
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের জ্বালানি খাত ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সহায়তার অভিযোগে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল বুধবার মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রণালয় জানায়, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’ টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখছিল। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রির অর্থ লেনদেনে তারা দেশটির অভিজাত বাহিনী আইআরজিসি-কে আড়ালে থেকে সহযোগিতা করত। তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রী।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জানিয়েছেন, তার মন্ত্রণালয়ের ‘বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ’ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে নিষেধাজ্ঞার কোপে পড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোন দেশের— তা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি কিংবা ট্রেজারিমন্ত্রীর এক্সবার্তার কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।
ইরানের তেল বাণিজ্যের ওপর আগে থেকেই একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র; কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে আন্তর্জাতিক বাজারে ঠিকই ইরানের তেল পৌঁছাচ্ছে এবং তেল বিক্রি থেকে দেশটির উপার্জনও অব্যাহত আছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় একপ্রকার ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’ তৈরি করেছে ইরান। এই ব্যবস্থায় তৃতীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বৈশ্বিক গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলোর হিসাবে রাখা এবং সেসব হিসাব থেকে অর্থ ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা আইআরজিসিকে পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কাজ করে এই তৃতীয় পক্ষ।
ইরানের তেল বাণিজ্য ও বিপনন দেখভালের দায়িত্বে আছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
যে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রণালয়— তারা সবাই এই তৃতীয় পক্ষের অধীন, অর্থাৎ পরোক্ষ বা আড়ালে থেকে ইরানের তেল বাণিজ্য থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইসরানের সরকার, প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং আইআরজিসির কাছে পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করে।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে আছে ইরানের তেল বাণিজ্য ও বিপনন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ এ ব্যাপারটিকে আরও উসকে দিয়েছে। গত ১২ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের আগ পর্যন্ত এই অবরোধ থাকবে।
রাজনীতি/এসআর

ইরানের জ্বালানি খাত ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সহায়তার অভিযোগে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল বুধবার মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রণালয় জানায়, এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইরানের ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’ টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখছিল। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রির অর্থ লেনদেনে তারা দেশটির অভিজাত বাহিনী আইআরজিসি-কে আড়ালে থেকে সহযোগিতা করত। তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রী।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারিমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় জানিয়েছেন, তার মন্ত্রণালয়ের ‘বিদেশি সম্পদ নিয়ন্ত্রণ বিভাগ’ এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে নিষেধাজ্ঞার কোপে পড়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো কোন দেশের— তা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি কিংবা ট্রেজারিমন্ত্রীর এক্সবার্তার কোথাও উল্লেখ করা হয়নি।
ইরানের তেল বাণিজ্যের ওপর আগে থেকেই একাধিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র; কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে আন্তর্জাতিক বাজারে ঠিকই ইরানের তেল পৌঁছাচ্ছে এবং তেল বিক্রি থেকে দেশটির উপার্জনও অব্যাহত আছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় একপ্রকার ‘ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা’ তৈরি করেছে ইরান। এই ব্যবস্থায় তৃতীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বৈশ্বিক গ্রাহকদের কাছে তেল বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলোর হিসাবে রাখা এবং সেসব হিসাব থেকে অর্থ ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা আইআরজিসিকে পৌঁছে দেওয়ার যাবতীয় কাজ করে এই তৃতীয় পক্ষ।
ইরানের তেল বাণিজ্য ও বিপনন দেখভালের দায়িত্বে আছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।
যে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মার্কিন ট্রেজারি মন্ত্রণালয়— তারা সবাই এই তৃতীয় পক্ষের অধীন, অর্থাৎ পরোক্ষ বা আড়ালে থেকে ইরানের তেল বাণিজ্য থেকে প্রাপ্ত অর্থ ইসরানের সরকার, প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং আইআরজিসির কাছে পৌঁছে দিতে সহযোগিতা করে।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে আছে ইরানের তেল বাণিজ্য ও বিপনন। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ এ ব্যাপারটিকে আরও উসকে দিয়েছে। গত ১২ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেহরানের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের আগ পর্যন্ত এই অবরোধ থাকবে।
রাজনীতি/এসআর

চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
১৯ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২১ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বাহাদুরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই অবরোধ চলে।
১ দিন আগে
থাই প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এমন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছেন, যাতে জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে। নতুন আইনে শুধু দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১ দিন আগে