
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

তাইওয়ানের কাছে প্রায় ১১ বিলিয়ন বা ১১০০ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। উন্নত রকেট লঞ্চারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে এসব অস্ত্রের মধ্যে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন পেলেই অস্ত্র বিক্রির এই প্যাকেজ নিয়ে আর কোনো বাধা থাকবে না। জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে ফেরার পর এর আগেও এক ধাপে অস্ত্র বিক্রি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির এ উদ্যোগকে ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র-চীন বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ স্বশাসিত তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে দেখে থাকে চীন। সামরিক মহড়া এবং নিয়মিত জলসীমা ও আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর চীন চাপ বাড়িয়ে আসছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় বলছে, এই চুক্তি দ্বীপটিকে ‘দ্রুত শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে’ সহায়তা করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বেইজিংয়ের সঙ্গে, যা তাইওয়ানের সঙ্গে নেই। দুই দেশের সঙ্গে তারা দীর্ঘদিন ধরে তারা সূক্ষ্ণ কূটনৈতিক ভারসাম্যও বজায় রেখে চলেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো তাইওয়ানের শক্তিশালী মিত্র ও দ্বীপটির সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী।
চীন ট্রাম্প প্রশাসনের এ ঘোষণায় কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গত মাসে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছিল, নভেম্বরের আগের একটি চুক্তি, যেখানে ৩৩ কোটি ডলারের যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য বিমান যন্ত্রাংশ বিক্রি করার কথা ছিল, সেটি গুরুতরভাবে চীনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা লঙ্ঘন করেছে।
ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে জো বাইডেন প্রশাসনও তাইওয়ানের কাছে নিয়মিত অস্ত্র বিক্রি করেছে। ওই সময়ে মোট ১৯ দফায় অস্ত্র বিক্রি করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এগুলোর মোট পরিমাণ ছিল ৮৩৮ কোটি টাকা। ট্রাম্প প্রশাসন এক দফাতেই ওই ১৯ দফার চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি দামের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট পদে প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প তাইওয়ানের কাছে মোট এক হাজার ৮৩০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিলেন, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্যাকেজ ছিল ৮০০ কোটি ডলারের।

তাইওয়ানের কাছে প্রায় ১১ বিলিয়ন বা ১১০০ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। উন্নত রকেট লঞ্চারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে এসব অস্ত্রের মধ্যে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন পেলেই অস্ত্র বিক্রির এই প্যাকেজ নিয়ে আর কোনো বাধা থাকবে না। জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজে ফেরার পর এর আগেও এক ধাপে অস্ত্র বিক্রি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রির এ উদ্যোগকে ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র-চীন বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ স্বশাসিত তাইওয়ানকে একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে দেখে থাকে চীন। সামরিক মহড়া এবং নিয়মিত জলসীমা ও আকাশসীমায় অনুপ্রবেশের মাধ্যমে দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর চীন চাপ বাড়িয়ে আসছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় বলছে, এই চুক্তি দ্বীপটিকে ‘দ্রুত শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে’ সহায়তা করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে বেইজিংয়ের সঙ্গে, যা তাইওয়ানের সঙ্গে নেই। দুই দেশের সঙ্গে তারা দীর্ঘদিন ধরে তারা সূক্ষ্ণ কূটনৈতিক ভারসাম্যও বজায় রেখে চলেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এখনো তাইওয়ানের শক্তিশালী মিত্র ও দ্বীপটির সবচেয়ে বড় অস্ত্র সরবরাহকারী।
চীন ট্রাম্প প্রশাসনের এ ঘোষণায় কোনো মন্তব্য করেনি। তবে গত মাসে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছিল, নভেম্বরের আগের একটি চুক্তি, যেখানে ৩৩ কোটি ডলারের যুদ্ধবিমান ও অন্যান্য বিমান যন্ত্রাংশ বিক্রি করার কথা ছিল, সেটি গুরুতরভাবে চীনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা লঙ্ঘন করেছে।
ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে জো বাইডেন প্রশাসনও তাইওয়ানের কাছে নিয়মিত অস্ত্র বিক্রি করেছে। ওই সময়ে মোট ১৯ দফায় অস্ত্র বিক্রি করে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এগুলোর মোট পরিমাণ ছিল ৮৩৮ কোটি টাকা। ট্রাম্প প্রশাসন এক দফাতেই ওই ১৯ দফার চেয়ে ৩১ শতাংশ বেশি দামের অস্ত্র বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট পদে প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প তাইওয়ানের কাছে মোট এক হাজার ৮৩০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছিলেন, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্যাকেজ ছিল ৮০০ কোটি ডলারের।

বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান বাংলাদেশ। সেই সূত্রে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসের আউটরিচ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে এর বাইরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে ভারতের পক্ষ থেকে দ্বিপাক্ষিক সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
১৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পরদিনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ভারতের কূটনৈতিক সূত্র এ সাক্ষাতের তথ্য নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কই ছিল এ সাক্ষাতে আলোচনার মূল বিষয়।
১৩ ঘণ্টা আগে
গত ৮ জুলাই আঙ্কারায় ট্রাম্প প্রথমে এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠেন। পরে বিমানটি সঙ্গে লাগোয়া একটি খাবার সরবরাহের (ক্যাটারিং) কনটেইনার ট্রাকে চলে যান। পরে ওই ট্রাকে করে তাকে ছোট আকারের সি-৩২এ সামরিক বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাজ্যে পৌঁছে দেয়।
১ দিন আগে