
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে উন্নত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে চীন।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন ওয়াশিংটনকে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই 'এক চীন নীতি' মেনে চলতে হবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন বেইজিং সফরের প্রাক্কালে এই কড়া হুঁশিয়ারি দুই পরাশক্তির সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন চীন সফরের পর তাইওয়ানের জন্য উন্নত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রসহ নতুন একটি অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদিত হতে পারে— এমন খবর প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় জিয়াকুন এই মন্তব্য করেন।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়ন এবং তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ‘বাস্তব পদক্ষেপ’ নেওয়া প্রয়োজন।
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর চলতি মাসের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো চীন সফর করবেন ট্রাম্প। এর আগে গত ডিসেম্বর তার প্রশাসন তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়। এর জবাবে চীন কয়েকটি মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানি ও তাদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে চীন। অন্যদিকে, তাইপে ১৯৪৯ সাল থেকে কার্যত স্বাধীন অবস্থান বজায় রেখে আসছে। এদিকে পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে তাইওয়ান, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য অনেকাংশে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ইরান যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চল থেকে অনেক সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে এই দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়ছে।

তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে উন্নত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করেছে চীন।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন ওয়াশিংটনকে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই 'এক চীন নীতি' মেনে চলতে হবে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন বেইজিং সফরের প্রাক্কালে এই কড়া হুঁশিয়ারি দুই পরাশক্তির সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন চীন সফরের পর তাইওয়ানের জন্য উন্নত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রসহ নতুন একটি অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদিত হতে পারে— এমন খবর প্রকাশের প্রতিক্রিয়ায় জিয়াকুন এই মন্তব্য করেন।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়ন এবং তাইওয়ান প্রণালিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ‘বাস্তব পদক্ষেপ’ নেওয়া প্রয়োজন।
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর চলতি মাসের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো চীন সফর করবেন ট্রাম্প। এর আগে গত ডিসেম্বর তার প্রশাসন তাইওয়ানের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের রেকর্ড পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দেয়। এর জবাবে চীন কয়েকটি মার্কিন প্রতিরক্ষা কোম্পানি ও তাদের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে চীন। অন্যদিকে, তাইপে ১৯৪৯ সাল থেকে কার্যত স্বাধীন অবস্থান বজায় রেখে আসছে। এদিকে পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে তাইওয়ান, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো নিরাপত্তার জন্য অনেকাংশে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ইরান যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চল থেকে অনেক সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে এই দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কা বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
২১ ঘণ্টা আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে