইরান। বরং একে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিনিদের প্রবেশের কৌশল হিসেবেই দেখবে।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোরতাজাভি বলেন, ‘এতে মার্কিন বাহিনী ইরানের হামলার পরিসরে আরও কাছে চলে আসবে… এটি কি হুমকি, নাকি আলোচনার কৌশল— নাকি সত্যিই প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা, তা স্পষ্ট নয়।’

‘বিভিন্ন দেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে’ হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজ ‘মুক্ত’ করতে সাহায্য করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর জন্য তিনি ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন, যার মাধ্যমে তার প্রশাসন ইরানের আরোপ করা কৌশলগত নৌ পথ অবরোধ ভাঙার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে।
তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ নিয়ে এসেছে সতর্কবার্তা। আবার ট্রাম্প হরমুজে অবরোধ ভেঙে জাহাজ মুক্ত করে নিয়ে আসার কথা বললেও কোন প্রক্রিয়ায় সেটি করা হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি বা তার সামরিক বাহিনী।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, রোববার (৩ মে) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডমে’র ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ‘নিরপেক্ষ ও নির্দোষ পর্যবেক্ষক’ বিভিন্ন দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়েছে। তাদের অনুরোধে তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
কোন কোন দেশ তাকে অনুরোধ করেছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, ‘ইরান, মধ্যপ্রাচ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে আমরা এসব দেশকে জানিয়েছি, আমরা তাদের জাহাজগুলোকে নিরাপদে এই সীমাবদ্ধ জলপথ থেকে বের করে আনতে সাহায্য করব, যেন তারা নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালাতে পারে।’
ট্রাম্প আরও বলেন, অনেক জাহাজে খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিয়েছে, যা বড় আকারের ক্রুদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদভাবে অবস্থান করা কঠিন করে তুলছে। ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, এই অভিযানে কোনো ধরনের বাধা এলে তা জোরালোভাবে মোকাবিলা করা হবে।
ট্রাম্প তার ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’কে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করলেও এটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। হরমুজ অবরোধ করে রাখা ইরানের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো সমন্বয়ক করা হবে কি না, জানানো হয়নি সে তথ্যও। বিশ্লেষকরা বরং বলছেন, অবরোধ ভেঙে জাহাজ মুক্ত করতে গিয়ে ইরানের প্রতিরোধের মুখে পড়লে বরং তিন সপ্তাহ ধরে চলতে থাকা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি পুরোপুরে ভেঙে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরান সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান এব্রাহিম আজিজির বক্তব্যেও পাওয়া গেছে তেমনই ইঙ্গিত। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে যেকোনো ‘মার্কিন হস্তক্ষেপ’ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আজিজি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগর ট্রাম্পের বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিয়ে পরিচালিত হবে না! দোষারোপের গল্প কেউ বিশ্বাস করবে না।’
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সোমবার থেকে তারা সেই বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সহায়তা দেবে, যারা প্রণালিতে অবাধে চলাচল করতে চায়। কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেন, ‘এই প্রতিরক্ষামূলক মিশনে আমাদের সহায়তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, একই সঙ্গে আমরা নৌ অবরোধ বজায় রাখছি।’
তবে কীভাবে জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি সেন্টকম। এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল, সংকীর্ণ এই জলপথে জাহাজকে এসকর্ট করার মতো প্রস্তুতি তাদের নেই, কারণ এতে ইরানের দিক থেকে হামলার ঝুঁকি রয়েছে।
সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র ফেলো নেগার মোরতাজাভি মনে করছেন, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজ যদি যুক্তরাষ্ট্র ‘এসকর্ট’ করে নিয়ে যেতে চায়, একে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখবে না ইরান। বরং একে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিনিদের প্রবেশের কৌশল হিসেবেই দেখবে।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোরতাজাভি বলেন, ‘এতে মার্কিন বাহিনী ইরানের হামলার পরিসরে আরও কাছে চলে আসবে… এটি কি হুমকি, নাকি আলোচনার কৌশল— নাকি সত্যিই প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা, তা স্পষ্ট নয়।’

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৫ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
২১ ঘণ্টা আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে